০৮:৫৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬
আবাসিক ভবনের নিচে তেলের ভাণ্ডার! ২৫ হাজার লিটার ডিজেল মজুদে জরিমানা, সরানোর নির্দেশ সৌদি আরবে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপন মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতে রেমিট্যান্স ঝুঁকি, চাপে পড়তে পারে বাংলাদেশের অর্থনীতি চট্টগ্রাম বন্দরে যুক্তরাষ্ট্রের গমের বড় চালান, আমদানি নির্ভরতায় নতুন বার্তা যুদ্ধাপরাধে অভিযুক্ত বন্দির মৃত্যু, ঢাকা মেডিকেলে শেষ নিঃশ্বাস খার্গ দ্বীপে হামলার আশঙ্কা, তেলের দাম কি ২০০ ডলারে পৌঁছাবে? শুক্রবার বৈশ্বিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম বেড়ে প্রায় ১১১ ডলার ডাবল সংকটে বাংলাদেশের পোশাক শিল্প: প্রতিদিন পাঁচ ঘণ্টা লোডশেডিং, ডিজেল নেই, রপ্তানিতে ধস দশ বছর পর বাংলাদেশ ব্যাংক রিজার্ভ চুরির মামলায় চার্জশিট আসছে: সাত দেশে ৬৫-৭০ সন্দেহভাজন শনাক্ত রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র: ইরান যুদ্ধের জ্বালানি সংকটে বাংলাদেশের পারমাণবিক স্বপ্ন এখন জাতীয় জরুরি অগ্রাধিকার

ঘোস্টবাস্টারস–রাশ আওয়ার–রজার র‌্যাবিট—যে তিন ছবিতে না করে আফসোসে আছেন এডি মারফি

হলিউডের তিন সুপারহিট, যে সুযোগ হারালেন
নেটফ্লিক্সের নতুন ডকুমেন্টারি ‘বিইং এডি’ প্রচারে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে হলিউড তারকা এডি মারফি জানিয়েছেন, তিনটি ছবির জন্য তিনি আজও একটু আফসোস করেন—ঘোস্টবাস্টারস, রাশ আওয়ার ও হু ফ্রেইমড রজার র‌্যাবিট। তিনি বলেন, ওই সময়গুলোর ভিন্ন ভিন্ন কারণে প্রস্তাবগুলো ফিরিয়ে দিয়েছিলেন; বিশেষ করে ঘোস্টবাস্টারস করার সময়ই বেভারলি হিলস কপ–এর অফার ছিল, আর শেষে তিনি এক্সেল ফোলির চরিত্রই বেছে নেন। রাশ আওয়ার আর হু ফ্রেইমড রজার র‌্যাবিট তখন তাঁর কাছে তেমন আকর্ষণীয় মনে হয়নি, কিন্তু পরে দুটোই বিশাল হিট হয়ে যায়, আর ভক্তদের কাছে কাল্ট ক্লাসিকের জায়গা পায়। তবু মারফি বলছেন, আজকের দিনে দাঁড়িয়ে তিনি মূলত কৃতজ্ঞ যে তাঁর ক্যারিয়ার অন্য পথে গড়াল এবং অনেক আলাদা ধরনের কাজ করার সুযোগ দিল।

ব্যর্থতা, আঘাত আর ফিরতি পথের গল্প
ডকুমেন্টারিতে মারফির ক্যারিয়ারের কঠিন মুহূর্তগুলোও উঠে এসেছে—বিশেষ করে ১৯৯৫ সালের ভ্যাম্পায়ার ইন ব্রুকলিন ছবির খারাপ সমালোচনা এবং স্যাটারডে নাইট লাইভ–এর একটি কৌতুক, যেখানে তাঁকে “ফলিং স্টার” বা পড়ন্ত নক্ষত্র বলা হয়। মারফি বলেন, এই মন্তব্য তাঁকে গভীরভাবে আহত করেছিল, কারণ ওই একই শো থেকেই ৮০–র দশকে তাঁর তারকা হওয়ার পথ শুরু। তাঁর ভাষায়, নিজের ‘আলমা ম্যাটার’ যেন নিজের ক্যারিয়ারকে আঘাত করেছে—শুধু মজা করে নয়, বরং ভবিষ্যৎ নিয়ে সন্দেহ তুলে। সময়ের সঙ্গে তিনি ব্যাপারটিকে নতুন করে দেখেছেন; বুঝেছেন, দীর্ঘ ক্যারিয়ারে উত্থান–পতন থাকবেই, আর গুরুত্বপূর্ণ হলো, কাজ চালিয়ে যাওয়া আর নতুন প্রজন্মের দর্শকের সঙ্গে সংযোগ রাখা। কমিং টু আমেরিকা, শ্রেক থেকে শুরু করে সাম্প্রতিক নেটফ্লিক্স প্রজেক্ট—সব মিলিয়ে ‘বিইং এডি’ মারফিকে দেখায় একজন শিল্পী হিসেবে, যিনি ব্যর্থতা সামলেও নিজেকে বারবার নতুনভাবে ভাবতে শিখেছেন। যে তিনটি ছবির কথা তিনি আফসোসের সুরে বললেন, তা ভক্তদের জন্য হয়তো মজার ‘হোয়াট ইফ’ কল্পনা; কিন্তু ডকুমেন্টারির মূল বার্তা হলো—নিজের সিদ্ধান্তকে গ্রহণ করে এগিয়ে যাওয়ার মধ্যেই টিকে থাকার শক্তি লুকিয়ে আছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

আবাসিক ভবনের নিচে তেলের ভাণ্ডার! ২৫ হাজার লিটার ডিজেল মজুদে জরিমানা, সরানোর নির্দেশ

ঘোস্টবাস্টারস–রাশ আওয়ার–রজার র‌্যাবিট—যে তিন ছবিতে না করে আফসোসে আছেন এডি মারফি

১০:০০:২৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ নভেম্বর ২০২৫

হলিউডের তিন সুপারহিট, যে সুযোগ হারালেন
নেটফ্লিক্সের নতুন ডকুমেন্টারি ‘বিইং এডি’ প্রচারে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে হলিউড তারকা এডি মারফি জানিয়েছেন, তিনটি ছবির জন্য তিনি আজও একটু আফসোস করেন—ঘোস্টবাস্টারস, রাশ আওয়ার ও হু ফ্রেইমড রজার র‌্যাবিট। তিনি বলেন, ওই সময়গুলোর ভিন্ন ভিন্ন কারণে প্রস্তাবগুলো ফিরিয়ে দিয়েছিলেন; বিশেষ করে ঘোস্টবাস্টারস করার সময়ই বেভারলি হিলস কপ–এর অফার ছিল, আর শেষে তিনি এক্সেল ফোলির চরিত্রই বেছে নেন। রাশ আওয়ার আর হু ফ্রেইমড রজার র‌্যাবিট তখন তাঁর কাছে তেমন আকর্ষণীয় মনে হয়নি, কিন্তু পরে দুটোই বিশাল হিট হয়ে যায়, আর ভক্তদের কাছে কাল্ট ক্লাসিকের জায়গা পায়। তবু মারফি বলছেন, আজকের দিনে দাঁড়িয়ে তিনি মূলত কৃতজ্ঞ যে তাঁর ক্যারিয়ার অন্য পথে গড়াল এবং অনেক আলাদা ধরনের কাজ করার সুযোগ দিল।

ব্যর্থতা, আঘাত আর ফিরতি পথের গল্প
ডকুমেন্টারিতে মারফির ক্যারিয়ারের কঠিন মুহূর্তগুলোও উঠে এসেছে—বিশেষ করে ১৯৯৫ সালের ভ্যাম্পায়ার ইন ব্রুকলিন ছবির খারাপ সমালোচনা এবং স্যাটারডে নাইট লাইভ–এর একটি কৌতুক, যেখানে তাঁকে “ফলিং স্টার” বা পড়ন্ত নক্ষত্র বলা হয়। মারফি বলেন, এই মন্তব্য তাঁকে গভীরভাবে আহত করেছিল, কারণ ওই একই শো থেকেই ৮০–র দশকে তাঁর তারকা হওয়ার পথ শুরু। তাঁর ভাষায়, নিজের ‘আলমা ম্যাটার’ যেন নিজের ক্যারিয়ারকে আঘাত করেছে—শুধু মজা করে নয়, বরং ভবিষ্যৎ নিয়ে সন্দেহ তুলে। সময়ের সঙ্গে তিনি ব্যাপারটিকে নতুন করে দেখেছেন; বুঝেছেন, দীর্ঘ ক্যারিয়ারে উত্থান–পতন থাকবেই, আর গুরুত্বপূর্ণ হলো, কাজ চালিয়ে যাওয়া আর নতুন প্রজন্মের দর্শকের সঙ্গে সংযোগ রাখা। কমিং টু আমেরিকা, শ্রেক থেকে শুরু করে সাম্প্রতিক নেটফ্লিক্স প্রজেক্ট—সব মিলিয়ে ‘বিইং এডি’ মারফিকে দেখায় একজন শিল্পী হিসেবে, যিনি ব্যর্থতা সামলেও নিজেকে বারবার নতুনভাবে ভাবতে শিখেছেন। যে তিনটি ছবির কথা তিনি আফসোসের সুরে বললেন, তা ভক্তদের জন্য হয়তো মজার ‘হোয়াট ইফ’ কল্পনা; কিন্তু ডকুমেন্টারির মূল বার্তা হলো—নিজের সিদ্ধান্তকে গ্রহণ করে এগিয়ে যাওয়ার মধ্যেই টিকে থাকার শক্তি লুকিয়ে আছে।