০৩:১৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬
দক্ষিণ চীন সাগরে মালয়েশিয়ার নতুন নজরদারি শক্তি, আকাশে যুক্ত হলো ‘অবিরাম চোখ’ আনকা-এস মালয়েশিয়ায় একক মায়ের সংখ্যা ৩ লাখ ৪০ হাজার ছাড়াল, দারিদ্র্য ও জীবনযুদ্ধের শঙ্কা বাড়ছে চীনের নতুন বার্তা: দেশের টাকা দেশে রাখুন, বিদেশে বিনিয়োগে বাড়ছে কড়াকড়ি মালয়েশিয়ায় ডিজেলে বাড়ছে পাম অয়েলের ব্যবহার, জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় নতুন পদক্ষেপ ইরান চুক্তি নিয়ে ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি, লেবাননে যুদ্ধবিরতির দাবিতে জি-৭ নেতারা সিঙ্গাপুরের নেতৃত্বে আসিয়ানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার নতুন যুগ, ক্ষুদ্র ব্যবসা ও তথ্যপ্রবাহে জোর ভারতে  টমেটো-পেঁয়াজ-আলুর দামে আগুন, কৃষকের হাতে নেই ন্যায্য মূল্য পশ্চিমবঙ্গে উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে রাজপথে মমতা, হকারদের পক্ষে তৃণমূলের শক্তি প্রদর্শন কোটা থেকে রাহুলের শিক্ষা বার্তা: ‘স্বপ্ন গড়ার বদলে শিক্ষাব্যবস্থা চাপ ও খরচ বাড়াচ্ছে’ টেলিগ্রামে প্রশ্নফাঁস আতঙ্ক, সতর্কবার্তার পরই ভারতে সাময়িক নিষেধাজ্ঞা

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১৫৩)

  • Sarakhon Report
  • ০৩:০১:১৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৫
  • 213

প্রদীপ কুমার মজুমদার

এবং লক্ষণীয় যে পাশ্চাত্যদেশের কয়েকজন গণিত ঐতিহাসিক আছেন যাঁরা ভারতীয় গণিতশাস্ত্রের প্রাচীনত্ব ও ঐতিহ্যকে খাটো করে দেখানোর জন্য সদাই তৎপর। স্মীথ তাঁর “হিস্ট্রি অব ম্যাথেমেটিকস” গ্রন্থে বড় আর্যভটের রচনাবলী আলোচনাকালে পরবর্তী আর্বভটের সম্বন্ধে সামান্য কিছু বলেছেন এবং অন্যূন পাঁচবার তিনি পাঠককে সতর্ক করে বলেছেন-তাঁরা যেন গণিতের (আর্য ভটের রচনাবলীর অংশ বিশেষ) সন তারিখের ব্যাপারে তথাকথিত সংশয়ের কথা বিশ্বত না হন।

মনে হয় স্মীথ ও অন্যায় পাশ্চাত্য পণ্ডিতদের এ মন্তব্যের পিছনে ক্যে’র মতামতের প্রভাব পড়েছিল। লক্ষ্য করলেই দেখা যাবে ক্যে প্রমুখেরা ভারতীয় সব রচনাতেই বিদেশী বিশেষ করে গ্রীক প্রভাব লক্ষ্য করতে অভ্যন্ত। আলবিরূণীর বক্তব্যকেও সাময়িকভাবে গুরুত্ব দিলেও উচ্চতর বিশ্লেষণ করা হয় নাই।

(চলবে)

জনপ্রিয় সংবাদ

দক্ষিণ চীন সাগরে মালয়েশিয়ার নতুন নজরদারি শক্তি, আকাশে যুক্ত হলো ‘অবিরাম চোখ’ আনকা-এস

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১৫৩)

০৩:০১:১৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৫

প্রদীপ কুমার মজুমদার

এবং লক্ষণীয় যে পাশ্চাত্যদেশের কয়েকজন গণিত ঐতিহাসিক আছেন যাঁরা ভারতীয় গণিতশাস্ত্রের প্রাচীনত্ব ও ঐতিহ্যকে খাটো করে দেখানোর জন্য সদাই তৎপর। স্মীথ তাঁর “হিস্ট্রি অব ম্যাথেমেটিকস” গ্রন্থে বড় আর্যভটের রচনাবলী আলোচনাকালে পরবর্তী আর্বভটের সম্বন্ধে সামান্য কিছু বলেছেন এবং অন্যূন পাঁচবার তিনি পাঠককে সতর্ক করে বলেছেন-তাঁরা যেন গণিতের (আর্য ভটের রচনাবলীর অংশ বিশেষ) সন তারিখের ব্যাপারে তথাকথিত সংশয়ের কথা বিশ্বত না হন।

মনে হয় স্মীথ ও অন্যায় পাশ্চাত্য পণ্ডিতদের এ মন্তব্যের পিছনে ক্যে’র মতামতের প্রভাব পড়েছিল। লক্ষ্য করলেই দেখা যাবে ক্যে প্রমুখেরা ভারতীয় সব রচনাতেই বিদেশী বিশেষ করে গ্রীক প্রভাব লক্ষ্য করতে অভ্যন্ত। আলবিরূণীর বক্তব্যকেও সাময়িকভাবে গুরুত্ব দিলেও উচ্চতর বিশ্লেষণ করা হয় নাই।

(চলবে)