১১:৪২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬
তারেক রহমানের সমাবেশ ঘিরে চট্টগ্রামে ড্রোন উড্ডয়ন নিষিদ্ধ ভাটারার নতুন বাজারে অগ্নিকাণ্ড, একাধিক দোকান ভস্মীভূত মৃত্যু নাকি আত্মহত্যা, প্রশ্নের মুখে সুবীর বিশ্বাসের ছাদ থেকে পড়ে যাওয়ার ঘটনা ভাঙ্গায় মাদক নিরাময় কেন্দ্রে নির্যাতনে যুবকের মৃত্যু, প্রতিষ্ঠান সিলগালা “হ্যাঁ” “না” ভোট ও খাল কাটার সেইসব দিনগুলি শাসনক্ষমতায় এলে হিন্দু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে বিএনপি মির্জা ফখরুল নির্বাচনী জনসভায় চেয়ার নিয়ে বিরোধ, বিএনপি ও যুবদলের সংঘর্ষে অন্তত ৩০ জন আহত সিদ্ধেশ্বরীতে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর গণসংযোগে ডিম ও নোংরা পানি নিক্ষেপ জাপানের পারমাণবিক প্রত্যাবর্তন, বিদ্যুৎ চাহিদা আর ফুকুশিমার ক্ষত বরিশালের পাথরঘাটা নদী: জল, জীবন ও স্মৃতির দীর্ঘ গল্প

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১৫৭)

  • Sarakhon Report
  • ০৩:১৯:৪২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৫
  • 108

প্রদীপ কুমার মজুমদার

এই আর্য-সিদ্ধান্তটির বয়স নিয়ে রীতিমত বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। কেন্টলী সাহেব চতুর্দশ শতাব্দীতে এটি রচনা করা হয়েছে বলে মনে করেন। সীওয়েল মনে করেন এটি ১৫০ খ্রীষ্টাব্দে রচিত। ডঃ দত্ত বলেন ভট্টোৎপল এই গ্রন্থটির উল্লেখ করেন নি।

আলবিরূণী সংস্কৃত গ্রন্থ ও গ্রন্থকারদের যে তালিকা প্রস্তুত করেছিলেন তাতেও এই গ্রন্থটির উল্লেখ নেই। এই অনুল্লেখকে যদি তাঁর কাল নিরূপণের গুরুত্বপূর্ণ সূত্র হিসাবে ধরা যায় তাহলে বলতে হবে তিনি (আর্থ-সিদ্ধান্তের লেখক) আলবিরূণীর পরবর্তী কালের লোক।

আলবিরূণীর উল্লিখিত দুইজন আর্যভট, আর্যভটীয় গ্রন্থের লেখক আর্যভট এবং আর্যসিদ্ধান্তের আর্যভট ও বৃদ্ধ আর্যভট, এদের মধ্যেকার সম্পর্ক নির্ণয় করা সহজসাধ্য নয়। পূর্ববর্তী কোন লেখকই এই বিচিত্র গ্রহেলিকাটির সমাধান করতে যথাযথ মনোযোগ দেন নি।

কেউ কেউ এব্যাপারে সামার সাফল্যমণ্ডিত হলেও কেউই এটির শেষ পর্যন্ত অগ্রসর হন নি। আলবিরূণীর রচনা থেকে জানা যে আর্যভটীয় গ্রন্থটি দুই জন আর্যভটের একজনের লেখা। ভাদাউদী, বেনড, কার্ন, বেবর, ভিনতেরনিৎস প্রমুখেরা বলেছেন ঐ গ্রন্থটি আলবিন্ধণী উল্লিখিত কুসুমপুরের আর্যভটের রচনা।

(চলবে)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১৫৬)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১৫৬)

 

জনপ্রিয় সংবাদ

তারেক রহমানের সমাবেশ ঘিরে চট্টগ্রামে ড্রোন উড্ডয়ন নিষিদ্ধ

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১৫৭)

০৩:১৯:৪২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৫

প্রদীপ কুমার মজুমদার

এই আর্য-সিদ্ধান্তটির বয়স নিয়ে রীতিমত বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। কেন্টলী সাহেব চতুর্দশ শতাব্দীতে এটি রচনা করা হয়েছে বলে মনে করেন। সীওয়েল মনে করেন এটি ১৫০ খ্রীষ্টাব্দে রচিত। ডঃ দত্ত বলেন ভট্টোৎপল এই গ্রন্থটির উল্লেখ করেন নি।

আলবিরূণী সংস্কৃত গ্রন্থ ও গ্রন্থকারদের যে তালিকা প্রস্তুত করেছিলেন তাতেও এই গ্রন্থটির উল্লেখ নেই। এই অনুল্লেখকে যদি তাঁর কাল নিরূপণের গুরুত্বপূর্ণ সূত্র হিসাবে ধরা যায় তাহলে বলতে হবে তিনি (আর্থ-সিদ্ধান্তের লেখক) আলবিরূণীর পরবর্তী কালের লোক।

আলবিরূণীর উল্লিখিত দুইজন আর্যভট, আর্যভটীয় গ্রন্থের লেখক আর্যভট এবং আর্যসিদ্ধান্তের আর্যভট ও বৃদ্ধ আর্যভট, এদের মধ্যেকার সম্পর্ক নির্ণয় করা সহজসাধ্য নয়। পূর্ববর্তী কোন লেখকই এই বিচিত্র গ্রহেলিকাটির সমাধান করতে যথাযথ মনোযোগ দেন নি।

কেউ কেউ এব্যাপারে সামার সাফল্যমণ্ডিত হলেও কেউই এটির শেষ পর্যন্ত অগ্রসর হন নি। আলবিরূণীর রচনা থেকে জানা যে আর্যভটীয় গ্রন্থটি দুই জন আর্যভটের একজনের লেখা। ভাদাউদী, বেনড, কার্ন, বেবর, ভিনতেরনিৎস প্রমুখেরা বলেছেন ঐ গ্রন্থটি আলবিন্ধণী উল্লিখিত কুসুমপুরের আর্যভটের রচনা।

(চলবে)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১৫৬)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১৫৬)