০৩:১৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১২৫)

  • Sarakhon Report
  • ০৩:১৫:০৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ মার্চ ২০২৫
  • 181

প্রদীপ কুমার মজুমদার

বৌদ্ধ সাহিত্যে মুদ্রা, গণনা এবং সংখ্যায়ন এই তিন ধরণের গণিতের উল্লেখ থাকতে দেখা যায়। মুদ্রা হচ্ছে আঙ্গুলের সাহায্যে গণনা করা, গণনা হচ্ছে আঙ্গুলের সাহায্য ব্যতিরেকে গণনা করা এবং সংখ্যায়ন হচ্ছে উচ্চতর গণিত।

সাধারণত এইগুলি দীঘনিকায়, বিনয়পিটক, দিব্যাধান ও মিলিন্দাপানহোতে দেখতে পাওয়া যায়। ভারতীয় গণিতশাস্ত্রে অবশ্য প্রথমদিকে এই তিন ধরণের গণিতের ভাগ দেখতে পাওয়া যায় না। হাতিগুম্ফাতে লেখা ও রূপের সাহায্যে গণনার কথা উল্লিখিত আছে। কৌটিল্যের অর্থশাস্ত্রে সংখ্যায়নের কথা বলা হয়েছে।

অমরকোষে গণিত ও সংখ্যায়ন পাশাপাশি উল্লেখিত আছে। যাই হোক সমস্ত কিছু পরীক্ষা নিরীক্ষার পর পণ্ডিতেরা মনে করেন পাটীগণিত শব্দটি অসংস্কৃত সাহিত্য থেকে উদ্ভুত এবং সপ্তম শতাব্দীতে এটি সংস্কৃত সাহিত্যে অনুপ্রবেশ করে।

পাটী শব্দটি আরবীয় গণিত শাস্ত্রে প্রভাব বিস্তার করে এবং সেখানেও এ্যাবাকাসের প্রচলন ছিল সে কথা পণ্ডিতেরা বলে থাকেন। সুতরাং আরবীয় এ্যাবাকাস এবং সংশ্লিষ্ট ব্যাপারে এখানে কিছু বলা প্রয়োজন।

(চলবে)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১২৪)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১২৪)

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১২৫)

০৩:১৫:০৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ মার্চ ২০২৫

প্রদীপ কুমার মজুমদার

বৌদ্ধ সাহিত্যে মুদ্রা, গণনা এবং সংখ্যায়ন এই তিন ধরণের গণিতের উল্লেখ থাকতে দেখা যায়। মুদ্রা হচ্ছে আঙ্গুলের সাহায্যে গণনা করা, গণনা হচ্ছে আঙ্গুলের সাহায্য ব্যতিরেকে গণনা করা এবং সংখ্যায়ন হচ্ছে উচ্চতর গণিত।

সাধারণত এইগুলি দীঘনিকায়, বিনয়পিটক, দিব্যাধান ও মিলিন্দাপানহোতে দেখতে পাওয়া যায়। ভারতীয় গণিতশাস্ত্রে অবশ্য প্রথমদিকে এই তিন ধরণের গণিতের ভাগ দেখতে পাওয়া যায় না। হাতিগুম্ফাতে লেখা ও রূপের সাহায্যে গণনার কথা উল্লিখিত আছে। কৌটিল্যের অর্থশাস্ত্রে সংখ্যায়নের কথা বলা হয়েছে।

অমরকোষে গণিত ও সংখ্যায়ন পাশাপাশি উল্লেখিত আছে। যাই হোক সমস্ত কিছু পরীক্ষা নিরীক্ষার পর পণ্ডিতেরা মনে করেন পাটীগণিত শব্দটি অসংস্কৃত সাহিত্য থেকে উদ্ভুত এবং সপ্তম শতাব্দীতে এটি সংস্কৃত সাহিত্যে অনুপ্রবেশ করে।

পাটী শব্দটি আরবীয় গণিত শাস্ত্রে প্রভাব বিস্তার করে এবং সেখানেও এ্যাবাকাসের প্রচলন ছিল সে কথা পণ্ডিতেরা বলে থাকেন। সুতরাং আরবীয় এ্যাবাকাস এবং সংশ্লিষ্ট ব্যাপারে এখানে কিছু বলা প্রয়োজন।

(চলবে)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১২৪)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১২৪)