ইরান যুদ্ধের প্রভাবে এশিয়াজুড়ে জ্বালানি সংকট ভয়াবহ সহিংসতা ও অস্থিরতায় রূপ নিচ্ছে। বাংলাদেশ ও পাকিস্তানে পেট্রল পাম্পের কর্মীরা হত্যার শিকার হচ্ছেন এবং ফিলিপিন্সে হাজার হাজার পরিবহন শ্রমিক ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে ধর্মঘট করেছেন।
ওয়াশিংটন পোস্টের একটি বিশেষ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে অবৈধ সিন্ডিকেটগুলো মধ্যরাতে জ্বালানি পরিবহন যানবাহনে হামলা করে তেল লুট করছে। পেট্রল পাম্পে প্রতিদিনই হামলার ঘটনা ঘটছে।

পাকিস্তানেও একই চিত্র
পাকিস্তানেও পাম্প কর্মীরা জ্বালানি চুরি বা রাগান্বিত গ্রাহকদের হামলায় হতাহত হচ্ছেন। ভারতেও অনুরূপ ঘটনার খবর পাওয়া গেছে।
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা যা বললেন
প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, “এটি একটি পাগলামি। এটি অসহনীয়। এই সংকট সমাধানে বৈশ্বিক양심কোথায়?” তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ এমন একটি যুদ্ধের মূল্য দিচ্ছে যাতে দেশটির কোনো ভূমিকাই নেই।
সরাসরি বাংলাদেশের গল্প
এই সংকটে বাংলাদেশ শুধু আর্থিকভাবে নয়, মানবিকভাবেও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। পাম্প কর্মীরা চাকরি ছাড়তে চাইছেন, কৃষক সেচ পাচ্ছেন না, কারখানায় উৎপাদন বন্ধ হচ্ছে।
বাংলাদেশে পেট্রলপাম্প কর্মী খুন, পাকিস্তানেও একই চিত্র। ইরান যুদ্ধের জ্বালানি সংকট এশিয়ায় রক্তপাত ঘটাচ্ছে।

#জ্বালানিসংকট #এশিয়া #বাংলাদেশ #পাকিস্তান #Sarakhon #সারাক্ষণ
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















