০২:৩৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা ( পর্ব-২৯)

  • Sarakhon Report
  • ১০:০০:১৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৪
  • 144

প্রদীপ কুমার মজুমদার

সামবেদের অন্তর্গত গোপথ ব্রাহ্মণে অক্ষর ও বর্ণের লক্ষণ লেখা আছে। তাণ্ড্য ব্রাহ্মণেও অক্ষর ও বর্ণের আভাস পাওয়া যায়। বিভিন্ন উপনিষদে বর্ণ, স্বর, মাত্রা প্রভৃতি সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

মনুসংহিতার অষ্টম অধ্যায়ের ১৪৮ শ্লোকে “লেখিত” শব্দ ব্যবহৃত হয়েছে। এখানে বলা হয়েছে-

বলাদ্দক্তং বলাভুক্তং বলাদ যজ্ঞাপি লেখিতম্। সর্ব্বান্ বলঙ্কতানর্থাকৃতান্ মনুবব্রবীৎ।

অর্থাৎ “বলপূর্বক যাহা কিছু দত্ত হয়। বলপূর্বক যাহা কিছু ভুক্ত হয়। বল পূর্বক যাহা লেখিত হয় সকলই অসিদ্ধ, ইহা মনু বলিয়াছেন।” রামায়ণের সময়েও লিপির প্রচলন ছিল। কারণ সীতার বিশ্বাস জন্মাবার জন্য হনুমান রাম নামাঙ্কিত স্বর্ণাঙ্গুরীয় সীতাকে দেখিয়েছিলেন। মহাভারতের শান্তিপর্বে ব্রাহ্মীলিপির কথা উল্লেখ আছে।

পদ্মপুরাণের পাতাল খণ্ডের কোন একজায়গায় বলা হয়েছে:

“শ্রীতালপত্রলিখিতং দেবলিপ্যন্বিতং শুভম্” অর্থাৎ তালপত্রে দেবাক্ষর লিখিত সুন্দর পুস্তকের পূজা করিবেন। অবশ্য এই দেবলিপির আকৃতি কেমন হ’বে সে কথাও এখানে বেশ ভালভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। বিখ্যাত ব্যাকরণবিদ পাণিনির গ্রন্থে তাঁর পূর্বে যাস্ক, পারস্কর, শাকটায়ন, ব্যাস ও তাঁহার শিল্প প্রশিষ্যেরা যো গ্রন্থ রচনা করেছেন সে কথা উল্লেখ আছে। পাণিনির ব্যাকরণে ‘গ্রন্থ’ শব্দটি বহুবার দেখা যায়। যেমন তিনি কোথাও লিখেছেন “কৃতে গ্রন্থে”, ‘গ্রন্থাতাধিকে’, “অধিকৃত্যা রুতে গ্রন্থে’, ‘সমুদ্রাঙভো জনোহগ্রন্থে’ প্রভৃতি শব্দ।

(চলবে)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা ( পর্ব-২৮)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা ( পর্ব-২৮)

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা ( পর্ব-২৯)

১০:০০:১৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৪

প্রদীপ কুমার মজুমদার

সামবেদের অন্তর্গত গোপথ ব্রাহ্মণে অক্ষর ও বর্ণের লক্ষণ লেখা আছে। তাণ্ড্য ব্রাহ্মণেও অক্ষর ও বর্ণের আভাস পাওয়া যায়। বিভিন্ন উপনিষদে বর্ণ, স্বর, মাত্রা প্রভৃতি সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

মনুসংহিতার অষ্টম অধ্যায়ের ১৪৮ শ্লোকে “লেখিত” শব্দ ব্যবহৃত হয়েছে। এখানে বলা হয়েছে-

বলাদ্দক্তং বলাভুক্তং বলাদ যজ্ঞাপি লেখিতম্। সর্ব্বান্ বলঙ্কতানর্থাকৃতান্ মনুবব্রবীৎ।

অর্থাৎ “বলপূর্বক যাহা কিছু দত্ত হয়। বলপূর্বক যাহা কিছু ভুক্ত হয়। বল পূর্বক যাহা লেখিত হয় সকলই অসিদ্ধ, ইহা মনু বলিয়াছেন।” রামায়ণের সময়েও লিপির প্রচলন ছিল। কারণ সীতার বিশ্বাস জন্মাবার জন্য হনুমান রাম নামাঙ্কিত স্বর্ণাঙ্গুরীয় সীতাকে দেখিয়েছিলেন। মহাভারতের শান্তিপর্বে ব্রাহ্মীলিপির কথা উল্লেখ আছে।

পদ্মপুরাণের পাতাল খণ্ডের কোন একজায়গায় বলা হয়েছে:

“শ্রীতালপত্রলিখিতং দেবলিপ্যন্বিতং শুভম্” অর্থাৎ তালপত্রে দেবাক্ষর লিখিত সুন্দর পুস্তকের পূজা করিবেন। অবশ্য এই দেবলিপির আকৃতি কেমন হ’বে সে কথাও এখানে বেশ ভালভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। বিখ্যাত ব্যাকরণবিদ পাণিনির গ্রন্থে তাঁর পূর্বে যাস্ক, পারস্কর, শাকটায়ন, ব্যাস ও তাঁহার শিল্প প্রশিষ্যেরা যো গ্রন্থ রচনা করেছেন সে কথা উল্লেখ আছে। পাণিনির ব্যাকরণে ‘গ্রন্থ’ শব্দটি বহুবার দেখা যায়। যেমন তিনি কোথাও লিখেছেন “কৃতে গ্রন্থে”, ‘গ্রন্থাতাধিকে’, “অধিকৃত্যা রুতে গ্রন্থে’, ‘সমুদ্রাঙভো জনোহগ্রন্থে’ প্রভৃতি শব্দ।

(চলবে)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা ( পর্ব-২৮)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা ( পর্ব-২৮)