দিল্লিতে রেঁস্তোরা ও স্ট্রিট ফুড বিক্রেতারা বলছেন, খাবারের দাম শিগগিরই বেড়ে যাবে কারণ বাণিজ্যিক এলপিজি সিলিন্ডারের দাম আবারও বাড়ানো হয়েছে। মাত্র এক মাসে দাম প্রায় ঊনিশ শতাংশ বেড়ে গেছে, যার পরিমাণ এখন দুই হাজার রুপি ছাড়িয়ে গেছে। ছোট দোকানগুলো বলছে, দামে চাপ আর সিলিন্ডারের ঘাটতি তাদের বাঁচা বোঝায় হুমকি সৃষ্টি করতে পারে।
দাম বৃদ্ধির আঘাত ও কষ্টে ক্ষুদ্র রেঁস্তোরা
বৃহত্তর রেঁস্তোরাগুলো আপাতত এই চাপ সহ্য করলেও ছোট খুঁটিনাটি রেঁস্তোরা ও স্ট্রিট ফুড স্টলগুলো বলছে, এভাবে চললে তাদের ব্যবসা টিকিয়ে রাখা কঠিন হবে। একাংশ ব্যবসায়ী জানান, তারা নিজেরা বাড়ি থেকে সিলিন্ডার এনে কাজ চালাচ্ছেন। কখনো কখনো সিলিন্ডার না পেয়ে কয়েক দিন দোকান বন্ধও রাখতে বাধ্য হয়েছেন।
দাম বাড়ার প্রভাব ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা
একটি পুরনো রেঁস্তোরা দিনে তিন থেকে চারটি সিলিন্ডার ব্যবহার করে আর প্রতিদিন প্রায় এক হাজার দুইশো রুপির অতিরিক্ত খরচ হচ্ছে। এই পরিস্থিতি যদি কয়েক সপ্তাহই স্থায়ী হয়, তারা বাধ্য হয়ে দরও বাড়াতে পারে বলেও সতর্ক করেছেন ব্যবসায়ী। অনেকেই সিলিন্ডারের বাজার দামের ওপর ক্ষুব্ধ হয়ে বলেছেন, কালো বাজারে দাম চার থেকে পাঁচ হাজার রুপিও পৌঁছে যাচ্ছে।
ক্যাটারিং সার্ভিস ও ইভেন্ট খাতে ভয়াবহ চাপ
ক্যাটারাররাও বলছেন, এই সঙ্কট তাদের ইভেন্ট খাতে চাপ সৃষ্টি করছে। এপ্রিলের মাঝামাঝি অনেক ইভেন্ট রেখেছেন, তাতে এই পরিস্থিতি যদি স্থায়ী হয়, তারা তাদের সেবার দাম বাড়াতে বাধ্য হবেন বলে আশা প্রকাশ করেছেন। তারা বলেছেন, দাম বাড়া নয়, মূল সমস্যা হচ্ছে সিলিন্ডারের নিয়মিত যোগান নেই।

বিকল্প শক্তির সন্ধানে ব্যবসায়ীরা
অনেক রেঁস্তোরা পাইপড ন্যাচারাল গ্যাসের দিকে ঝুঁকছেন, যাতে দাম ও সরবরাহের স্থায়িত্ব পাওয়া যায়। কিন্তু স্থানীয় feasibility-র কারণে কিছু সমস্যাও রয়েছে, বিশেষত নিউ দিল্লি মিউনিসিপাল কাউন্সিল এলাকার রেঁস্তোরাগুলোর জন্য।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 


















