০২:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১৫৮)

  • Sarakhon Report
  • ০৩:১২:৪৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৫
  • 195

প্রদীপ কুমার মজুমদার

গ্রন্থোল্লিখিত বিবরণের সঙ্গে এই মতের পরিপূর্ণ সামজন্য আছে। কিন্তু প্রথম আর্যভট সম্পর্কে এঁরা নীরব। এঁদের বক্তব্য থেকে এই ধারণা করা যায় যে ইনি একজন প্রাচীনতম গ্রন্থকার। ক্যে কিন্তু এ মতের সমর্থক নন। তিনি বলেন আর্যভটায়ের গণিত অংশটি পৃথকভাবে দশম শতাব্দীর কুহুমপুরের আর্যভটের রচনা।

গ্রন্থের বাকী অংশটুকু আলবিরূণী উল্লিখিত প্রথম আর্যভটের (৪৭৬ খ্রীঃ) রচনা বলে ক্যে স্বীকার করেছেন। আপতদৃষ্টিতে মনে হয় ক্যে’র অনুমান সঠিক কিন্তু সূক্ষ্ম বিচার বিশ্লেষণ করলে এ মত যুক্তিগ্রাহ্ন নয়। এর দ্বারা সমস্যাটিকে জটিলতর পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

আর্যভটের রচনা আর্যাছন্দে রচিত ১০৮টি শ্লোকে নিবদ্ধ হওয়ায় তাঁর পরবর্তী গ্রন্থকারেরা এটিকে আর্যাষ্টশত নামে অভিহিত করেছেন। আর্যভট নিজে এই নাম দেন নি।

ভারতবর্ষে যত পুঁথি পাওয়া গেছে তার সবগুলিতেই গণিত অংশ সমেত ১০৮টি শ্লোক দেখতে পাওয়া যায়। এটি বিশেষ ইঙ্গিতবাহী। ব্রহ্মগুপ্তের রচনা যদি পাঠ করা যায় তাহলে দেখা যাবে তিনি (ব্রহ্মগুপ্ত) স্পষ্টই গণিত অংশটি আর্যভটের রচনা বলে উল্লেখ করেছেন এবং এটির সমালোচনাও করেছেন।

সবকিছু খুঁটিয়ে বিচার করে দেখলে আমরা মোটামুটি দুটি বিষয়ের উপর আলোকপাত করতে পারি।

(চলবে)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১৫৭)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১৫৭)

 

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১৫৮)

০৩:১২:৪৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৫

প্রদীপ কুমার মজুমদার

গ্রন্থোল্লিখিত বিবরণের সঙ্গে এই মতের পরিপূর্ণ সামজন্য আছে। কিন্তু প্রথম আর্যভট সম্পর্কে এঁরা নীরব। এঁদের বক্তব্য থেকে এই ধারণা করা যায় যে ইনি একজন প্রাচীনতম গ্রন্থকার। ক্যে কিন্তু এ মতের সমর্থক নন। তিনি বলেন আর্যভটায়ের গণিত অংশটি পৃথকভাবে দশম শতাব্দীর কুহুমপুরের আর্যভটের রচনা।

গ্রন্থের বাকী অংশটুকু আলবিরূণী উল্লিখিত প্রথম আর্যভটের (৪৭৬ খ্রীঃ) রচনা বলে ক্যে স্বীকার করেছেন। আপতদৃষ্টিতে মনে হয় ক্যে’র অনুমান সঠিক কিন্তু সূক্ষ্ম বিচার বিশ্লেষণ করলে এ মত যুক্তিগ্রাহ্ন নয়। এর দ্বারা সমস্যাটিকে জটিলতর পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

আর্যভটের রচনা আর্যাছন্দে রচিত ১০৮টি শ্লোকে নিবদ্ধ হওয়ায় তাঁর পরবর্তী গ্রন্থকারেরা এটিকে আর্যাষ্টশত নামে অভিহিত করেছেন। আর্যভট নিজে এই নাম দেন নি।

ভারতবর্ষে যত পুঁথি পাওয়া গেছে তার সবগুলিতেই গণিত অংশ সমেত ১০৮টি শ্লোক দেখতে পাওয়া যায়। এটি বিশেষ ইঙ্গিতবাহী। ব্রহ্মগুপ্তের রচনা যদি পাঠ করা যায় তাহলে দেখা যাবে তিনি (ব্রহ্মগুপ্ত) স্পষ্টই গণিত অংশটি আর্যভটের রচনা বলে উল্লেখ করেছেন এবং এটির সমালোচনাও করেছেন।

সবকিছু খুঁটিয়ে বিচার করে দেখলে আমরা মোটামুটি দুটি বিষয়ের উপর আলোকপাত করতে পারি।

(চলবে)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১৫৭)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১৫৭)