ইরান যুদ্ধের অর্থনৈতিক প্রভাব নিয়ে বিশ্বব্যাংক তীব্র উদ্বেগ জানিয়েছে। সংস্থাটি বলেছে, এই সংঘাত বৈশ্বিক মূল্যস্ফীতি, কর্মসংস্থান ও খাদ্য নিরাপত্তায় বিপর্যয়কর প্রভাব ফেলতে পারে এবং সদস্য দেশগুলোকে সহায়তা করার উপায় খুঁজে বের করতে জরুরি আলোচনা চলছে।
হরমুজ প্রণালি অবরোধে বৈশ্বিক তেল ও গ্যাস সরবরাহের ২০ শতাংশ আটকে গেছে। আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা একে “ইতিহাসের সবচেয়ে বড় জ্বালানি সরবরাহ বিঘ্ন” হিসেবে চিহ্নিত করেছে।

সার সংকট ও খাদ্য উৎপাদনে ধস
বাহরাইন, ওমান, কাতার ও সৌদি আরব থেকে ইউরিয়া ও অ্যামোনিয়া রপ্তানি বাধাগ্রস্ত হওয়ায় বৈশ্বিক সার বাজারে বড় সংকট তৈরি হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সংকট দীর্ঘায়িত হলে ২০২৬ সালে বৈশ্বিক সারের দাম গড়ে ১৫ থেকে ২০ শতাংশ বাড়তে পারে, যা খাদ্য উৎপাদনেও প্রভাব ফেলবে।
বাংলাদেশে সরাসরি প্রভাব
বাংলাদেশ এই সংকটে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর একটি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জ্বালানি আমদানি ব্যয় বাড়লে পরিবহন খরচ বাড়বে, যা সামগ্রিক মূল্যস্ফীতিকে আরও চাপে ফেলবে। ইতিমধ্যে বাজারে নিত্যপণ্যের দাম বাড়তে শুরু করেছে।

বিশ্বব্যাংক সতর্ক করল: ইরান যুদ্ধে মূল্যস্ফীতি, চাকরি ও খাবার সবই ঝুঁকিতে। বাংলাদেশ সবচেয়ে বিপদের মুখে।
#বিশ্বব্যাংক #ইরানযুদ্ধ #মূল্যস্ফীতি #Sarakhon #সারাক্ষণ
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















