০২:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ০২ মে ২০২৬
ট্রাম্পের প্রশংসা-রাজনীতি: ব্রিজিত ম্যাক্রোঁকে ঘিরে কূটনৈতিক বার্তা ও ইরান ইস্যুর টানাপোড়েন যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাতে চাপে ভারত-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক, কৌশলগত ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন প্রশ্ন গ্রিনল্যান্ড নিয়ে নতুন উত্তাপ: ইরান যুদ্ধ ঘিরে ট্রাম্পের কৌশল, ন্যাটোতে ফাটল স্পষ্ট ট্রাম্পের নতুন পছন্দ: শতকোটি সম্পদের মালিক কি হচ্ছেন ফেড প্রধান? চীনকে বুঝতে ব্যর্থতার শঙ্কা, বিশেষজ্ঞ সংকটে পড়ছে যুক্তরাষ্ট্র জিন্স, মিম আর শেয়ারবাজার: ভাইরাল প্রচারণায় দুলছে বিনিয়োগের হিসাব বিশ্বজুড়ে পাঁচ গল্প: টরটিলা থেকে এভারেস্ট—স্বাস্থ্য, রাজনীতি আর ভূরাজনীতির নতুন হিসাব তারকাখ্যাতি এখন রোবটের হাতে: পোল্যান্ডে ভাইরাল মানবাকৃতি ‘তারকা’ রোবটের উত্থান মাইলেই সরকারের জনপ্রিয়তায় ধস, দুর্নীতি ও অর্থনৈতিক সংকটে আর্জেন্টিনায় বাড়ছে অসন্তোষ টিএসসিতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল, মাইক্রোবাসসহ আটক ২

ডেঙ্গুর বিস্তার বাড়ছে, হাসপাতালে চাপ—সতর্কতায় জোর

দেশজুড়ে আবারও বাড়তে শুরু করেছে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা। রাজধানীসহ বিভিন্ন জেলায় হাসপাতালে ভর্তি রোগীর চাপ বাড়ছে, যা স্বাস্থ্যব্যবস্থার ওপর নতুন করে চাপ সৃষ্টি করছে। চিকিৎসকরা বলছেন, বর্ষা মৌসুম ঘনিয়ে আসায় পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে, তাই এখনই প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা জোরদার করা জরুরি।

পরিস্থিতির বর্তমান চিত্র
সাম্প্রতিক সময়ে প্রতিদিনই নতুন করে ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হচ্ছে। রাজধানীর বড় হাসপাতালগুলোতে শয্যা সংকট দেখা দিচ্ছে। অনেক রোগীকে মেঝেতে বা অতিরিক্ত বেডে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে। চিকিৎসকদের মতে, এ বছর ডেঙ্গুর ধরন কিছুটা ভিন্ন হওয়ায় রোগীরা দ্রুত দুর্বল হয়ে পড়ছেন।

ঝুঁকিতে কোন এলাকাগুলো
শহরের ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা এবং যেখানে পানি জমে থাকে, সেসব জায়গায় ডেঙ্গুর ঝুঁকি বেশি। বিশেষ করে নির্মাণাধীন ভবন, ফেলে রাখা টায়ার, ফুলের টব বা ছাদে জমে থাকা পানি মশার বংশবিস্তার বাড়িয়ে দিচ্ছে। এসব জায়গায় নিয়মিত পরিষ্কার না রাখলে সংক্রমণ দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে পারে।

চিকিৎসকদের পরামর্শ
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জ্বর, মাথাব্যথা, চোখের পেছনে ব্যথা বা শরীর ব্যথা হলে দ্রুত পরীক্ষা করানো উচিত। দেরি করলে জটিলতা বাড়তে পারে। রোগীদের পর্যাপ্ত পানি পান, বিশ্রাম এবং প্রয়োজন অনুযায়ী চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।

প্রতিরোধই প্রধান উপায়
ডেঙ্গু প্রতিরোধে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো মশার বংশবিস্তার বন্ধ করা। আশপাশে কোথাও পানি জমে থাকতে দেওয়া যাবে না। বাড়ির ভেতর ও বাইরে নিয়মিত পরিষ্কার রাখতে হবে। পাশাপাশি মশারি ব্যবহার এবং সচেতনতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

সরকারি উদ্যোগ
সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে বিভিন্ন এলাকায় পরিচ্ছন্নতা অভিযান জোরদার করা হয়েছে। মশা নিধনে নিয়মিত কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। তবে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, শুধু সরকারি উদ্যোগ নয়, ব্যক্তিগত সচেতনতাও সমানভাবে জরুরি।

জনপ্রিয় সংবাদ

ট্রাম্পের প্রশংসা-রাজনীতি: ব্রিজিত ম্যাক্রোঁকে ঘিরে কূটনৈতিক বার্তা ও ইরান ইস্যুর টানাপোড়েন

ডেঙ্গুর বিস্তার বাড়ছে, হাসপাতালে চাপ—সতর্কতায় জোর

০৭:২৭:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬

দেশজুড়ে আবারও বাড়তে শুরু করেছে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা। রাজধানীসহ বিভিন্ন জেলায় হাসপাতালে ভর্তি রোগীর চাপ বাড়ছে, যা স্বাস্থ্যব্যবস্থার ওপর নতুন করে চাপ সৃষ্টি করছে। চিকিৎসকরা বলছেন, বর্ষা মৌসুম ঘনিয়ে আসায় পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে, তাই এখনই প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা জোরদার করা জরুরি।

পরিস্থিতির বর্তমান চিত্র
সাম্প্রতিক সময়ে প্রতিদিনই নতুন করে ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হচ্ছে। রাজধানীর বড় হাসপাতালগুলোতে শয্যা সংকট দেখা দিচ্ছে। অনেক রোগীকে মেঝেতে বা অতিরিক্ত বেডে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে। চিকিৎসকদের মতে, এ বছর ডেঙ্গুর ধরন কিছুটা ভিন্ন হওয়ায় রোগীরা দ্রুত দুর্বল হয়ে পড়ছেন।

ঝুঁকিতে কোন এলাকাগুলো
শহরের ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা এবং যেখানে পানি জমে থাকে, সেসব জায়গায় ডেঙ্গুর ঝুঁকি বেশি। বিশেষ করে নির্মাণাধীন ভবন, ফেলে রাখা টায়ার, ফুলের টব বা ছাদে জমে থাকা পানি মশার বংশবিস্তার বাড়িয়ে দিচ্ছে। এসব জায়গায় নিয়মিত পরিষ্কার না রাখলে সংক্রমণ দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে পারে।

চিকিৎসকদের পরামর্শ
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জ্বর, মাথাব্যথা, চোখের পেছনে ব্যথা বা শরীর ব্যথা হলে দ্রুত পরীক্ষা করানো উচিত। দেরি করলে জটিলতা বাড়তে পারে। রোগীদের পর্যাপ্ত পানি পান, বিশ্রাম এবং প্রয়োজন অনুযায়ী চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।

প্রতিরোধই প্রধান উপায়
ডেঙ্গু প্রতিরোধে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো মশার বংশবিস্তার বন্ধ করা। আশপাশে কোথাও পানি জমে থাকতে দেওয়া যাবে না। বাড়ির ভেতর ও বাইরে নিয়মিত পরিষ্কার রাখতে হবে। পাশাপাশি মশারি ব্যবহার এবং সচেতনতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

সরকারি উদ্যোগ
সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে বিভিন্ন এলাকায় পরিচ্ছন্নতা অভিযান জোরদার করা হয়েছে। মশা নিধনে নিয়মিত কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। তবে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, শুধু সরকারি উদ্যোগ নয়, ব্যক্তিগত সচেতনতাও সমানভাবে জরুরি।