০৮:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-২২৩)

অবধেশ নারায়ণ সিং এ সম্পর্কে একটি সুন্দর উদাহরণ তুলে ধরে দুই পদ্ধতির সামঞ্চস্ত প্রমাণ করেছেন। তাঁর উদাহরণটি এখানে তুলে ধরলাম-

অতএব আর্যভটের পদ্ধতির সঙ্গে কাটানিওর পদ্ধতির মিল রয়েছে। যাই হোক বর্গমূল সম্পর্কে অন্যান্য ভারতীয় গণিতবিদরা কে কি বলেছেন দেখা যাক।
ত্রিশতিকায় শ্রীধরাচার্য বলেছেন-

“বিষমাত, পদতস্ত্যক্ত। বর্গং স্থানচ্যুতেন মূলেন

দ্বিগুণেন ভজেচ্ছেযং লব্ধং বিনিবেশয়েত, পড়ুক্তাম্।

তন্বর্গং সংশোধ্য দ্বিগুণী কুর্বীত পূর্ব লব্ধং যত,

উত,সার্থ ততো বিভজেচ্ছেষং দ্বিগুণীকৃতং দলয়েত,। ১২/১৩।”

গণিতসার সংগ্রহে মহাবীর বলেছেন-

“অন্ত্যোজাদপহৃতকৃতি মূলেন দ্বিগুণিতেন যুগ্মাদ্ধতৌ।

লঙ্কৃতিন্ত্যাজ্যোঁজে দ্বিগুণপদলং বর্গমূলফলম্॥”

ঘনমূল

বর্গমূলের মত ঘনমূলের সম্পর্কে আলোচনা ভারতীয় গণিতশাস্ত্রে প্রচুর দেখতে পাওয়া যায়। তবে এ সম্পর্কে পদ্ধতিগত ভাবে প্রথম আলোচনা করেন প্রথম আর্যভট। এরপর শ্রীধরাচার্য, দ্বিতীয় আর্যভট, ব্রহ্মগুপ্ত, ভাস্করাচার্য প্রমুখেরা ব্যাপক আলোচনা করেছেন। দ্বিতীয় ভাস্করাচার্য লীলাবতী গ্রন্থে বলেছেন-

“আ্যং ঘনস্থান যথাঘনে যে পুনস্তখান্ত্যদ্যনতোবিশোধ্যম্। ঘনং পৃথকস্থৎ পদমস্তা কৃত্যা ত্রিগ্ন্যা তদাখ্যং বিভজেৎ ফলন্ত। পঙক্তপংন্যদেৎ তৎকৃতিমন্ত্যনিম্নীং ত্রিগ্নীং ত্যজেৎ তৎ প্রথমাৎ ফলক্ষ্য। তদাখ্যাদ্যনমূলমেবং পঙক্তির্ভবেদেব মতঃ পুনশ্চ।”

(চলবে)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-২২২)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-২২২)

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-২২৩)

০৩:৫৮:৩৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ জুলাই ২০২৫

অবধেশ নারায়ণ সিং এ সম্পর্কে একটি সুন্দর উদাহরণ তুলে ধরে দুই পদ্ধতির সামঞ্চস্ত প্রমাণ করেছেন। তাঁর উদাহরণটি এখানে তুলে ধরলাম-

অতএব আর্যভটের পদ্ধতির সঙ্গে কাটানিওর পদ্ধতির মিল রয়েছে। যাই হোক বর্গমূল সম্পর্কে অন্যান্য ভারতীয় গণিতবিদরা কে কি বলেছেন দেখা যাক।
ত্রিশতিকায় শ্রীধরাচার্য বলেছেন-

“বিষমাত, পদতস্ত্যক্ত। বর্গং স্থানচ্যুতেন মূলেন

দ্বিগুণেন ভজেচ্ছেযং লব্ধং বিনিবেশয়েত, পড়ুক্তাম্।

তন্বর্গং সংশোধ্য দ্বিগুণী কুর্বীত পূর্ব লব্ধং যত,

উত,সার্থ ততো বিভজেচ্ছেষং দ্বিগুণীকৃতং দলয়েত,। ১২/১৩।”

গণিতসার সংগ্রহে মহাবীর বলেছেন-

“অন্ত্যোজাদপহৃতকৃতি মূলেন দ্বিগুণিতেন যুগ্মাদ্ধতৌ।

লঙ্কৃতিন্ত্যাজ্যোঁজে দ্বিগুণপদলং বর্গমূলফলম্॥”

ঘনমূল

বর্গমূলের মত ঘনমূলের সম্পর্কে আলোচনা ভারতীয় গণিতশাস্ত্রে প্রচুর দেখতে পাওয়া যায়। তবে এ সম্পর্কে পদ্ধতিগত ভাবে প্রথম আলোচনা করেন প্রথম আর্যভট। এরপর শ্রীধরাচার্য, দ্বিতীয় আর্যভট, ব্রহ্মগুপ্ত, ভাস্করাচার্য প্রমুখেরা ব্যাপক আলোচনা করেছেন। দ্বিতীয় ভাস্করাচার্য লীলাবতী গ্রন্থে বলেছেন-

“আ্যং ঘনস্থান যথাঘনে যে পুনস্তখান্ত্যদ্যনতোবিশোধ্যম্। ঘনং পৃথকস্থৎ পদমস্তা কৃত্যা ত্রিগ্ন্যা তদাখ্যং বিভজেৎ ফলন্ত। পঙক্তপংন্যদেৎ তৎকৃতিমন্ত্যনিম্নীং ত্রিগ্নীং ত্যজেৎ তৎ প্রথমাৎ ফলক্ষ্য। তদাখ্যাদ্যনমূলমেবং পঙক্তির্ভবেদেব মতঃ পুনশ্চ।”

(চলবে)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-২২২)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-২২২)