গাজীপুরের টঙ্গীতে বাসায় গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে দগ্ধ হয়ে এক দম্পতির মৃত্যু হয়েছে। নিহতরা হলেন মো. লালচান, ৬০, এবং তাঁর স্ত্রী মোছা. নাসিমা বেগম, ৫০। তাঁরা দুজনই পোশাকশ্রমিক ছিলেন। এ ঘটনায় তাঁদের ১৬ বছর বয়সী মেয়ে তানিসা আক্তারও গুরুতর দগ্ধ হয়েছে। সে ঢাকার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন।
বুধবার (২১ অক্টোবর) সকালে টঙ্গীর চেরাগ আলী এলাকার মুদাফা অঞ্চলে তাঁদের বাসায় টঙ্গীতে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। সকাল ৬টার দিকে গ্যাস সিলিন্ডার থেকে গ্যাস লিকেজের কারণে বিস্ফোরণ হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।
হাসপাতালে নেওয়ার পর মৃত্যু
বিস্ফোরণের পর তিনজনকে উদ্ধার করে সকাল সাড়ে ৭টার দিকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে নেওয়া হয়। সেখানে তাঁদের শরীরের বিভিন্ন অংশে গুরুতর দগ্ধ হওয়ার বিষয়টি ধরা পড়ে।
ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক ডা. সুলতান মাহমুদ শিকদার জানান, লালচানের শরীরের ৯৫ শতাংশ, নাসিমার ৮৫ শতাংশ এবং তাঁদের মেয়ে তানিসার ৮৬ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল। গুরুতর দগ্ধ অবস্থায় চিকিৎসাধীন থাকার পর লালচান ও নাসিমার মৃত্যু হয়। তাঁদের মেয়ে এখনো হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছে।
পুলিশ যা বলছে
টঙ্গী পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আরিফুর রহমান দম্পতির মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, গ্যাস সিলিন্ডার থেকে গ্যাস লিকেজের কারণে বিস্ফোরণটি ঘটেছে।
গ্যাস লিকেজ থেকে এমন দুর্ঘটনা এড়াতে সিলিন্ডার ও সংযোগ নিয়মিত পরীক্ষা করা জরুরি। টঙ্গীতে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণের এই ঘটনা আবারও ঘরোয়া গ্যাস ব্যবহারের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।












