১০:২৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
আমেরিকা আসলে কতটা সমাজতন্ত্র গ্রহণ করতে প্রস্তুত? নিশ্চিতভাবে যুদ্ধ শেষ হবে না, বদলে যাবে যুদ্ধের ধরন রপ্তানি বাড়ছে, অর্ডার কমছে—বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের মুনাফা যাচ্ছে কোথায়? ‘Belonging: A Journey of Love’: সোনিয়া গান্ধীর বহুল আলোচিত স্মৃতিকথা ১০ নভেম্বর ভারতে প্রকাশ সিলেটে প্রতিমন্ত্রীর অনুষ্ঠান বয়কট সাংবাদিকদের, বিএনপির বিরুদ্ধেও হয়রানির অভিযোগ বিএনপির মন্ত্রীদের মান্নার কড়া বার্তা: ‘সত্য বলুন, দম্ভ দেখাবেন না’ ভারী বৃষ্টিতে দিল্লি অচল, কনট প্লেস থেকে বিমানবন্দর পানির নিচে বিশ্বে খাদ্যপণ্যের দাম ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ, বাড়ছে সরবরাহ ঝুঁকি বেলুচিস্তানে ৭২ ঘণ্টার অভিযানে ৪৮ ‘সন্ত্রাসী’ নিহত, দাবি পাকিস্তানের হৃদয় থেকে রান্না, স্বাস্থ্য থেকে মানুষের পাশে: উদ্ভিদভিত্তিক খাবারে বদলের গল্প

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১৫৬)

  • Sarakhon Report
  • ০৩:০৪:২১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৫
  • 172

প্রদীপ কুমার মজুমদার

ডঃ দত্ত’ মনে করেন নাচাই, গ্রন্থনামের সঠিক পাঠোদ্ধার করতে পারেন নি এবং এটিকে AL-ntf বলে ধরে নিয়েছেন। এ হয়তো কোন গ্রন্থের আরবী অনুবাদ যার মূল সংস্কৃত গ্রন্থ আয়ও পাওয়া যায়নি। ডা হত এরপর বলেছেন কুহুমপুরের আর্যভট্টের রচনার যে উদ্ধৃতি আনবিরণী দিয়েছেন তা সবই এই বই থেকে দেওয়া কিনা তা আমরা জানি না।

অন্ততঃ একটি উদ্ধৃতি বলভদ্রের থেকে দেওয়া হয়েছে বলে মনে হয়। উপরোক্ত মন্তব্যের পর দত্ত বলেছেন “আলবিরণী গ্রন্থটিকে ইতস্ততঃ পরিমার্জিত করেছেন, এবং এ থেকে প্রমাণিত হয় অনুবাদ কানে সাত নকলে আসল খাস্তা হয়ে গিয়েছিল।”

আর্থসিদ্ধান্ত নামে একটি গ্রন্থ দেখতে পাওয়া যায় যেটির রচয়িতা হিসাবে আর্যভটের নাম দেখা যায়। এটি অত্যন্ত বৃহৎ বলে মহা-আর্যসিদ্ধান্ত সংক্ষেপে আর্থ-সিদ্ধান্ত নামেও প্রচলিত ছিল।

আর্যসিদ্ধান্তের দুটি প্রমাদপূর্ণ পুঁ’খি দেখে হল বলেন, “যেহেতু আর্য-সিদ্ধান্ত গ্রন্থে বৃদ্ধ আর্যভটের উল্লেখ আছে। অতএব মনে হয় আর্যভট নামে ছলন গণিতবিদ ছিলেন। কার্ণ (Karn) এ মতের সমর্থক এবং মন্তব্য করেন -হয়তো কোন তরুণ গণিতবিদ গৌরবার্থে আর্যভট নামটি ব্যবহার করেছেন।

(চলবে)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১৫৫)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১৫৫)

জনপ্রিয় সংবাদ

আমেরিকা আসলে কতটা সমাজতন্ত্র গ্রহণ করতে প্রস্তুত?

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১৫৬)

০৩:০৪:২১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৫

প্রদীপ কুমার মজুমদার

ডঃ দত্ত’ মনে করেন নাচাই, গ্রন্থনামের সঠিক পাঠোদ্ধার করতে পারেন নি এবং এটিকে AL-ntf বলে ধরে নিয়েছেন। এ হয়তো কোন গ্রন্থের আরবী অনুবাদ যার মূল সংস্কৃত গ্রন্থ আয়ও পাওয়া যায়নি। ডা হত এরপর বলেছেন কুহুমপুরের আর্যভট্টের রচনার যে উদ্ধৃতি আনবিরণী দিয়েছেন তা সবই এই বই থেকে দেওয়া কিনা তা আমরা জানি না।

অন্ততঃ একটি উদ্ধৃতি বলভদ্রের থেকে দেওয়া হয়েছে বলে মনে হয়। উপরোক্ত মন্তব্যের পর দত্ত বলেছেন “আলবিরণী গ্রন্থটিকে ইতস্ততঃ পরিমার্জিত করেছেন, এবং এ থেকে প্রমাণিত হয় অনুবাদ কানে সাত নকলে আসল খাস্তা হয়ে গিয়েছিল।”

আর্থসিদ্ধান্ত নামে একটি গ্রন্থ দেখতে পাওয়া যায় যেটির রচয়িতা হিসাবে আর্যভটের নাম দেখা যায়। এটি অত্যন্ত বৃহৎ বলে মহা-আর্যসিদ্ধান্ত সংক্ষেপে আর্থ-সিদ্ধান্ত নামেও প্রচলিত ছিল।

আর্যসিদ্ধান্তের দুটি প্রমাদপূর্ণ পুঁ’খি দেখে হল বলেন, “যেহেতু আর্য-সিদ্ধান্ত গ্রন্থে বৃদ্ধ আর্যভটের উল্লেখ আছে। অতএব মনে হয় আর্যভট নামে ছলন গণিতবিদ ছিলেন। কার্ণ (Karn) এ মতের সমর্থক এবং মন্তব্য করেন -হয়তো কোন তরুণ গণিতবিদ গৌরবার্থে আর্যভট নামটি ব্যবহার করেছেন।

(চলবে)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১৫৫)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১৫৫)