১২:৫৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১৭২)

  • Sarakhon Report
  • ০৩:৫০:৪৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১১ মে ২০২৫
  • 158

প্রদীপ কুমার মজুমদার

দ্বিতীয় ভাস্করাচার্য সঙ্গে সঙ্গে উদাহরণ দিয়ে সূত্রগুলির প্রয়োগ দেখিয়েছেন।

তিনি বলেছেন-

“বালে বালকুরঙ্গলোলনয়নে লীলাবতি প্রোচ্যতাং পঞ্চত্যেক মিতাদিবাকর গুণা অঙ্কাঃ কতিস্থ্যর্যদি। রূপস্থানবিভাগ খণ্ড গুণনে কল্যাগি কল্যাণিনি ছিন্নান্তেন গুণেন তে চ গুণিতাজাতাঃ কতি স্থ্যর্বদ।”

অর্থাৎ হে মৃগশাবকের ন্যায় চঞ্চল নয়নে কন্যে লীলাবতি। একশত পঁয়ত্রিশকে বার দ্বারা গুণ করিলে কত হইবে বল। হে কল্যাণি। বিভিন্ন অংশ দ্বারা খণ্ড গুণনেই বা কিরূপ হইতে বল।

উদাহরণটি তিনি বিভিন্ন প্রকারে সমাধান করেছেন। তিনি বলেছেন-
ন্যাসঃ। ‘গুণ্য ১৩৫। গুণক ১২।

গুণ্যন্তমস্ক: গুণকের হন্যাদিতি কৃতে জাতম্। ১৬২০। অথবা গুণরূপবিভাগে খণ্ডকৃতে-৮০৪। আভ্যাং পৃথগ গুণ্যে গুণিতে যুতে চ জাতং তদেব! ১৬২০।

অর্থাৎ এই শ্লোকগুলির অর্থ হচ্ছে

“দৃষ্টান্ত। গুণ্য ১৩৫, গুণক ১২। গুণ্য এর শেষ অঙ্ককে গুণকের দ্বারা গুণ করিমে ১৬২০ হইল। অথবা খণ্ড খণ্ড করিয়া গুণ করিলে যথা ৮ দ্বারা গুণ করিয়া ১৭৮০ হইল, পরে ও দ্বারা গুণ করিলে ৫৪০ হইল। এইবার এই দুইটি সংখ্যা যোগ করিলে ১৬১০ হইবে।”

(চলবে)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১৭১)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১৭১)

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১৭২)

০৩:৫০:৪৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১১ মে ২০২৫

প্রদীপ কুমার মজুমদার

দ্বিতীয় ভাস্করাচার্য সঙ্গে সঙ্গে উদাহরণ দিয়ে সূত্রগুলির প্রয়োগ দেখিয়েছেন।

তিনি বলেছেন-

“বালে বালকুরঙ্গলোলনয়নে লীলাবতি প্রোচ্যতাং পঞ্চত্যেক মিতাদিবাকর গুণা অঙ্কাঃ কতিস্থ্যর্যদি। রূপস্থানবিভাগ খণ্ড গুণনে কল্যাগি কল্যাণিনি ছিন্নান্তেন গুণেন তে চ গুণিতাজাতাঃ কতি স্থ্যর্বদ।”

অর্থাৎ হে মৃগশাবকের ন্যায় চঞ্চল নয়নে কন্যে লীলাবতি। একশত পঁয়ত্রিশকে বার দ্বারা গুণ করিলে কত হইবে বল। হে কল্যাণি। বিভিন্ন অংশ দ্বারা খণ্ড গুণনেই বা কিরূপ হইতে বল।

উদাহরণটি তিনি বিভিন্ন প্রকারে সমাধান করেছেন। তিনি বলেছেন-
ন্যাসঃ। ‘গুণ্য ১৩৫। গুণক ১২।

গুণ্যন্তমস্ক: গুণকের হন্যাদিতি কৃতে জাতম্। ১৬২০। অথবা গুণরূপবিভাগে খণ্ডকৃতে-৮০৪। আভ্যাং পৃথগ গুণ্যে গুণিতে যুতে চ জাতং তদেব! ১৬২০।

অর্থাৎ এই শ্লোকগুলির অর্থ হচ্ছে

“দৃষ্টান্ত। গুণ্য ১৩৫, গুণক ১২। গুণ্য এর শেষ অঙ্ককে গুণকের দ্বারা গুণ করিমে ১৬২০ হইল। অথবা খণ্ড খণ্ড করিয়া গুণ করিলে যথা ৮ দ্বারা গুণ করিয়া ১৭৮০ হইল, পরে ও দ্বারা গুণ করিলে ৫৪০ হইল। এইবার এই দুইটি সংখ্যা যোগ করিলে ১৬১০ হইবে।”

(চলবে)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১৭১)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১৭১)