০৮:৫১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

আজতেক সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৪৯)

  • Sarakhon Report
  • ০৭:০০:১৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৭ মে ২০২৫
  • 166

সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায়

আজরেক সমাজের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হল কাগজ তৈরির বিশেষ কৌশল। রাজধানী শহর তেনোচতিতলান এবং অন্যান্য প্রদেশের বিভিন্ন কাজের জন্য অনেক কাগজের প্রয়োজন হত। সাধারণ নাগরিকের কাছ থেকে কর সংগ্রহ, গ্রামের মধ্যে মোকদ্দমা এবং ব্যক্তির সঙ্গে ব্যক্তির দ্বন্দ্ব-বিরোব এবং তার জন্য আইনী যুদ্ধ-সবকিছুর জন্যই কাগজ তৈরি করতে হত।

এবং এই সব কাজের বিবরণ, তথ্য কাগজে লিপিবদ্ধ করার কাজও করতে হত। এছাড়া ব্যবসায়ীরা। তাদের ব্যবসা, লেনদেন, হিসাবপত্র সঠিকভাবে রাখার জন্য কাগজ ব্যবহার করত। সরকারি কাজের জন্য এবং সরকারি তথ্য, চিঠিপত্র লেখার জন্যও কাগজের ব্যবহার ছিল। বিভিন্ন গোষ্ঠী কৌমরা তাদের জমির হিসেব এবং জমি সংক্রান্ত নানা তথ্য লিখে রাখত কাগজের উপর।

স্বাভাবিকভাবে কাগজ-এর উৎপাদন, সংরক্ষণ এবং তার আকার, গুণগতমান এসবও ছিল প্রয়োজনীয় দিক। কাগজের নানারকম ব্যবহারের মধ্যে মন্দির, পূজা অর্চনা, মন্দিরের প্রশাসনিক কাজও ছিল।

ধর্মসংক্রান্ত নানা কাজ, প্রচার, পূজাপাঠ, জ্যোতিষবিদ্যা সংক্রান্ত হিসাব-এর কাজ-এর জন্য একজনের উপর দায়িত্ব দেওয়া হত। এইসব কাজের মাধ্যমে অনেক ক্ষেত্রেই কারো কারো জীবিকার সুযোগ ঘটত। এছাড়া পুরোহিতরা নিজেদের কিছু কাজও করতেন কাগজের সাহায্য নিয়ে।

(চলবে)

আজতেক সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৪৮)

আজতেক সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৪৮)

 

 

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

আজতেক সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৪৯)

০৭:০০:১৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৭ মে ২০২৫

সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায়

আজরেক সমাজের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হল কাগজ তৈরির বিশেষ কৌশল। রাজধানী শহর তেনোচতিতলান এবং অন্যান্য প্রদেশের বিভিন্ন কাজের জন্য অনেক কাগজের প্রয়োজন হত। সাধারণ নাগরিকের কাছ থেকে কর সংগ্রহ, গ্রামের মধ্যে মোকদ্দমা এবং ব্যক্তির সঙ্গে ব্যক্তির দ্বন্দ্ব-বিরোব এবং তার জন্য আইনী যুদ্ধ-সবকিছুর জন্যই কাগজ তৈরি করতে হত।

এবং এই সব কাজের বিবরণ, তথ্য কাগজে লিপিবদ্ধ করার কাজও করতে হত। এছাড়া ব্যবসায়ীরা। তাদের ব্যবসা, লেনদেন, হিসাবপত্র সঠিকভাবে রাখার জন্য কাগজ ব্যবহার করত। সরকারি কাজের জন্য এবং সরকারি তথ্য, চিঠিপত্র লেখার জন্যও কাগজের ব্যবহার ছিল। বিভিন্ন গোষ্ঠী কৌমরা তাদের জমির হিসেব এবং জমি সংক্রান্ত নানা তথ্য লিখে রাখত কাগজের উপর।

স্বাভাবিকভাবে কাগজ-এর উৎপাদন, সংরক্ষণ এবং তার আকার, গুণগতমান এসবও ছিল প্রয়োজনীয় দিক। কাগজের নানারকম ব্যবহারের মধ্যে মন্দির, পূজা অর্চনা, মন্দিরের প্রশাসনিক কাজও ছিল।

ধর্মসংক্রান্ত নানা কাজ, প্রচার, পূজাপাঠ, জ্যোতিষবিদ্যা সংক্রান্ত হিসাব-এর কাজ-এর জন্য একজনের উপর দায়িত্ব দেওয়া হত। এইসব কাজের মাধ্যমে অনেক ক্ষেত্রেই কারো কারো জীবিকার সুযোগ ঘটত। এছাড়া পুরোহিতরা নিজেদের কিছু কাজও করতেন কাগজের সাহায্য নিয়ে।

(চলবে)

আজতেক সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৪৮)

আজতেক সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৪৮)