০৪:২৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১৬৮)

  • Sarakhon Report
  • ০৩:৩৯:০৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৭ মে ২০২৫
  • 263

প্রদীপ কুমার মজুমদার

সাধারণ গুণন

ভারতীয় গণিতশাস্ত্রে গুণের প্রচলন বহু আগে থেকেই দেখতে পাওয়া যায়। বিশেষ করে বাৎশালীর পান্ডুলিপি, ব্রাহ্মস্ফুট সিদ্ধান্ত, ত্রিশতিকা, সিদ্ধান্তশেখর ও লীলাবতীতে ব্যাপকভাবে গুণের সংজ্ঞা ও তৎসংক্রান্ত উদাহরণ দেখতে পাওয়া যায়। অত্যন্ত সহজ ও সরল বলেই হয়তো আর্যভটীয়তে এ সম্পর্কে আলোচনা করা হয় নাই।

ভারতীয় গণিতশাস্ত্রে গুণের পরিবর্তে হনন, বধ, ক্ষয় প্রভৃতি নানা প্রকার পারিভাষিক শব্দ ব্যবহার করা হইয়াছে। ৮০০ খ্রীষ্টপূর্বে রচিত শুবস্থএগুলিতে “অভ্যাস” শব্দটি ব্যবহার করা হোত। অবক্ষ এটি অনেক সময় যোগের পরিবর্তে আবার অনেক সময় গুণের পরিবর্তে ব্যবহার করা হোত।

যতদূর মনে হয় পুনঃ পুনঃ যোগ করার ফলেই গুণের উৎপত্তি, হয়তো সেইজন্তেই এটির ব্যবহার হয়ে থাকবে। বাখ শালীর পাণ্ডুলিপিতে গুণের পরিবর্তে “পরস্পরকৃতক” শব্দটি ব্যবহার করা হোত।

যাকে গুণ করা হয় তাকে গুণ্য এবং যার দ্বারা গুণ করা হবে তাকে গুণক বা গুণকার এবং গুণফলকে প্রত্যুৎপন্ন বলা হয়।

(চলবে)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১৬৭)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১৬৭)

 

 

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১৬৮)

০৩:৩৯:০৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৭ মে ২০২৫

প্রদীপ কুমার মজুমদার

সাধারণ গুণন

ভারতীয় গণিতশাস্ত্রে গুণের প্রচলন বহু আগে থেকেই দেখতে পাওয়া যায়। বিশেষ করে বাৎশালীর পান্ডুলিপি, ব্রাহ্মস্ফুট সিদ্ধান্ত, ত্রিশতিকা, সিদ্ধান্তশেখর ও লীলাবতীতে ব্যাপকভাবে গুণের সংজ্ঞা ও তৎসংক্রান্ত উদাহরণ দেখতে পাওয়া যায়। অত্যন্ত সহজ ও সরল বলেই হয়তো আর্যভটীয়তে এ সম্পর্কে আলোচনা করা হয় নাই।

ভারতীয় গণিতশাস্ত্রে গুণের পরিবর্তে হনন, বধ, ক্ষয় প্রভৃতি নানা প্রকার পারিভাষিক শব্দ ব্যবহার করা হইয়াছে। ৮০০ খ্রীষ্টপূর্বে রচিত শুবস্থএগুলিতে “অভ্যাস” শব্দটি ব্যবহার করা হোত। অবক্ষ এটি অনেক সময় যোগের পরিবর্তে আবার অনেক সময় গুণের পরিবর্তে ব্যবহার করা হোত।

যতদূর মনে হয় পুনঃ পুনঃ যোগ করার ফলেই গুণের উৎপত্তি, হয়তো সেইজন্তেই এটির ব্যবহার হয়ে থাকবে। বাখ শালীর পাণ্ডুলিপিতে গুণের পরিবর্তে “পরস্পরকৃতক” শব্দটি ব্যবহার করা হোত।

যাকে গুণ করা হয় তাকে গুণ্য এবং যার দ্বারা গুণ করা হবে তাকে গুণক বা গুণকার এবং গুণফলকে প্রত্যুৎপন্ন বলা হয়।

(চলবে)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১৬৭)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১৬৭)