০১:২১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
নিউইয়র্কে ৯/১১ হামলার ২৫ বছর: গ্রাউন্ড জিরোতে ২,৯৮৩ নাম পাঠে স্মরণ সৌদি তেল রপ্তানিতে বড় ধাক্কা, হরমুজ ও লোহিত সাগর দুই পথেই বাড়ছে ঝুঁকি সাংবাদিক পুলক চ্যাটার্জীর পাঁচ চিরকুট মোদি-পুতিনের বৈঠক, পশ্চিমা চাপের বাইরে নতুন বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধির প্ল্যাটফর্ম চায় ব্রিকস বরিশালে সমকালের কার্যালয়ে সাংবাদিক পুলক চট্টোপাধ্যায়ের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার সৌদি আরবের তেল পাইপলাইন বন্ধ, লোহিত সাগরের কৌশলগত দ্বীপ দখলে হুথিরা ৮ বিভাগেই বৃষ্টি ও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, কমতে পারে তাপমাত্রা সিডনির মঞ্চে আজ জেমস ও রূপম, দুই বাংলার রক দিল্লিতে মোদি-পেজেশকিয়ান বৈঠক, নাবিকদের নিরাপত্তায় জোর  ফিলিপাইনে ফেরিতে আগুন, মৃত্যু বেড়ে ৩৫, নিখোঁজ ৫৪

পদ্মা ব্যারেজের উদ্বোধন জানুয়ারি-মার্চে, ব্যয় ৩৪ হাজার কোটি

পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হবে আগামী জানুয়ারি থেকে মার্চের মধ্যে। উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শুক্রবার রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার হাবাসপুরে প্রস্তাবিত প্রকল্প এলাকা পরিদর্শনের সময় এ কথা জানান পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদুদ্দিন চৌধুরী অ্যানি।
পরিদর্শনে তার সঙ্গে ছিলেন অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম এবং সংসদ সদস্য মোহাম্মদ হারুন অর রশিদ। মন্ত্রী বলেন, পদ্মা ব্যারেজ বাস্তবায়িত হলে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২৪টি জেলায় বড় ধরনের অর্থনৈতিক রূপান্তর ঘটবে। কৃষি ও মৎস্য খাতেও উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আসবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
আগামী বছরের শুরুতেই পদ্মা ব্যারেজের নির্মাণকাজের উদ্বোধন: পানিসম্পদমন্ত্রী
প্রকল্পে ১১৩ মেগাওয়াট ক্ষমতার দুটি জলবিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মিত হবে। মন্ত্রী জানান, প্রকল্পের কারিগরি সমীক্ষা শুরু হয়েছিল ২০০৪ সালে, তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার আমলে। প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগ সম্পন্ন হয়েছে এবং তারা কাজ শুরু করেছেন। সরকার প্রকল্পটি অনুমোদন দিয়েছে ৩৪ হাজার ৪৯৭ কোটি টাকা ব্যয়ে। পুরো অর্থায়ন আসবে দেশীয় উৎস থেকে। সাত বছরে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে।
কাঠামোগত দিক থেকে প্রস্তাবিত পদ্মা ব্যারেজ হবে ২ দশমিক ১ কিলোমিটার দীর্ঘ। এতে থাকবে ৭৮টি স্পিলওয়ে গেট, ১৮টি আন্ডারস্লুইস গেট, একটি নেভিগেশন লক এবং দুটি ফিশ পাস। ব্যারেজের ওপর দিয়ে একটি রেলসেতুও নির্মিত হবে। পরিদর্শনের সময় উপস্থিত ছিলেন পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. এ কে এম শাহাবুদ্দিন, বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক মো. রুহুল আমিন, রাজবাড়ীর জেলা প্রশাসক আফরোজা পারভীন ও জেলা পরিষদের প্রশাসক আবদুস সালাম।
মার্চের মধ্যে পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্পের ভিত্তি প্রস্তর উদ্বোধন করবেন  প্রধানমন্ত্রী' | কালবেলা
দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে শুষ্ক মৌসুমে পানির প্রবাহ ধরে রাখা দীর্ঘদিনের আলোচিত বিষয়। ২০০৪ সালে শুরু হওয়া কারিগরি সমীক্ষা থেকে ২০২৬ সালের অনুমোদন পর্যন্ত সময় লেগেছে দুই দশকের বেশি। এখন সাত বছরের নির্মাণকাল ধরলে হাবাসপুরের এই মাঠে গেট বসতে বসতে সমীক্ষার তারিখটি প্রায় তিন দশক পুরোনো হয়ে যাবে।
জনপ্রিয় সংবাদ

নিউইয়র্কে ৯/১১ হামলার ২৫ বছর: গ্রাউন্ড জিরোতে ২,৯৮৩ নাম পাঠে স্মরণ

পদ্মা ব্যারেজের উদ্বোধন জানুয়ারি-মার্চে, ব্যয় ৩৪ হাজার কোটি

১১:১৩:০৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হবে আগামী জানুয়ারি থেকে মার্চের মধ্যে। উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শুক্রবার রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার হাবাসপুরে প্রস্তাবিত প্রকল্প এলাকা পরিদর্শনের সময় এ কথা জানান পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদুদ্দিন চৌধুরী অ্যানি।
পরিদর্শনে তার সঙ্গে ছিলেন অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম এবং সংসদ সদস্য মোহাম্মদ হারুন অর রশিদ। মন্ত্রী বলেন, পদ্মা ব্যারেজ বাস্তবায়িত হলে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২৪টি জেলায় বড় ধরনের অর্থনৈতিক রূপান্তর ঘটবে। কৃষি ও মৎস্য খাতেও উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আসবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
আগামী বছরের শুরুতেই পদ্মা ব্যারেজের নির্মাণকাজের উদ্বোধন: পানিসম্পদমন্ত্রী
প্রকল্পে ১১৩ মেগাওয়াট ক্ষমতার দুটি জলবিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মিত হবে। মন্ত্রী জানান, প্রকল্পের কারিগরি সমীক্ষা শুরু হয়েছিল ২০০৪ সালে, তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার আমলে। প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগ সম্পন্ন হয়েছে এবং তারা কাজ শুরু করেছেন। সরকার প্রকল্পটি অনুমোদন দিয়েছে ৩৪ হাজার ৪৯৭ কোটি টাকা ব্যয়ে। পুরো অর্থায়ন আসবে দেশীয় উৎস থেকে। সাত বছরে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে।
কাঠামোগত দিক থেকে প্রস্তাবিত পদ্মা ব্যারেজ হবে ২ দশমিক ১ কিলোমিটার দীর্ঘ। এতে থাকবে ৭৮টি স্পিলওয়ে গেট, ১৮টি আন্ডারস্লুইস গেট, একটি নেভিগেশন লক এবং দুটি ফিশ পাস। ব্যারেজের ওপর দিয়ে একটি রেলসেতুও নির্মিত হবে। পরিদর্শনের সময় উপস্থিত ছিলেন পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. এ কে এম শাহাবুদ্দিন, বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক মো. রুহুল আমিন, রাজবাড়ীর জেলা প্রশাসক আফরোজা পারভীন ও জেলা পরিষদের প্রশাসক আবদুস সালাম।
মার্চের মধ্যে পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্পের ভিত্তি প্রস্তর উদ্বোধন করবেন  প্রধানমন্ত্রী' | কালবেলা
দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে শুষ্ক মৌসুমে পানির প্রবাহ ধরে রাখা দীর্ঘদিনের আলোচিত বিষয়। ২০০৪ সালে শুরু হওয়া কারিগরি সমীক্ষা থেকে ২০২৬ সালের অনুমোদন পর্যন্ত সময় লেগেছে দুই দশকের বেশি। এখন সাত বছরের নির্মাণকাল ধরলে হাবাসপুরের এই মাঠে গেট বসতে বসতে সমীক্ষার তারিখটি প্রায় তিন দশক পুরোনো হয়ে যাবে।