০৩:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬
ফিফার ক্ষমতার নেপথ্যে আলোচিত ‘ফিক্সার’ মারিও গাল্লাভোত্তি ফকল্যান্ড নিয়ে যুক্তরাজ্যকে চাপ দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, বাড়তি সামরিক ব্যয়ের দাবি ইইউতে যোগ দেবে কি আইসল্যান্ড, ভোটে নির্ধারিত হচ্ছে সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তার ভবিষ্যৎ সাতক্ষীরায় পুকুরে ডুবে দুই বছরের শিশুর মৃত্যু রাশিয়া-যুক্তরাজ্য উত্তেজনা, মস্কোয় গোয়েন্দা তৎপরতা ও ইউক্রেন যুদ্ধ: সপ্তাহের আলোচিত ঘটনাগুলো সংসদ ভবনের কাছে শিক্ষক হত্যা: মূল সন্দেহভাজনসহ দুজন গ্রেপ্তার, জব্দ মোটরসাইকেল ঢাকার প্রধান সড়কে নিষিদ্ধ হচ্ছে ব্যাটারিচালিত রিকশা, থাকছে ৮ জোনে চলাচলের পরিকল্পনা বসাবোর ঝুটের গুদামে আগুন, নিয়ন্ত্রণে দুই ইউনিট মক্কা চুক্তি বদলে দিচ্ছে উপসাগরীয় নিরাপত্তার সমীকরণ, নজরে ইসরায়েল হাজারীবাগে নির্মাণাধীন ভবনের লিফট শ্যাফটে পড়ে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকের মৃত্যু

যুদ্ধের আড়ালে নিপীড়ন: ইরানে দুই রাজনৈতিক বন্দীর ফাঁসি, ইউরোপে বিক্ষোভ

বুধবার ভোরে ইরানের শাসক গোষ্ঠী PMOI (মুজাহেদিন-এ-খালক)-এর দুই সদস্য বাবাক আলিপুর ও পুয়া গোবাদিকে ফাঁসি দিয়েছে। ২০২৪ সালে গ্রেফতার করে দীর্ঘ নির্যাতনের পর তাদের মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। সুইজারল্যান্ডের বার্নসহ ইউরোপের বিভিন্ন শহরে এই ফাঁসির প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ হয়েছে।

বাইরে যুদ্ধ, ভেতরে দমন-পীড়ন

ইরান বিষয়ক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাইরে মার্কিন-ইসরায়েলি যুদ্ধ ইরানের শাসক গোষ্ঠীকে ভেতরে নিপীড়ন আরো জোরদার করার সুযোগ দিচ্ছে। বাইরের আগ্রাসনকে ব্যবহার করে জাতীয়তাবাদী জজবা তৈরি করে রাজনৈতিক বিরোধীদের দমন করা হচ্ছে। ন্যাশনাল কাউন্সিল অফ রেজিস্ট্যান্স অফ ইরান বলছে, যুদ্ধ ইরানের জনগণকে মুক্তির কাছে নিয়ে যাচ্ছে না — বরং দূরে ঠেলে দিচ্ছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ফিফার ক্ষমতার নেপথ্যে আলোচিত ‘ফিক্সার’ মারিও গাল্লাভোত্তি

যুদ্ধের আড়ালে নিপীড়ন: ইরানে দুই রাজনৈতিক বন্দীর ফাঁসি, ইউরোপে বিক্ষোভ

০৮:৩৫:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬

বুধবার ভোরে ইরানের শাসক গোষ্ঠী PMOI (মুজাহেদিন-এ-খালক)-এর দুই সদস্য বাবাক আলিপুর ও পুয়া গোবাদিকে ফাঁসি দিয়েছে। ২০২৪ সালে গ্রেফতার করে দীর্ঘ নির্যাতনের পর তাদের মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। সুইজারল্যান্ডের বার্নসহ ইউরোপের বিভিন্ন শহরে এই ফাঁসির প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ হয়েছে।

বাইরে যুদ্ধ, ভেতরে দমন-পীড়ন

ইরান বিষয়ক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাইরে মার্কিন-ইসরায়েলি যুদ্ধ ইরানের শাসক গোষ্ঠীকে ভেতরে নিপীড়ন আরো জোরদার করার সুযোগ দিচ্ছে। বাইরের আগ্রাসনকে ব্যবহার করে জাতীয়তাবাদী জজবা তৈরি করে রাজনৈতিক বিরোধীদের দমন করা হচ্ছে। ন্যাশনাল কাউন্সিল অফ রেজিস্ট্যান্স অফ ইরান বলছে, যুদ্ধ ইরানের জনগণকে মুক্তির কাছে নিয়ে যাচ্ছে না — বরং দূরে ঠেলে দিচ্ছে।