০৮:৪৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬
বিজ্ঞান বাজেট কাটছাঁটে ট্রাম্পের প্রস্তাব, নীরবে রুখে দাঁড়ালেন রিপাবলিকানরা নিষ্ক্রিয়তার অপরাধ: উভালদে ট্র্যাজেডি কি পুলিশের দায় নতুনভাবে নির্ধারণ করবে নিউইয়র্কের ক্ষমতার নতুন ভাষা: জোহরান মামদানির ঝুঁকিপূর্ণ পথ চলা প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৩৫৩) ইউরোপের উদ্বেগে গ্রিনল্যান্ড, ট্রাম্পের দখল-আতঙ্ক ঠেকাতে মরিয়া কূটনীতি স্পেনের রাজনীতিতে বিচারকের ছায়া: ক্ষমতার লড়াইয়ে আদালত যখন বিতর্কের কেন্দ্রে ঘুম ঠিক রাখার এক অভ্যাসই বদলে দিতে পারে আপনার স্বাস্থ্য ইউরোপের নতুন ক্ষমতার রাজনীতি, লাতিন আমেরিকার সঙ্গে ঐতিহাসিক বাণিজ্য চুক্তি আইসিই কর্মকর্তার গুলিতে মৃত্যু: রেনে গুড মামলায় রাজ্য বনাম ফেডারেল আইনের মুখোমুখি সংঘাত বর্তমান বাস্তবতায় বিশ্বকাপে বাংলাদেশের খেলার সম্ভাবনা এক শতাংশেরও কম

ঘোস্টবাস্টারস–রাশ আওয়ার–রজার র‌্যাবিট—যে তিন ছবিতে না করে আফসোসে আছেন এডি মারফি

হলিউডের তিন সুপারহিট, যে সুযোগ হারালেন
নেটফ্লিক্সের নতুন ডকুমেন্টারি ‘বিইং এডি’ প্রচারে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে হলিউড তারকা এডি মারফি জানিয়েছেন, তিনটি ছবির জন্য তিনি আজও একটু আফসোস করেন—ঘোস্টবাস্টারস, রাশ আওয়ার ও হু ফ্রেইমড রজার র‌্যাবিট। তিনি বলেন, ওই সময়গুলোর ভিন্ন ভিন্ন কারণে প্রস্তাবগুলো ফিরিয়ে দিয়েছিলেন; বিশেষ করে ঘোস্টবাস্টারস করার সময়ই বেভারলি হিলস কপ–এর অফার ছিল, আর শেষে তিনি এক্সেল ফোলির চরিত্রই বেছে নেন। রাশ আওয়ার আর হু ফ্রেইমড রজার র‌্যাবিট তখন তাঁর কাছে তেমন আকর্ষণীয় মনে হয়নি, কিন্তু পরে দুটোই বিশাল হিট হয়ে যায়, আর ভক্তদের কাছে কাল্ট ক্লাসিকের জায়গা পায়। তবু মারফি বলছেন, আজকের দিনে দাঁড়িয়ে তিনি মূলত কৃতজ্ঞ যে তাঁর ক্যারিয়ার অন্য পথে গড়াল এবং অনেক আলাদা ধরনের কাজ করার সুযোগ দিল।

ব্যর্থতা, আঘাত আর ফিরতি পথের গল্প
ডকুমেন্টারিতে মারফির ক্যারিয়ারের কঠিন মুহূর্তগুলোও উঠে এসেছে—বিশেষ করে ১৯৯৫ সালের ভ্যাম্পায়ার ইন ব্রুকলিন ছবির খারাপ সমালোচনা এবং স্যাটারডে নাইট লাইভ–এর একটি কৌতুক, যেখানে তাঁকে “ফলিং স্টার” বা পড়ন্ত নক্ষত্র বলা হয়। মারফি বলেন, এই মন্তব্য তাঁকে গভীরভাবে আহত করেছিল, কারণ ওই একই শো থেকেই ৮০–র দশকে তাঁর তারকা হওয়ার পথ শুরু। তাঁর ভাষায়, নিজের ‘আলমা ম্যাটার’ যেন নিজের ক্যারিয়ারকে আঘাত করেছে—শুধু মজা করে নয়, বরং ভবিষ্যৎ নিয়ে সন্দেহ তুলে। সময়ের সঙ্গে তিনি ব্যাপারটিকে নতুন করে দেখেছেন; বুঝেছেন, দীর্ঘ ক্যারিয়ারে উত্থান–পতন থাকবেই, আর গুরুত্বপূর্ণ হলো, কাজ চালিয়ে যাওয়া আর নতুন প্রজন্মের দর্শকের সঙ্গে সংযোগ রাখা। কমিং টু আমেরিকা, শ্রেক থেকে শুরু করে সাম্প্রতিক নেটফ্লিক্স প্রজেক্ট—সব মিলিয়ে ‘বিইং এডি’ মারফিকে দেখায় একজন শিল্পী হিসেবে, যিনি ব্যর্থতা সামলেও নিজেকে বারবার নতুনভাবে ভাবতে শিখেছেন। যে তিনটি ছবির কথা তিনি আফসোসের সুরে বললেন, তা ভক্তদের জন্য হয়তো মজার ‘হোয়াট ইফ’ কল্পনা; কিন্তু ডকুমেন্টারির মূল বার্তা হলো—নিজের সিদ্ধান্তকে গ্রহণ করে এগিয়ে যাওয়ার মধ্যেই টিকে থাকার শক্তি লুকিয়ে আছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

বিজ্ঞান বাজেট কাটছাঁটে ট্রাম্পের প্রস্তাব, নীরবে রুখে দাঁড়ালেন রিপাবলিকানরা

ঘোস্টবাস্টারস–রাশ আওয়ার–রজার র‌্যাবিট—যে তিন ছবিতে না করে আফসোসে আছেন এডি মারফি

১০:০০:২৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ নভেম্বর ২০২৫

হলিউডের তিন সুপারহিট, যে সুযোগ হারালেন
নেটফ্লিক্সের নতুন ডকুমেন্টারি ‘বিইং এডি’ প্রচারে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে হলিউড তারকা এডি মারফি জানিয়েছেন, তিনটি ছবির জন্য তিনি আজও একটু আফসোস করেন—ঘোস্টবাস্টারস, রাশ আওয়ার ও হু ফ্রেইমড রজার র‌্যাবিট। তিনি বলেন, ওই সময়গুলোর ভিন্ন ভিন্ন কারণে প্রস্তাবগুলো ফিরিয়ে দিয়েছিলেন; বিশেষ করে ঘোস্টবাস্টারস করার সময়ই বেভারলি হিলস কপ–এর অফার ছিল, আর শেষে তিনি এক্সেল ফোলির চরিত্রই বেছে নেন। রাশ আওয়ার আর হু ফ্রেইমড রজার র‌্যাবিট তখন তাঁর কাছে তেমন আকর্ষণীয় মনে হয়নি, কিন্তু পরে দুটোই বিশাল হিট হয়ে যায়, আর ভক্তদের কাছে কাল্ট ক্লাসিকের জায়গা পায়। তবু মারফি বলছেন, আজকের দিনে দাঁড়িয়ে তিনি মূলত কৃতজ্ঞ যে তাঁর ক্যারিয়ার অন্য পথে গড়াল এবং অনেক আলাদা ধরনের কাজ করার সুযোগ দিল।

ব্যর্থতা, আঘাত আর ফিরতি পথের গল্প
ডকুমেন্টারিতে মারফির ক্যারিয়ারের কঠিন মুহূর্তগুলোও উঠে এসেছে—বিশেষ করে ১৯৯৫ সালের ভ্যাম্পায়ার ইন ব্রুকলিন ছবির খারাপ সমালোচনা এবং স্যাটারডে নাইট লাইভ–এর একটি কৌতুক, যেখানে তাঁকে “ফলিং স্টার” বা পড়ন্ত নক্ষত্র বলা হয়। মারফি বলেন, এই মন্তব্য তাঁকে গভীরভাবে আহত করেছিল, কারণ ওই একই শো থেকেই ৮০–র দশকে তাঁর তারকা হওয়ার পথ শুরু। তাঁর ভাষায়, নিজের ‘আলমা ম্যাটার’ যেন নিজের ক্যারিয়ারকে আঘাত করেছে—শুধু মজা করে নয়, বরং ভবিষ্যৎ নিয়ে সন্দেহ তুলে। সময়ের সঙ্গে তিনি ব্যাপারটিকে নতুন করে দেখেছেন; বুঝেছেন, দীর্ঘ ক্যারিয়ারে উত্থান–পতন থাকবেই, আর গুরুত্বপূর্ণ হলো, কাজ চালিয়ে যাওয়া আর নতুন প্রজন্মের দর্শকের সঙ্গে সংযোগ রাখা। কমিং টু আমেরিকা, শ্রেক থেকে শুরু করে সাম্প্রতিক নেটফ্লিক্স প্রজেক্ট—সব মিলিয়ে ‘বিইং এডি’ মারফিকে দেখায় একজন শিল্পী হিসেবে, যিনি ব্যর্থতা সামলেও নিজেকে বারবার নতুনভাবে ভাবতে শিখেছেন। যে তিনটি ছবির কথা তিনি আফসোসের সুরে বললেন, তা ভক্তদের জন্য হয়তো মজার ‘হোয়াট ইফ’ কল্পনা; কিন্তু ডকুমেন্টারির মূল বার্তা হলো—নিজের সিদ্ধান্তকে গ্রহণ করে এগিয়ে যাওয়ার মধ্যেই টিকে থাকার শক্তি লুকিয়ে আছে।