ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডজুড়ে উত্তেজনা আরও বেড়েছে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর। বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় ইসরায়েলের বিভিন্ন এলাকায় আঘাত হানে একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র। এসব হামলায় অন্তত ১১ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ।
হামলার পর ঘটনাস্থলে উদ্ধার ও তদন্ত কার্যক্রম শুরু করে ইসরায়েলি নিরাপত্তা বাহিনী ও স্থানীয় বাসিন্দারা। বিভিন্ন এলাকায় ক্ষয়ক্ষতির চিত্র সামনে আসতে শুরু করেছে।

নিহতদের মধ্যে শিশু ও স্বেচ্ছাসেবক
ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নিহতদের মধ্যে রয়েছে তিন ভাইবোন—যাদের বয়স ছিল ১৬, ১৫ ও ১৩ বছর। এছাড়াও একজন ফিলিপাইনি সেবিকা নিহত হয়েছেন। তিনি যার দেখাশোনা করতেন, তাকে নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়ার সময় হামলার শিকার হন।
আরেকজন নিহত নারী ছিলেন তিন সন্তানের মা এবং স্বেচ্ছাসেবী চিকিৎসাকর্মী। তিনি জরুরি পরিস্থিতিতে মানুষকে সহায়তা করতে কাজ করছিলেন।

বেইত শেমেশে বড় ধরনের হতাহতের ঘটনা
সবচেয়ে বড় প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে বেইত শেমেশ শহরে। সেখানে একটি ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় একসঙ্গে নয়জন নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
এ হামলার ফলে এলাকাটিতে ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং উদ্ধার তৎপরতা জোরদার করা হয়।
ধর্মীয় ও আবাসিক স্থাপনায় আঘাত
ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় আঘাত হেনেছে। বেইত শেমেশে একটি উপাসনালয় ও একটি জনসাধারণের আশ্রয়কেন্দ্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তেল আবিবে একটি অ্যাপার্টমেন্ট ভবনে আঘাত হানে ক্ষেপণাস্ত্র, আর জেরুজালেমের একটি সড়কেও হামলার ঘটনা ঘটেছে।
ইসরায়েলি পুলিশ জানিয়েছে, একটি ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের ওয়ারহেড জেরুজালেমের পুরনো শহরের খুব কাছাকাছি এলাকায় পড়েছে। ওই অঞ্চলে বহু গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় স্থান অবস্থিত।

সামরিক স্থাপনায় ক্ষয়ক্ষতির তথ্য অজানা
ইসরায়েলের সামরিক ঘাঁটি বা সংবেদনশীল স্থাপনাগুলো কতটা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, সে বিষয়ে এখনো স্পষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি। দেশটির সামরিক বাহিনী সাধারণত এসব স্থানের ক্ষয়ক্ষতির বিস্তারিত প্রকাশ করে না।
তবে সাম্প্রতিক হামলার পর নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে এবং পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।
-69a9204a5a4f0.webp)
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















