১১:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

ইনকা সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-২৬)

  • Sarakhon Report
  • ০৫:৫৪:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ ডিসেম্বর ২০২৪
  • 109

সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায়

লোকগল্পের আরেক অংশ থেকে জানা যায় স্প্যানিশ অনুপ্রবেশের পর আর্কবিশপ তারিবিও দে মগ্রভেগোকে এই পর্বতকেন্দ্রে পাঠান হয়। এই পাথুরে স্তূপকে সরাতে না পেরে আর্কবিশপ একে আড়াল করার মত একটা প্রমাণ সাইজের চার্চ তৈরি করেন। মেক্সিকোতে কেতজালকোতের পদচিহ্ন পাওয়ার ঘটনাও আছে।

এই বিশ্ব সম্পর্কে ইনকাদের ধারণা: পৃথিবী, এই জগৎ, বিশ্ব, এই চরাচর, সব কিছু সম্পর্কেই প্রতিটি ধর্মীয় দর্শনের এক ব্যাখ্যা বা বিশ্বাস থাকে। এই বিশ্বাস, দৃষ্টিভঙ্গি দিয়ে জড়জগতের ভাল, মন্দ বিচার করার চেষ্টা করা হয়। পৃথিবীকে নানাভাগে ভাগ করার মধ্য দিয়ে আসলে আধ্যাত্মিক চেতনার প্রকাশ ঘটে। বা অন্যভাবে বলা যায় চিৎ, চেতনার প্রতি শ্রদ্ধা আন্তরিকতার উন্মোচন ঘটে।

ইনকারা এই বিশ্বকে তিনটি স্তরে ভাগ করেছেন। উপরের দিকের এই পৃথিবীর নাম হল হানান পাচা (Hanan Pacha) এর নীচের স্তরকে বলা হয় ছরিন পাচা (Hurin Pacha) এবং তৃতীয় স্তরটিকে বলা হয় কাএ-পাচা (Kay Pacha)। হিন্দু ধর্মেও বিশ্বের তিন স্তর এর কথা বলা হয়েছে। পরিচিত এই তিনটি স্তর হল স্বর্গ, মর্ত্য, পাতাল। স্বর্গে যায় সৎ, ভাল মানুষ।

মর্ত্যে যায় এর থেকে কম ভাল, বাস্তুগত সুখপ্রিয় মানুষ। আর এরও নীচে পাতালে প্রবেশ করে সবচেয়ে অসৎ দুষ্টু লোক। এই পাতালপুরী হল দানবদের বাসস্থান। স্বর্গে গেলে খুব ভালভাবে সুখে থাকা যায়। এর মাঝখানে মর্ত্য হল দুঃখ কষ্ট, রোগ ভোগের জায়গা। আসলে এই লোকবিশ্বাস থেকেই ইনকাদের আরেকটি লোকগল্পের সন্ধান পাই আমরা।

(চলবে)

ইনকা সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-২৫)

ইনকা সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-২৫)

 

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

ইনকা সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-২৬)

০৫:৫৪:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ ডিসেম্বর ২০২৪

সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায়

লোকগল্পের আরেক অংশ থেকে জানা যায় স্প্যানিশ অনুপ্রবেশের পর আর্কবিশপ তারিবিও দে মগ্রভেগোকে এই পর্বতকেন্দ্রে পাঠান হয়। এই পাথুরে স্তূপকে সরাতে না পেরে আর্কবিশপ একে আড়াল করার মত একটা প্রমাণ সাইজের চার্চ তৈরি করেন। মেক্সিকোতে কেতজালকোতের পদচিহ্ন পাওয়ার ঘটনাও আছে।

এই বিশ্ব সম্পর্কে ইনকাদের ধারণা: পৃথিবী, এই জগৎ, বিশ্ব, এই চরাচর, সব কিছু সম্পর্কেই প্রতিটি ধর্মীয় দর্শনের এক ব্যাখ্যা বা বিশ্বাস থাকে। এই বিশ্বাস, দৃষ্টিভঙ্গি দিয়ে জড়জগতের ভাল, মন্দ বিচার করার চেষ্টা করা হয়। পৃথিবীকে নানাভাগে ভাগ করার মধ্য দিয়ে আসলে আধ্যাত্মিক চেতনার প্রকাশ ঘটে। বা অন্যভাবে বলা যায় চিৎ, চেতনার প্রতি শ্রদ্ধা আন্তরিকতার উন্মোচন ঘটে।

ইনকারা এই বিশ্বকে তিনটি স্তরে ভাগ করেছেন। উপরের দিকের এই পৃথিবীর নাম হল হানান পাচা (Hanan Pacha) এর নীচের স্তরকে বলা হয় ছরিন পাচা (Hurin Pacha) এবং তৃতীয় স্তরটিকে বলা হয় কাএ-পাচা (Kay Pacha)। হিন্দু ধর্মেও বিশ্বের তিন স্তর এর কথা বলা হয়েছে। পরিচিত এই তিনটি স্তর হল স্বর্গ, মর্ত্য, পাতাল। স্বর্গে যায় সৎ, ভাল মানুষ।

মর্ত্যে যায় এর থেকে কম ভাল, বাস্তুগত সুখপ্রিয় মানুষ। আর এরও নীচে পাতালে প্রবেশ করে সবচেয়ে অসৎ দুষ্টু লোক। এই পাতালপুরী হল দানবদের বাসস্থান। স্বর্গে গেলে খুব ভালভাবে সুখে থাকা যায়। এর মাঝখানে মর্ত্য হল দুঃখ কষ্ট, রোগ ভোগের জায়গা। আসলে এই লোকবিশ্বাস থেকেই ইনকাদের আরেকটি লোকগল্পের সন্ধান পাই আমরা।

(চলবে)

ইনকা সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-২৫)

ইনকা সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-২৫)