০৮:৪১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ঢাকা (পর্ব-৮৩)

  • নাঈম হক
  • ০৯:০০:২৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ জানুয়ারী ২০২৬
  • 215

চীনে মার্কিন কমান্ডার থাকাকালে জেনারেল স্টিলওয়েলের সঙ্গে তিনি অবিরাম কলহ দ্বন্দ্বে নিয়োজিত থাকেন….

“বার্মা-চায়না-ইন্ডিয়া” থিয়েটারে “ফ্লাইং টাইগারস” নামক ভলান্টারি বৈমানিক বাহিনীর সৃষ্টি ও নেতৃত্বের জন্য এবং চিয়াং কাই-শেকের বিমান বাহিনীর একমেবাদ্বিতীয়ম ব্যক্তিত্ব হিসেবে ব্যাপকভাবে পরিচিতি ও খ্যাতি অর্জন করতে সমর্থ হন। ১৯৪২ সালে মার্কিন সেনাবাহিনীর বিমানবহর ইউনিট সৃষ্টি হলে চেনল্ট সেটিরও নেতৃত্ব পালন করেন।

চীনে মার্কিন কমান্ডার থাকাকালে জেনারেল স্টিলওয়েলের সঙ্গে তিনি অবিরাম কলহ দ্বন্দ্বে নিয়োজিত থাকেন। চেনল্টের বড়ো সুবিধা ছিল যে তিনি মাদাম কাই-শেকের প্রিয়ভাজন ছিলেন এবং মাদাম কাই-শেকের গুণাবলীর তালিকার মধ্যে ছিল: ব্যক্তিগত জীবনে ছিলেন সুন ইয়াত-সেনের নিকট আত্মীয়, চীনের ধনিদের মধ্যে একজন এবং তুখোড় ইংরেজি বলতে পারতেন, চিয়াং কাই-শেক যা পারতেন না; পারিবারিক সূত্র ধরে স্বয়ং প্রেসিডেন্ট রুজভেল্টের সঙ্গে মাদামের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ছিল। ফলস্বরূপ, মাদাম কাই-শেকের সুবাদে চেনল্ট এমনকি জেনারেল স্টিলওয়েলকে ডিঙিয়ে সরাসরি রুজভেল্টের সঙ্গে কথা বলার সুযোগ করে নিতে সক্ষম হন। ফলে, ১৯৪৪ সালে তিনি চিয়াং কাই-শেকের মাধ্যমে প্রেসিডেন্ট রুজভেল্ট কর্তৃক- জেনারেল স্টিলওয়েলকে অপসারণের সফল ব্যবস্থা করেন।

চেনল্ট দুইটি বিবাহ করেন এবং মোট সন্তানের সংখ্যা ছিল দশ। প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে আট সন্তান, দ্বিতীয় স্ত্রীর সঙ্গে দুই সন্তান। তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রী ছিলেন চীন বংশোদ্ভূত। চেনল্ট লুইজিয়ানা অঙ্গরাজ্যের মনরো নামক শহরের বাসিন্দা ছিলেন বটে কিন্তু সেসময়ে লুইজিয়ানা অঙ্গরাজ্যের আইন ছিল যে ‘হোয়াইট’ কোনো ‘হোয়াইট’ নয়-কে (‘নন-হায়াইট’) বিয়ে করতে পারবে না। তাই তাঁরা ওয়াশিংটন ডিসি-তে বিবাহাবদ্ধ হয়েছিলেন। তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রীর নাম “চেং শিয়াংমেই (Chen Xiangmei)”, আনা চেনল্ট নামেও পরিচিত।

(চলবে)

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ঢাকা (পর্ব-৮২)

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ঢাকা (পর্ব-৮২)

 

 

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ঢাকা (পর্ব-৮৩)

০৯:০০:২৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ জানুয়ারী ২০২৬

চীনে মার্কিন কমান্ডার থাকাকালে জেনারেল স্টিলওয়েলের সঙ্গে তিনি অবিরাম কলহ দ্বন্দ্বে নিয়োজিত থাকেন….

“বার্মা-চায়না-ইন্ডিয়া” থিয়েটারে “ফ্লাইং টাইগারস” নামক ভলান্টারি বৈমানিক বাহিনীর সৃষ্টি ও নেতৃত্বের জন্য এবং চিয়াং কাই-শেকের বিমান বাহিনীর একমেবাদ্বিতীয়ম ব্যক্তিত্ব হিসেবে ব্যাপকভাবে পরিচিতি ও খ্যাতি অর্জন করতে সমর্থ হন। ১৯৪২ সালে মার্কিন সেনাবাহিনীর বিমানবহর ইউনিট সৃষ্টি হলে চেনল্ট সেটিরও নেতৃত্ব পালন করেন।

চীনে মার্কিন কমান্ডার থাকাকালে জেনারেল স্টিলওয়েলের সঙ্গে তিনি অবিরাম কলহ দ্বন্দ্বে নিয়োজিত থাকেন। চেনল্টের বড়ো সুবিধা ছিল যে তিনি মাদাম কাই-শেকের প্রিয়ভাজন ছিলেন এবং মাদাম কাই-শেকের গুণাবলীর তালিকার মধ্যে ছিল: ব্যক্তিগত জীবনে ছিলেন সুন ইয়াত-সেনের নিকট আত্মীয়, চীনের ধনিদের মধ্যে একজন এবং তুখোড় ইংরেজি বলতে পারতেন, চিয়াং কাই-শেক যা পারতেন না; পারিবারিক সূত্র ধরে স্বয়ং প্রেসিডেন্ট রুজভেল্টের সঙ্গে মাদামের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ছিল। ফলস্বরূপ, মাদাম কাই-শেকের সুবাদে চেনল্ট এমনকি জেনারেল স্টিলওয়েলকে ডিঙিয়ে সরাসরি রুজভেল্টের সঙ্গে কথা বলার সুযোগ করে নিতে সক্ষম হন। ফলে, ১৯৪৪ সালে তিনি চিয়াং কাই-শেকের মাধ্যমে প্রেসিডেন্ট রুজভেল্ট কর্তৃক- জেনারেল স্টিলওয়েলকে অপসারণের সফল ব্যবস্থা করেন।

চেনল্ট দুইটি বিবাহ করেন এবং মোট সন্তানের সংখ্যা ছিল দশ। প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে আট সন্তান, দ্বিতীয় স্ত্রীর সঙ্গে দুই সন্তান। তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রী ছিলেন চীন বংশোদ্ভূত। চেনল্ট লুইজিয়ানা অঙ্গরাজ্যের মনরো নামক শহরের বাসিন্দা ছিলেন বটে কিন্তু সেসময়ে লুইজিয়ানা অঙ্গরাজ্যের আইন ছিল যে ‘হোয়াইট’ কোনো ‘হোয়াইট’ নয়-কে (‘নন-হায়াইট’) বিয়ে করতে পারবে না। তাই তাঁরা ওয়াশিংটন ডিসি-তে বিবাহাবদ্ধ হয়েছিলেন। তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রীর নাম “চেং শিয়াংমেই (Chen Xiangmei)”, আনা চেনল্ট নামেও পরিচিত।

(চলবে)

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ঢাকা (পর্ব-৮২)

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ঢাকা (পর্ব-৮২)