০৭:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ভারতের প্যাকেটজাত খাবারের প্রতি পাঁচ নমুনার একটিতে অনিয়ম এআই ও উচ্চপ্রযুক্তি পণ্যে ভর করে চীনের রপ্তানি বেড়েছে ২৫ শতাংশ দুর্গাপূজার আগে সমান অধিকার ও নিরাপত্তার আশ্বাস সরকারের দেশের সবচেয়ে দুর্ঘটনাপ্রবণ ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক, ১৮ মাসে হতাহত ৯২৮ মূল্যস্ফীতি কমে ৮.২৬ শতাংশ, মজুরি বৃদ্ধিকে এখনো ছাড়িয়ে জীবনযাত্রার ব্যয় এলডিসি উত্তরণ পেছাতে জাতিসংঘে বাংলাদেশের শেষ কূটনৈতিক চেষ্টা জার্মানির ‘ফায়ারওয়াল’ ভাঙছে, ইউরোপের ডানপন্থার উত্থান থেকে ব্রিটেনের কী শিক্ষা? চাকরি বদলের সাহস হারাচ্ছেন মার্কিন কর্মীরা, জমে উঠেছে ‘কম নিয়োগ, কম ছাঁটাই’ বাজার চীনের বদলে ইউরোপেই তৈরি হবে ডাসিয়া স্প্রিং, ফিরছে জনপ্রিয় সাশ্রয়ী বৈদ্যুতিক গাড়ি শার্শায় বেওয়ারিশ কুকুরের আতঙ্ক, এক সপ্তাহে আক্রান্ত ১১০ জন

চীনের জে-১০ সিই কিনছে বাংলাদেশ

বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর আধুনিকায়নের অংশ হিসেবে চীনের তৈরি জে-১০ সিই যুদ্ধবিমান কেনার প্রক্রিয়া এগিয়ে যাচ্ছে। পাশাপাশি চতুর্থ প্রজন্মের এমআরসিএ ফাইটার, অ্যাটাক হেলিকপ্টার, ভিআইপি হেলিকপ্টার ও ইউএভি সিস্টেম সংগ্রহের উদ্যোগও চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সচিবালয়ে সরকারের সমসাময়িক কর্মকাণ্ড নিয়ে আয়োজিত নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব তথ্য জানান। তিনি বলেন, চলতি অর্থবছরে প্রয়োজনীয় বাজেট পাওয়া গেলে এসব কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে। তা সম্ভব না হলে পরবর্তী বাজেটে নেওয়া হবে।

জে-১০ সিই কেনায় অগ্রগতি

জাহেদ উর রহমান জানান, এমআরসিএ হিসেবে জে-১০ সিই এবং অ্যাটাক হেলিকপ্টার সংগ্রহের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কমিটির মাধ্যমে নেগোসিয়েশন বৈঠকের খসড়া চুক্তিপত্র প্রস্তুত করা হয়েছে। অনুমোদনের জন্য তা সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।

জে-১০ সিইর সক্ষমতা তুলে ধরে তথ্য উপদেষ্টা সাম্প্রতিক ভারত-পাকিস্তান সংঘাতের প্রসঙ্গও উল্লেখ করেন। তার দাবি, ওই সংঘাতে ভারতের রাফাল যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করার ঘটনায় চীনের জে-১০ ব্যবহৃত হয়েছিল। তাঁর মতে, যুদ্ধ পরিস্থিতিতে জে-১০-এর সক্ষমতা বাংলাদেশকে এই যুদ্ধবিমানের দিকে মনোযোগী করেছে।

দামের দিকেও নজর

জাহেদ উর রহমান বলেন, রাফাল বা ইউরোফাইটার টাইফুনের মতো ইউরোপীয় যুদ্ধবিমানের তুলনায় একই ধরনের সক্ষমতার চীনা যুদ্ধবিমানের দাম তুলনামূলকভাবে কম। জনগণের প্রতিরক্ষা নিশ্চিত করতে সরকার প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন।

বিমানবাহিনীর আধুনিকায়নে আরও উদ্যোগ

সরকারের লিখিত বক্তব্যে বলা হয়েছে, জে-১০ সিই ও অ্যাটাক হেলিকপ্টার সংগ্রহসংক্রান্ত কমিটি নেগোসিয়েশন বৈঠকের মাধ্যমে খসড়া চুক্তি তৈরি করেছে। অনুমোদনের জন্য তা সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।

এ ছাড়া ভিআইপি হেলিকপ্টার ও ইউএভি সিস্টেম সংগ্রহের প্রক্রিয়াও চলছে। বাজেটের প্রাপ্যতার ওপর নির্ভর করে চলতি বা পরবর্তী অর্থবছরে এসব উদ্যোগ বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে।

চীনের জে-১০ সিই যুদ্ধবিমান কেনার প্রক্রিয়া এগিয়ে যাওয়ার তথ্য এমন সময়ে এলো, যখন বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর আধুনিকায়নে একাধিক ধরনের সামরিক সরঞ্জাম সংগ্রহের উদ্যোগ নিয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভারতের প্যাকেটজাত খাবারের প্রতি পাঁচ নমুনার একটিতে অনিয়ম

চীনের জে-১০ সিই কিনছে বাংলাদেশ

০৯:১৪:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬

বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর আধুনিকায়নের অংশ হিসেবে চীনের তৈরি জে-১০ সিই যুদ্ধবিমান কেনার প্রক্রিয়া এগিয়ে যাচ্ছে। পাশাপাশি চতুর্থ প্রজন্মের এমআরসিএ ফাইটার, অ্যাটাক হেলিকপ্টার, ভিআইপি হেলিকপ্টার ও ইউএভি সিস্টেম সংগ্রহের উদ্যোগও চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সচিবালয়ে সরকারের সমসাময়িক কর্মকাণ্ড নিয়ে আয়োজিত নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব তথ্য জানান। তিনি বলেন, চলতি অর্থবছরে প্রয়োজনীয় বাজেট পাওয়া গেলে এসব কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে। তা সম্ভব না হলে পরবর্তী বাজেটে নেওয়া হবে।

জে-১০ সিই কেনায় অগ্রগতি

জাহেদ উর রহমান জানান, এমআরসিএ হিসেবে জে-১০ সিই এবং অ্যাটাক হেলিকপ্টার সংগ্রহের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কমিটির মাধ্যমে নেগোসিয়েশন বৈঠকের খসড়া চুক্তিপত্র প্রস্তুত করা হয়েছে। অনুমোদনের জন্য তা সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।

জে-১০ সিইর সক্ষমতা তুলে ধরে তথ্য উপদেষ্টা সাম্প্রতিক ভারত-পাকিস্তান সংঘাতের প্রসঙ্গও উল্লেখ করেন। তার দাবি, ওই সংঘাতে ভারতের রাফাল যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করার ঘটনায় চীনের জে-১০ ব্যবহৃত হয়েছিল। তাঁর মতে, যুদ্ধ পরিস্থিতিতে জে-১০-এর সক্ষমতা বাংলাদেশকে এই যুদ্ধবিমানের দিকে মনোযোগী করেছে।

দামের দিকেও নজর

জাহেদ উর রহমান বলেন, রাফাল বা ইউরোফাইটার টাইফুনের মতো ইউরোপীয় যুদ্ধবিমানের তুলনায় একই ধরনের সক্ষমতার চীনা যুদ্ধবিমানের দাম তুলনামূলকভাবে কম। জনগণের প্রতিরক্ষা নিশ্চিত করতে সরকার প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন।

বিমানবাহিনীর আধুনিকায়নে আরও উদ্যোগ

সরকারের লিখিত বক্তব্যে বলা হয়েছে, জে-১০ সিই ও অ্যাটাক হেলিকপ্টার সংগ্রহসংক্রান্ত কমিটি নেগোসিয়েশন বৈঠকের মাধ্যমে খসড়া চুক্তি তৈরি করেছে। অনুমোদনের জন্য তা সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।

এ ছাড়া ভিআইপি হেলিকপ্টার ও ইউএভি সিস্টেম সংগ্রহের প্রক্রিয়াও চলছে। বাজেটের প্রাপ্যতার ওপর নির্ভর করে চলতি বা পরবর্তী অর্থবছরে এসব উদ্যোগ বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে।

চীনের জে-১০ সিই যুদ্ধবিমান কেনার প্রক্রিয়া এগিয়ে যাওয়ার তথ্য এমন সময়ে এলো, যখন বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর আধুনিকায়নে একাধিক ধরনের সামরিক সরঞ্জাম সংগ্রহের উদ্যোগ নিয়েছে।