১২:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১৬৩)

  • Sarakhon Report
  • ০৩:৩৮:৪৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ মে ২০২৫
  • 332

প্রদীপ কুমার মজুমদার

আলবিরূণী কর্তৃক উদ্ধৃত সকল রচনাংশগুলিরই সঙ্গে সামঞ্জস্থাপূর্ণ অংশ আর্যভটীয় গ্রন্থে পাওয়া যায়। অনেকক্ষেত্রে বাক্যগুলি অভিন্ন। বলা যেতে পারে এই অংশগুলি আলবিরূণী কুসুমপুরের আর্যভটের গ্রন্থ থেকে নিয়েছেন। অন্যান্য উৎসের উদ্ধৃতি গুলি ঠিক মেলে না। অনেক সময় আলবিরুণী নিজের ব্যাখ্যাও উদ্ধৃতির মধ্যে প্রবিষ্ট করিয়েছিলেন।

দু এক জায়গায় কিছু ভুলও রয়ে গেছে। কুসুমপুরের আর্যভাটের গ্রন্থে যাকে কোটিপদ্ম ও পরপদ্ম বলা হয়েছে আর্যভটীয়তে কোটি ও অর্বুদ বলা হয়েছে। কয়েকটি উদ্ধৃতি ভ্রান্তিমিশ্রিত সে যুগেই ছিল একথা আলবিরূণীও বলে গিয়েছেন।

এ সব ভুল আলবিরূণী ব্যবহৃত আকর গ্রন্থের বা আরবী অনুবাদকের বা লিপিকারের যে কোন একজনের হতে পারে। আলবিরূণী এসব বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিলেন। কিছু কিছু অবশ্য নিজে ঠিক করেছেন। আর্যভটীয় গ্রন্থের সঙ্গে একটি উদ্ধৃতির মিল নেই।

এছাড়া বাকি কুড়িটির যথাযথ মিল আছে। এ থেকে বলা যেতে পারে যদিও আলবিরূণী বিভিন্ন উৎস থেকে আর্যভট সম্বন্ধে তথ্য সংগ্রহ করেছিলেন তবু তার মূল ছিল আর্যভটীয় গ্রন্থের উপর।

(চলবে)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১৬২)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১৬২)

 

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১৬৩)

০৩:৩৮:৪৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ মে ২০২৫

প্রদীপ কুমার মজুমদার

আলবিরূণী কর্তৃক উদ্ধৃত সকল রচনাংশগুলিরই সঙ্গে সামঞ্জস্থাপূর্ণ অংশ আর্যভটীয় গ্রন্থে পাওয়া যায়। অনেকক্ষেত্রে বাক্যগুলি অভিন্ন। বলা যেতে পারে এই অংশগুলি আলবিরূণী কুসুমপুরের আর্যভটের গ্রন্থ থেকে নিয়েছেন। অন্যান্য উৎসের উদ্ধৃতি গুলি ঠিক মেলে না। অনেক সময় আলবিরুণী নিজের ব্যাখ্যাও উদ্ধৃতির মধ্যে প্রবিষ্ট করিয়েছিলেন।

দু এক জায়গায় কিছু ভুলও রয়ে গেছে। কুসুমপুরের আর্যভাটের গ্রন্থে যাকে কোটিপদ্ম ও পরপদ্ম বলা হয়েছে আর্যভটীয়তে কোটি ও অর্বুদ বলা হয়েছে। কয়েকটি উদ্ধৃতি ভ্রান্তিমিশ্রিত সে যুগেই ছিল একথা আলবিরূণীও বলে গিয়েছেন।

এ সব ভুল আলবিরূণী ব্যবহৃত আকর গ্রন্থের বা আরবী অনুবাদকের বা লিপিকারের যে কোন একজনের হতে পারে। আলবিরূণী এসব বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিলেন। কিছু কিছু অবশ্য নিজে ঠিক করেছেন। আর্যভটীয় গ্রন্থের সঙ্গে একটি উদ্ধৃতির মিল নেই।

এছাড়া বাকি কুড়িটির যথাযথ মিল আছে। এ থেকে বলা যেতে পারে যদিও আলবিরূণী বিভিন্ন উৎস থেকে আর্যভট সম্বন্ধে তথ্য সংগ্রহ করেছিলেন তবু তার মূল ছিল আর্যভটীয় গ্রন্থের উপর।

(চলবে)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১৬২)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১৬২)