০৭:৫৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬
সিএনএনের জনক টেড টার্নার আর নেই, ২৪ ঘণ্টার সংবাদযুগের পথিকৃৎকে বিদায় বাংলাদেশের নির্বাচনে হস্তক্ষেপের অভিযোগ নাকচ ভারতের পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির জয়ের পর সীমান্তে সতর্ক বিজিবি, ‘পুশ-ইন’ ঠেকাতে আগাম প্রস্তুতি বক্স অফিসের নায়ক থেকে তামিল রাজনীতির বিস্ময়, কীভাবে ‘থালাপতি’ বিজয় বদলে দিলেন তামিলনাড়ুর সমীকরণ ক্রেনশর পথ ও “আন্তঃসংযোগ”-এর জন্ম চীনা কোম্পানির বৈশ্বিক আয় রেকর্ডে, শীর্ষে ফক্সকন ও বিওয়াইডি ভারসাম্যের কূটনীতিতে ভারত-ভিয়েতনাম ঘনিষ্ঠতা, সুপারপাওয়ার নির্ভরতা কমানোর বার্তা চিপ জুয়ার ধস: এআই বুমের মাঝেই শেনজেনের ব্যবসায়ীদের কোটি কোটি ইউয়ান গায়েব মধ্যবিত্ত পৃথিবীর শেষ আশ্রয়: বারো বছরের কিশোরীরা কেন এখনও ভবিষ্যতের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে আছে চীনের ক্ষোভ, ৮০ বছর পর বিদেশে ‘অফেনসিভ’ ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল জাপান

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১৫৫)

  • Sarakhon Report
  • ০৩:৫৬:১৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৫
  • 176

প্রদীপ কুমার মজুমদার

আলবিরূণী তাঁর গ্রন্থে আর্যভট ও তাঁর শিষ্যগণের প্রশংসা করেন এবং ব্রহ্মগুপ্তের আর্যভট সম্পর্কে কঠোর সমালোচনাকেই দোষারোপ করেছেন। বলভদ্র কর্তৃক উদ্ধৃত আর্যভটের রচনাংশ উল্লেখ করে আলবিরূণী বলভদ্রকে তীব্র সমালোচনা করেছেন।

তিনি (আলবিরূণী) ব্রহ্মগুপ্ত সম্পর্কে বলেছেন বিজ্ঞানকে পুরাণের অলীক গল্প এবং প্রচলিত কুসংস্কারের মিশ্রণ ঘটিয়ে বিজ্ঞানকে বলি দিয়েছেন। পণ্ডিতেরা অনুমান করেন হয়তো এ সব কারণেই আলবিরূণী ব্রহ্মগুপ্ত কর্তৃক আর্য’ ভটের রচনার উদ্ধৃতি সঠিক ছিল কিনা সংশয় প্রকাশ করেন।

কারণ ব্রহ্মগুপ্তের উদ্ধৃতির উপর নির্ভর করে আর্যভট সম্বন্ধে আলোচনা কালে তিনবার তিনি আর্যভটের মূল গ্রন্থ না পাবার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন। আলবিরূণী কুসুমপুরের আর্যভট রচিত একটি গ্রন্থের কথা কয়েকবার এমনভাবে বলেছেন যা থেকে অনুমান করা যেতে পারে গ্রন্থটির অনুলিপি বোধ হয় তাঁব কাছে ছিল।

সাচাউ (Sachau) মনে করেন এটি পরবর্তী আর্যভটের রচিত একটি সংস্কৃত গ্রন্থ। কিন্তু এখানে যথেষ্ট সন্দেহের অবকাশ আছে।

(চলবে)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১৫৪)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১৫৪)

জনপ্রিয় সংবাদ

সিএনএনের জনক টেড টার্নার আর নেই, ২৪ ঘণ্টার সংবাদযুগের পথিকৃৎকে বিদায়

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১৫৫)

০৩:৫৬:১৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৫

প্রদীপ কুমার মজুমদার

আলবিরূণী তাঁর গ্রন্থে আর্যভট ও তাঁর শিষ্যগণের প্রশংসা করেন এবং ব্রহ্মগুপ্তের আর্যভট সম্পর্কে কঠোর সমালোচনাকেই দোষারোপ করেছেন। বলভদ্র কর্তৃক উদ্ধৃত আর্যভটের রচনাংশ উল্লেখ করে আলবিরূণী বলভদ্রকে তীব্র সমালোচনা করেছেন।

তিনি (আলবিরূণী) ব্রহ্মগুপ্ত সম্পর্কে বলেছেন বিজ্ঞানকে পুরাণের অলীক গল্প এবং প্রচলিত কুসংস্কারের মিশ্রণ ঘটিয়ে বিজ্ঞানকে বলি দিয়েছেন। পণ্ডিতেরা অনুমান করেন হয়তো এ সব কারণেই আলবিরূণী ব্রহ্মগুপ্ত কর্তৃক আর্য’ ভটের রচনার উদ্ধৃতি সঠিক ছিল কিনা সংশয় প্রকাশ করেন।

কারণ ব্রহ্মগুপ্তের উদ্ধৃতির উপর নির্ভর করে আর্যভট সম্বন্ধে আলোচনা কালে তিনবার তিনি আর্যভটের মূল গ্রন্থ না পাবার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন। আলবিরূণী কুসুমপুরের আর্যভট রচিত একটি গ্রন্থের কথা কয়েকবার এমনভাবে বলেছেন যা থেকে অনুমান করা যেতে পারে গ্রন্থটির অনুলিপি বোধ হয় তাঁব কাছে ছিল।

সাচাউ (Sachau) মনে করেন এটি পরবর্তী আর্যভটের রচিত একটি সংস্কৃত গ্রন্থ। কিন্তু এখানে যথেষ্ট সন্দেহের অবকাশ আছে।

(চলবে)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১৫৪)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১৫৪)