০৪:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬
হাইলাইট: দুর্নীতির অভিযোগ জমা পড়ছে প্রতিদিন, তবে বন্ধ অনুসন্ধান–মামলা সপ্তাহের শুরুতেই সোনার গহনার দাম ভরিতে কমলো ২২১৬ টাকা   শিকারি-সংগ্রাহকদের মধ্যেও ছিল প্লেগ! ৫,৫০০ বছর আগের মহামারির চাঞ্চল্যকর প্রমাণ এল নিনোর নতুন হুমকি: ইতিহাসের সবচেয়ে শক্তিশালী জলবায়ু ঘটনা কি সামনে? গাছেরও আছে ‘গোপন শ্রবণশক্তি’, প্রতিবেশীর খবর শুনেই বদলায় বেড়ে ওঠার কৌশল নেটফ্লিক্সে হারলান কোবেন ঝড়: রহস্য আর পারিবারিক নাটকের জাদুতে বিশ্বজয় বড়দের নতুন ছুটি: গ্রীষ্মকালীন ক্যাম্পে ফিরছে প্রাপ্তবয়স্করা অনলাইনের প্রেমে প্রতারণা: একাকীত্বকে পুঁজি করে বাড়ছে ‘লাভ স্ক্যাম’ চক্র অগ্ন্যাশয় ক্যান্সারে নতুন আশা, জীবন বাড়াতে পারে যুগান্তকারী ওষুধ চকলেটের মিষ্টি রহস্য: কোকো ফলনে ভরসা রক্তচোষা ক্ষুদে পোকা

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১৫৪)

  • Sarakhon Report
  • ০৩:২৩:২৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২১ এপ্রিল ২০২৫
  • 173

প্রদীপ কুমার মজুমদার

আলবিরূণী আর্যভট রচিত দশগীতিকা আর্যাঃশত ও তন্ত্রের কথা উল্লেখ করেছেন। তবে কোনটি কার লেখা (দুই আর্যভটের মধ্যে) সেটি তিনি বলেন নি। আলবিরূণী এক জায়গায় বলেছেন প্রথম গ্রন্থ ছাট তিনি কোন জায়গা থেকে সংগ্রহ করতে পারেন নি। যা কিছু জানতে পেরেছেন তা ব্রহ্মগুপ্তের রচনা থেকে। তৃতীয় গ্রন্থটির কথা আলবিরূণীর আগের কোন গণিতবিদই উল্লেখ করেন নি এবং পরবর্তী কালে ঐ গ্রন্থটি সম্বন্ধে জানা যায় না।

ব্রহ্মগুপ্তের পর ভট্টোৎপল (১৬৬খ্রীঃ) পৃথুডক স্বামী, দ্বিতীয় ভাস্করাচার্য, ষোড়শ শতকে আর্যভট অনুপন্থী গণেশ, মুনীশ্বর ও জ্ঞানরাজ আর্যভটের রচনাবলীর উল্লেখ করেন। এঁদের রচনা পড়লে মনে হয় আর্যভটের মূল রচনা এঁদের কাছে ছিল। যাই হোক পরবর্তী কালে সম্ভবতঃ এগুলি নষ্ট হয়ে যায়।

কোলেক্রক সাহেব নানা অসুবিধার মধ্যে দীর্ঘকাল অনুসন্ধান চালিয়ে আর্যভটের বীজগণিতের বা অন্য কোন রচনাংশের সন্ধান পান নি। অবশেষে ভাদাউজি “দশগীতিকা” এবং “আর্যভটীয়” এই গ্রন্থ দুটির পু’থি আবিষ্কার করেন।

আর্যভটীয়ের ‘গণিত’ এবং ‘কালক্রিয়া’ নামক দুটি অংশের প্রথম ও দশম শ্লোক দুটি থেকে জানা যায়, ৪৯৯ খ্রীষ্টাব্দে কুসুমপুরে মাত্র তেইশ বৎসর বয়সে আর্যভট এই গ্রন্থটি রচনা করেন। এ থেকে পণ্ডিতেরা মনে করেন আর্যভট ৪৭৬ খ্রীষ্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেন। এবং আর্যভটীয় গ্রন্থনামটি রচনাকারের নিজের দেওয়া।

(চলবে)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১৫৩)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১৫৩)

জনপ্রিয় সংবাদ

হাইলাইট: দুর্নীতির অভিযোগ জমা পড়ছে প্রতিদিন, তবে বন্ধ অনুসন্ধান–মামলা

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১৫৪)

০৩:২৩:২৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২১ এপ্রিল ২০২৫

প্রদীপ কুমার মজুমদার

আলবিরূণী আর্যভট রচিত দশগীতিকা আর্যাঃশত ও তন্ত্রের কথা উল্লেখ করেছেন। তবে কোনটি কার লেখা (দুই আর্যভটের মধ্যে) সেটি তিনি বলেন নি। আলবিরূণী এক জায়গায় বলেছেন প্রথম গ্রন্থ ছাট তিনি কোন জায়গা থেকে সংগ্রহ করতে পারেন নি। যা কিছু জানতে পেরেছেন তা ব্রহ্মগুপ্তের রচনা থেকে। তৃতীয় গ্রন্থটির কথা আলবিরূণীর আগের কোন গণিতবিদই উল্লেখ করেন নি এবং পরবর্তী কালে ঐ গ্রন্থটি সম্বন্ধে জানা যায় না।

ব্রহ্মগুপ্তের পর ভট্টোৎপল (১৬৬খ্রীঃ) পৃথুডক স্বামী, দ্বিতীয় ভাস্করাচার্য, ষোড়শ শতকে আর্যভট অনুপন্থী গণেশ, মুনীশ্বর ও জ্ঞানরাজ আর্যভটের রচনাবলীর উল্লেখ করেন। এঁদের রচনা পড়লে মনে হয় আর্যভটের মূল রচনা এঁদের কাছে ছিল। যাই হোক পরবর্তী কালে সম্ভবতঃ এগুলি নষ্ট হয়ে যায়।

কোলেক্রক সাহেব নানা অসুবিধার মধ্যে দীর্ঘকাল অনুসন্ধান চালিয়ে আর্যভটের বীজগণিতের বা অন্য কোন রচনাংশের সন্ধান পান নি। অবশেষে ভাদাউজি “দশগীতিকা” এবং “আর্যভটীয়” এই গ্রন্থ দুটির পু’থি আবিষ্কার করেন।

আর্যভটীয়ের ‘গণিত’ এবং ‘কালক্রিয়া’ নামক দুটি অংশের প্রথম ও দশম শ্লোক দুটি থেকে জানা যায়, ৪৯৯ খ্রীষ্টাব্দে কুসুমপুরে মাত্র তেইশ বৎসর বয়সে আর্যভট এই গ্রন্থটি রচনা করেন। এ থেকে পণ্ডিতেরা মনে করেন আর্যভট ৪৭৬ খ্রীষ্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেন। এবং আর্যভটীয় গ্রন্থনামটি রচনাকারের নিজের দেওয়া।

(চলবে)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১৫৩)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১৫৩)