০৪:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

ইনকা সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৮)

  • Sarakhon Report
  • ০৬:০২:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২৪
  • 164

সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায়

ইনকাদের ধর্ম, ধর্মীয় আচার ইত্যাদি

ইনকা সমাজের জীবনযাত্রার ওপর ধর্মের প্রভাব বিশেষভাবে লক্ষ্যণীয়। তারা বিশ্বাস করত সমস্ত দেবতার উৎস হল সেই অমর, অব্যয়, অক্ষয়, অগোচর, অদৃশ্য সর্বশক্তিমান ঈশ্বর যার নাম বা অন্য শব্দে সূর্যদেবতা। ইনকারা মনেপ্রাণে বিশ্বাস করে খারাপ বা পাপ কর্মের একদিন পরাজয় ঘটবেই। এই ব্যাপারে জাদুকর গণৎকারদের উপর নির্ভরতা জি খুব বেশি।

এই ওঝা বা জাদুকররা সাধারণত মানুষদের আত্মার কুফল থেকে রক্ষা করবে এই ধারণা ছিল প্রত্যেক ইনকার। তারা একথাও বিশ্বাস করত যে সমাজের মধ্যে দেবতারা পুনরায় ফিরে ফিরে আসে। এই অবতারদের আর্শীবাদেই তারা চুলকাটা, নখকাটা এবং দাঁতের ক্ষয় থেকে রক্ষা পেত। ধর্মীয় এবং সামাজিক মিলনমেলার কেন্দ্রস্থল ছিল। দুর্গ যাকে বলা হত ‘সাকসাহুয়ামান’।

এই দুর্গনগর ছিল কুজকো (Cuzco) শহরে। এই নগরগুলিকে তারা বলত পৃথিবীর গচ্ছিত থাকত সোনারূপার নানা অলংকার। ইনকাদের পবিত্র সম্পদের নাম হল মিতা (Mita)। এই ধরনের সোনা গয়না তৈরির জন্য প্রস্তুত থাকত সাধারণ মানুষ এবং এই কাজে বছরের কম বেশি ৬৫ দিন লাগত। বছরে বাকি সময় তারা মন্দিরের নানা কাজ, সেতু, পথ ঘাট তৈরি এবং খনি থেকে সোনা রূপো খুঁজে বার করার কাজে ব্যস্ত রাখত নিজেদের। এই কাজটি অনেকটা রবীন্দ্রনাথের রক্ত করবীর খনির শ্রমিকদের দুঃসহ অবস্থাকে মনে করিয়ে দেয়।

(চলবে)

ইনকা সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৭)

ইনকা সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৭)

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

ইনকা সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৮)

০৬:০২:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২৪

সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায়

ইনকাদের ধর্ম, ধর্মীয় আচার ইত্যাদি

ইনকা সমাজের জীবনযাত্রার ওপর ধর্মের প্রভাব বিশেষভাবে লক্ষ্যণীয়। তারা বিশ্বাস করত সমস্ত দেবতার উৎস হল সেই অমর, অব্যয়, অক্ষয়, অগোচর, অদৃশ্য সর্বশক্তিমান ঈশ্বর যার নাম বা অন্য শব্দে সূর্যদেবতা। ইনকারা মনেপ্রাণে বিশ্বাস করে খারাপ বা পাপ কর্মের একদিন পরাজয় ঘটবেই। এই ব্যাপারে জাদুকর গণৎকারদের উপর নির্ভরতা জি খুব বেশি।

এই ওঝা বা জাদুকররা সাধারণত মানুষদের আত্মার কুফল থেকে রক্ষা করবে এই ধারণা ছিল প্রত্যেক ইনকার। তারা একথাও বিশ্বাস করত যে সমাজের মধ্যে দেবতারা পুনরায় ফিরে ফিরে আসে। এই অবতারদের আর্শীবাদেই তারা চুলকাটা, নখকাটা এবং দাঁতের ক্ষয় থেকে রক্ষা পেত। ধর্মীয় এবং সামাজিক মিলনমেলার কেন্দ্রস্থল ছিল। দুর্গ যাকে বলা হত ‘সাকসাহুয়ামান’।

এই দুর্গনগর ছিল কুজকো (Cuzco) শহরে। এই নগরগুলিকে তারা বলত পৃথিবীর গচ্ছিত থাকত সোনারূপার নানা অলংকার। ইনকাদের পবিত্র সম্পদের নাম হল মিতা (Mita)। এই ধরনের সোনা গয়না তৈরির জন্য প্রস্তুত থাকত সাধারণ মানুষ এবং এই কাজে বছরের কম বেশি ৬৫ দিন লাগত। বছরে বাকি সময় তারা মন্দিরের নানা কাজ, সেতু, পথ ঘাট তৈরি এবং খনি থেকে সোনা রূপো খুঁজে বার করার কাজে ব্যস্ত রাখত নিজেদের। এই কাজটি অনেকটা রবীন্দ্রনাথের রক্ত করবীর খনির শ্রমিকদের দুঃসহ অবস্থাকে মনে করিয়ে দেয়।

(চলবে)

ইনকা সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৭)

ইনকা সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৭)