১২:৪৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
নিউইয়র্কে ৯/১১ হামলার ২৫ বছর: গ্রাউন্ড জিরোতে ২,৯৮৩ নাম পাঠে স্মরণ সৌদি তেল রপ্তানিতে বড় ধাক্কা, হরমুজ ও লোহিত সাগর দুই পথেই বাড়ছে ঝুঁকি সাংবাদিক পুলক চ্যাটার্জীর পাঁচ চিরকুট মোদি-পুতিনের বৈঠক, পশ্চিমা চাপের বাইরে নতুন বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধির প্ল্যাটফর্ম চায় ব্রিকস বরিশালে সমকালের কার্যালয়ে সাংবাদিক পুলক চট্টোপাধ্যায়ের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার সৌদি আরবের তেল পাইপলাইন বন্ধ, লোহিত সাগরের কৌশলগত দ্বীপ দখলে হুথিরা ৮ বিভাগেই বৃষ্টি ও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, কমতে পারে তাপমাত্রা সিডনির মঞ্চে আজ জেমস ও রূপম, দুই বাংলার রক দিল্লিতে মোদি-পেজেশকিয়ান বৈঠক, নাবিকদের নিরাপত্তায় জোর  ফিলিপাইনে ফেরিতে আগুন, মৃত্যু বেড়ে ৩৫, নিখোঁজ ৫৪

ঢাকায় আটা ও সুগন্ধি চালের দাম চড়া, বোতলের সয়াবিন উধাও

ঢাকার কাঁচাবাজারে আটা, ময়দা ও সুগন্ধি চালের দাম হঠাৎ বেড়ে গেছে। সয়াবিন তেলের সরবরাহ সংকট এখনো কাটেনি। এই দুইয়ের চাপে বিপাকে পড়েছে বেকারি, বিরিয়ানির দোকান ও মধ্যবিত্ত পরিবার। শুক্রবার শান্তিনগর, রামপুরা, বাড্ডা ও শাহজাদপুরের বাজার ঘুরে দাম বাড়ার এই চিত্র পাওয়া গেছে।
খোলা আটা বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি ৫০ টাকায়, যা গত সপ্তাহে ছিল ৪৫ টাকা। ময়দার দাম ৭০ থেকে ৭৫ টাকা থেকে উঠে দাঁড়িয়েছে ৮০ থেকে ৮৫ টাকায়। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সুগন্ধি চালের রপ্তানি কোটা অর্ধেক করার পরও এই চালের দাম কেজিতে বেড়েছে ২০ টাকা। ভালো মানের খোলা সুগন্ধি চাল এখন ২০০ টাকা কেজি, আগের সপ্তাহে ছিল ১৮০ টাকা। প্যাকেটজাত সুগন্ধি চাল বিক্রি হচ্ছে ২২০ থেকে ২৪০ টাকায়। ক্রেতারা বলছেন, এক মাস আগেও একই চাল মিলত ১৫০ থেকে ১৬০ টাকায়।
সয়াবিন তেলের দাম বাড়ানোর এক সপ্তাহ পরও সরবরাহ স্বাভাবিক হয়নি। বেশির ভাগ দোকানে এক লিটারের বোতলজাত সয়াবিন নেই। বাধ্য হয়ে অনেকে কিনছেন তুলনামূলক দামি রাইস ব্রান বা সূর্যমুখী তেল। খুচরা বিক্রেতারা বলছেন, তেল কোম্পানি ও ডিলারদের কাছে বারবার চেয়েও সাড়া মিলছে না, উল্টো লিটারপ্রতি কমিশন কমানো হয়েছে। তাদের অভিযোগ, কয়েকটি কোম্পানি অন্য পণ্যের অর্ডার না নিলে সয়াবিন দিচ্ছে না।
Flour, aromatic rice prices spike as edible oil crisis persists in Dhaka
বেকারি ও বিরিয়ানি ব্যবসায়ীরা বলছেন, এই ধারা চললে দাম আরও বাড়াতে হবে। বাড্ডার মা বিরিয়ানির ব্যবস্থাপক আনোয়ার জানান, আগে চিকেন পোলাও প্যাকেটপ্রতি ১২০ টাকায় বিক্রি হতো, এখন নিতে হচ্ছে ১৫০ টাকা। তার মতে, নতুন দামও বেশিদিন ধরে রাখা কঠিন হবে। রামপুরার আদিব লাইভ বেকারির মালিক আদিব রহমান জানান, বেকারি সমিতি সব ময়দাজাত পণ্যের দাম ২০ শতাংশ বাড়াতে বলেছে। দাম না বাড়ালে মুনাফা থাকে না, বাড়ালে ক্রেতা চলে যায়।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর হিসাবে আগস্টে সার্বিক মূল্যস্ফীতি ছিল ৮ দশমিক ২৬ শতাংশ, খাদ্য মূল্যস্ফীতি ৭ দশমিক শূন্য ২ শতাংশ। জুলাইয়ের তুলনায় সার্বিক হার কিছুটা কমেছে। রামপুরার ক্রেতা আফসানার প্রশ্ন, বড় করপোরেট কোম্পানিগুলো কেন বাজারে তেল দিচ্ছে না। পরিসংখ্যানে যে স্বস্তির ইঙ্গিত, বাজারের ব্যাগে সেটি এখনো ঢোকেনি।
জনপ্রিয় সংবাদ

নিউইয়র্কে ৯/১১ হামলার ২৫ বছর: গ্রাউন্ড জিরোতে ২,৯৮৩ নাম পাঠে স্মরণ

ঢাকায় আটা ও সুগন্ধি চালের দাম চড়া, বোতলের সয়াবিন উধাও

১১:০৪:২১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকার কাঁচাবাজারে আটা, ময়দা ও সুগন্ধি চালের দাম হঠাৎ বেড়ে গেছে। সয়াবিন তেলের সরবরাহ সংকট এখনো কাটেনি। এই দুইয়ের চাপে বিপাকে পড়েছে বেকারি, বিরিয়ানির দোকান ও মধ্যবিত্ত পরিবার। শুক্রবার শান্তিনগর, রামপুরা, বাড্ডা ও শাহজাদপুরের বাজার ঘুরে দাম বাড়ার এই চিত্র পাওয়া গেছে।
খোলা আটা বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি ৫০ টাকায়, যা গত সপ্তাহে ছিল ৪৫ টাকা। ময়দার দাম ৭০ থেকে ৭৫ টাকা থেকে উঠে দাঁড়িয়েছে ৮০ থেকে ৮৫ টাকায়। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সুগন্ধি চালের রপ্তানি কোটা অর্ধেক করার পরও এই চালের দাম কেজিতে বেড়েছে ২০ টাকা। ভালো মানের খোলা সুগন্ধি চাল এখন ২০০ টাকা কেজি, আগের সপ্তাহে ছিল ১৮০ টাকা। প্যাকেটজাত সুগন্ধি চাল বিক্রি হচ্ছে ২২০ থেকে ২৪০ টাকায়। ক্রেতারা বলছেন, এক মাস আগেও একই চাল মিলত ১৫০ থেকে ১৬০ টাকায়।
সয়াবিন তেলের দাম বাড়ানোর এক সপ্তাহ পরও সরবরাহ স্বাভাবিক হয়নি। বেশির ভাগ দোকানে এক লিটারের বোতলজাত সয়াবিন নেই। বাধ্য হয়ে অনেকে কিনছেন তুলনামূলক দামি রাইস ব্রান বা সূর্যমুখী তেল। খুচরা বিক্রেতারা বলছেন, তেল কোম্পানি ও ডিলারদের কাছে বারবার চেয়েও সাড়া মিলছে না, উল্টো লিটারপ্রতি কমিশন কমানো হয়েছে। তাদের অভিযোগ, কয়েকটি কোম্পানি অন্য পণ্যের অর্ডার না নিলে সয়াবিন দিচ্ছে না।
Flour, aromatic rice prices spike as edible oil crisis persists in Dhaka
বেকারি ও বিরিয়ানি ব্যবসায়ীরা বলছেন, এই ধারা চললে দাম আরও বাড়াতে হবে। বাড্ডার মা বিরিয়ানির ব্যবস্থাপক আনোয়ার জানান, আগে চিকেন পোলাও প্যাকেটপ্রতি ১২০ টাকায় বিক্রি হতো, এখন নিতে হচ্ছে ১৫০ টাকা। তার মতে, নতুন দামও বেশিদিন ধরে রাখা কঠিন হবে। রামপুরার আদিব লাইভ বেকারির মালিক আদিব রহমান জানান, বেকারি সমিতি সব ময়দাজাত পণ্যের দাম ২০ শতাংশ বাড়াতে বলেছে। দাম না বাড়ালে মুনাফা থাকে না, বাড়ালে ক্রেতা চলে যায়।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর হিসাবে আগস্টে সার্বিক মূল্যস্ফীতি ছিল ৮ দশমিক ২৬ শতাংশ, খাদ্য মূল্যস্ফীতি ৭ দশমিক শূন্য ২ শতাংশ। জুলাইয়ের তুলনায় সার্বিক হার কিছুটা কমেছে। রামপুরার ক্রেতা আফসানার প্রশ্ন, বড় করপোরেট কোম্পানিগুলো কেন বাজারে তেল দিচ্ছে না। পরিসংখ্যানে যে স্বস্তির ইঙ্গিত, বাজারের ব্যাগে সেটি এখনো ঢোকেনি।