০২:১৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৬ ডিসেম্বর ২০২৫
মাইকেল ওভিটজ: এক প্রাক্তন হলিউড টাইটানের সংগ্রহশালা-স্টাইলের বাসা নেটফ্লিক্সের সঙ্গে একচেটিয়া আলোচনায় ওয়ার্নার ব্রোস ডিসকভারির স্টুডিও বিক্রি ডিসেম্বরে বাজারে আসছে অ্যামাজনের নতুন কালার কিণ্ডল স্ক্রাইব কঠিন অর্থনীতির মধ্যেও আলো ঝলমলে বুখারেস্টের ক্রিসমাস মার্কেট স্বপ্ন, পুরাণ ও কূটনীতি: শিল্পে নতুন সেতু গড়ছে ভারত–রাশিয়া ভারত বদলেছে, কিন্তু রাশিয়ার সঙ্গে বন্ধুত্ব অটুট: পুতিন যুক্তরাষ্ট্রে H-1B ভিসায় সোশ্যাল মিডিয়া পর্যালোচনা আরও কঠোর হচ্ছে যদি আমেরিকা রাশিয়ান তেল কিনতে পারে, তবে ভারত কেন নয়?: পুতিন গ্রামীণ ব্যাংক অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ পরিষদের কাউন্সিল অনুষ্ঠিত আমেরিকান ইংরেজির প্রভাব ব্রিটিশ ইংরেজিতে

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১৫৫)

  • Sarakhon Report
  • ০৩:৫৬:১৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৫
  • 111

প্রদীপ কুমার মজুমদার

আলবিরূণী তাঁর গ্রন্থে আর্যভট ও তাঁর শিষ্যগণের প্রশংসা করেন এবং ব্রহ্মগুপ্তের আর্যভট সম্পর্কে কঠোর সমালোচনাকেই দোষারোপ করেছেন। বলভদ্র কর্তৃক উদ্ধৃত আর্যভটের রচনাংশ উল্লেখ করে আলবিরূণী বলভদ্রকে তীব্র সমালোচনা করেছেন।

তিনি (আলবিরূণী) ব্রহ্মগুপ্ত সম্পর্কে বলেছেন বিজ্ঞানকে পুরাণের অলীক গল্প এবং প্রচলিত কুসংস্কারের মিশ্রণ ঘটিয়ে বিজ্ঞানকে বলি দিয়েছেন। পণ্ডিতেরা অনুমান করেন হয়তো এ সব কারণেই আলবিরূণী ব্রহ্মগুপ্ত কর্তৃক আর্য’ ভটের রচনার উদ্ধৃতি সঠিক ছিল কিনা সংশয় প্রকাশ করেন।

কারণ ব্রহ্মগুপ্তের উদ্ধৃতির উপর নির্ভর করে আর্যভট সম্বন্ধে আলোচনা কালে তিনবার তিনি আর্যভটের মূল গ্রন্থ না পাবার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন। আলবিরূণী কুসুমপুরের আর্যভট রচিত একটি গ্রন্থের কথা কয়েকবার এমনভাবে বলেছেন যা থেকে অনুমান করা যেতে পারে গ্রন্থটির অনুলিপি বোধ হয় তাঁব কাছে ছিল।

সাচাউ (Sachau) মনে করেন এটি পরবর্তী আর্যভটের রচিত একটি সংস্কৃত গ্রন্থ। কিন্তু এখানে যথেষ্ট সন্দেহের অবকাশ আছে।

(চলবে)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১৫৪)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১৫৪)

জনপ্রিয় সংবাদ

মাইকেল ওভিটজ: এক প্রাক্তন হলিউড টাইটানের সংগ্রহশালা-স্টাইলের বাসা

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১৫৫)

০৩:৫৬:১৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৫

প্রদীপ কুমার মজুমদার

আলবিরূণী তাঁর গ্রন্থে আর্যভট ও তাঁর শিষ্যগণের প্রশংসা করেন এবং ব্রহ্মগুপ্তের আর্যভট সম্পর্কে কঠোর সমালোচনাকেই দোষারোপ করেছেন। বলভদ্র কর্তৃক উদ্ধৃত আর্যভটের রচনাংশ উল্লেখ করে আলবিরূণী বলভদ্রকে তীব্র সমালোচনা করেছেন।

তিনি (আলবিরূণী) ব্রহ্মগুপ্ত সম্পর্কে বলেছেন বিজ্ঞানকে পুরাণের অলীক গল্প এবং প্রচলিত কুসংস্কারের মিশ্রণ ঘটিয়ে বিজ্ঞানকে বলি দিয়েছেন। পণ্ডিতেরা অনুমান করেন হয়তো এ সব কারণেই আলবিরূণী ব্রহ্মগুপ্ত কর্তৃক আর্য’ ভটের রচনার উদ্ধৃতি সঠিক ছিল কিনা সংশয় প্রকাশ করেন।

কারণ ব্রহ্মগুপ্তের উদ্ধৃতির উপর নির্ভর করে আর্যভট সম্বন্ধে আলোচনা কালে তিনবার তিনি আর্যভটের মূল গ্রন্থ না পাবার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন। আলবিরূণী কুসুমপুরের আর্যভট রচিত একটি গ্রন্থের কথা কয়েকবার এমনভাবে বলেছেন যা থেকে অনুমান করা যেতে পারে গ্রন্থটির অনুলিপি বোধ হয় তাঁব কাছে ছিল।

সাচাউ (Sachau) মনে করেন এটি পরবর্তী আর্যভটের রচিত একটি সংস্কৃত গ্রন্থ। কিন্তু এখানে যথেষ্ট সন্দেহের অবকাশ আছে।

(চলবে)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১৫৪)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১৫৪)