০৩:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
এক দশকের মোড় ঘুরে গেল: টিভি-সংবাদপত্রকে পেছনে ফেলে বিশ্বের প্রধান সংবাদমাধ্যম এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা: শান্তির আশা নাকি নতুন অনিশ্চয়তার সূচনা? বিশ্বকাপের উন্মাদনায় এক হচ্ছে বিশ্ব, ফুটবলের ভাষায় গড়ে উঠছে সম্মান ও সহমর্মিতা সৃজনশীলতা চাই, কিন্তু কতটা সহনশীল আমরা? সিঙ্গাপুরে শিল্পচর্চা নিয়ে নতুন বিতর্ক জাপানের নগর উন্নয়ন প্রকল্পে বড় ধাক্কা, ব্যয় বৃদ্ধি ও শ্রমিক সংকটে থমকে যাচ্ছে একের পর এক পরিকল্পনা এশিয়াজুড়ে ডেঙ্গু প্রতিরোধে ঐক্যবদ্ধ উদ্যোগ, ছয় আঞ্চলিক সংস্থার চুক্তি ট্রাম্পের যুদ্ধবিরতি চুক্তি: স্বস্তির বার্তা পেলেও বেশি সুবিধায় থাকতে পারে ইরান সিঙ্গাপুরে চাকরির বাজারে চাপ বাড়ছে, ছাঁটাই সর্বোচ্চ পর্যায়ে; ডিগ্রিধারীদের উদ্বেগ বেশি ভারতে ডিজেল ও বিমান জ্বালানি রপ্তানিতে বাড়ল অতিরিক্ত কর, অপরিবর্তিত পেট্রোল ‘আংটি আছে তো আসুন, না থাকলে একাই আসুন’—টেলর-ট্রাভিসের বিয়ের নিয়মে চাঞ্চল্য

‘নিজেদের তেল নিজেরা নাও’ — মিত্রদের একা ছেড়ে দিলেন ট্রাম্প

হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকায় তীব্র জ্বালানি সংকটে পড়া মিত্র দেশগুলোকে ট্রাম্প সরাসরি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র আর তাদের সাহায্য করবে না। সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি লেখেন, “সাহস করুন, হরমুজে যান এবং নিজেদের তেল নিজেরাই নিয়ে আসুন।” যুক্তরাজ্যসহ বেশ কয়েকটি মিত্র দেশ এই যুদ্ধে অংশ না নেওয়ায় তাদের প্রতি ট্রাম্পের ক্ষোভ এখন প্রকাশ্যে।

ন্যাটো জোটে নতুন ফাটল

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই বক্তব্য পশ্চিমা জোটের মধ্যে নতুন বিভাজন তৈরি করবে। যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স ও জার্মানি এই যুদ্ধে সরাসরি অংশ নেয়নি এবং ট্রাম্পের আক্রমণকে “আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন” বলে সমালোচনা করেছে। ট্রাম্পের এই উক্তি সেই সম্পর্ককে আরো তিক্ত করেছে। এশিয়া ও ইউরোপের দেশগুলো এখন হরমুজে নিজেদের নৌ মোতায়েনের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

এক দশকের মোড় ঘুরে গেল: টিভি-সংবাদপত্রকে পেছনে ফেলে বিশ্বের প্রধান সংবাদমাধ্যম এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম

‘নিজেদের তেল নিজেরা নাও’ — মিত্রদের একা ছেড়ে দিলেন ট্রাম্প

১০:০০:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬

হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকায় তীব্র জ্বালানি সংকটে পড়া মিত্র দেশগুলোকে ট্রাম্প সরাসরি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র আর তাদের সাহায্য করবে না। সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি লেখেন, “সাহস করুন, হরমুজে যান এবং নিজেদের তেল নিজেরাই নিয়ে আসুন।” যুক্তরাজ্যসহ বেশ কয়েকটি মিত্র দেশ এই যুদ্ধে অংশ না নেওয়ায় তাদের প্রতি ট্রাম্পের ক্ষোভ এখন প্রকাশ্যে।

ন্যাটো জোটে নতুন ফাটল

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই বক্তব্য পশ্চিমা জোটের মধ্যে নতুন বিভাজন তৈরি করবে। যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স ও জার্মানি এই যুদ্ধে সরাসরি অংশ নেয়নি এবং ট্রাম্পের আক্রমণকে “আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন” বলে সমালোচনা করেছে। ট্রাম্পের এই উক্তি সেই সম্পর্ককে আরো তিক্ত করেছে। এশিয়া ও ইউরোপের দেশগুলো এখন হরমুজে নিজেদের নৌ মোতায়েনের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছে।