দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। তবে এ সময়ে নিশ্চিত হামে কারও মৃত্যু হয়নি। একই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ৮৪ জন। শনিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রকাশিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাব অনুযায়ী, শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) সকাল ৮টা থেকে শনিবার (৩১ অক্টোবর) সকাল ৮টা পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে একজনের মৃত্যু হয়। এ সময়ে সন্দেহজনক হাম রোগী হিসেবে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৯৮৭ জন। আর পরীক্ষায় নিশ্চিত হাম শনাক্ত হয়েছে ৯৭ জনের।
হাম ও উপসর্গে শিশুমৃত্যু ১ হাজার ২৫২
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, গত ১৫ মার্চ থেকে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে ১ হাজার ১৪৭ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ সময়ে নিশ্চিত হাম শনাক্ত হওয়ার পর মারা গেছে ১০৫ শিশু। সব মিলিয়ে হাম ও হামের উপসর্গে শিশুমৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ২৫২।
তবে গত ২৪ ঘণ্টায় যে একজনের মৃত্যু হয়েছে, তাঁর ক্ষেত্রে হাম নিশ্চিত হয়নি। মৃত্যুর কারণ হিসেবে হামের উপসর্গের কথা উল্লেখ করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
হাসপাতালে ভর্তি দুই লাখের বেশি
গত ১৫ মার্চ থেকে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম রোগী হিসেবে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ২ লাখ ৩ হাজার ৫২৮ জন। তাঁদের মধ্যে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছে ১ লাখ ৯৫ হাজার ৮৮ জন।
একই সময়ে দেশে মোট ২ লাখ ২৮ হাজার ৬৬০ জনের মধ্যে হামের উপসর্গ দেখা দিয়েছে। তাঁদের মধ্যে ২৩ হাজার ৮৬৭ জনের শরীরে পরীক্ষার মাধ্যমে হাম শনাক্ত হয়েছে।
এক দিনে নিশ্চিত হাম ৯৭ জনের
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হাম শনাক্ত হয়েছে ৯৭ জনের। এর বাইরে ৯৮৭ জন সন্দেহজনক হাম রোগী হিসেবে শনাক্ত হয়েছে। অর্থাৎ এক দিনে হাম ও হামের উপসর্গে আক্রান্তের মোট সংখ্যা ১ হাজার ৮৪।
১৫ মার্চ থেকে শুরু হওয়া হিসাবের ভিত্তিতে দেশে হাম ও হামের উপসর্গে আক্রান্তের সংখ্যা এবং শিশুমৃত্যুর পরিসংখ্যান প্রকাশ করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, নিশ্চিত হাম ও সন্দেহজনক আক্রান্ত—দুই শ্রেণির রোগীই হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছে।












