০২:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৩৫৫)

মহাবীর এ প্রসঙ্গে বলেছেন-

কর্ণকৃতৌ দ্বিগুণায়াং রজ্জর্ধকৃতিং বিশোধ্য তন্ম লম্।
রজ্জর্ধে সংক্রমণীরুতে ভুজা কোটিরপি ভবতি।

অর্থাৎ কোন আয়তক্ষেত্রের বাহুদ্বয় ৫ এবং b হলে =কর্ণ হবেঃ এবং 2a + 2b = আয়তক্ষেত্রের পরিধি হবে।

তাহলে উপযুক্ত শ্লোকের মর্মার্থ হবে

লক্ষ্যণীয় যে মহাবীরের উদাহরণটি ক্ষেত্রফলের সঙ্গে জড়িত আছে।

এই চার জোড়া সমীকরণ ছাড়াও দ্বিঘাত সহ সমীকরণের আরও দুই ধরণের দ্বিঘাত সহ সমীকরণ দেখতে পাওয়া যায়। এগুলি নারায়ণ তাঁর গণিত কৌমুদীতে দিয়েছেন।

এই দুই জোড়া সমীকরণ গণিত কৌমুদীতে দেখতে পাওয়া যায়।

ভারতীয় গণিতশাস্ত্রে বীজগণিতের কতকগুলি সমীকরণকে বিশেষ পদ্ধতির সাহায্যে সমাধান করা হয়েছে এবং এই পদ্ধতিকে ‘বিষম কর্ম’ বলে উল্লেখ করা করা হয়েছে।

এই দু জোড়া সমীকরণের সমাধান ভারতীয়রা করেছিলেন এবং এই সমাধানগুলি আধুনিক গণিতের ভাষায় লিখলে দাঁড়ায়

ব্রহ্মগুপ্ত এই প্রসঙ্গে বলেছেন

যোগোহন্তর যুতহীনো দ্বিহৃতঃ সংক্রমণমন্তরবিভক্তং বা।
“বর্গান্তরমন্তরযুতহীনং দ্বিহৃতং বিষমকর্ম। “

অর্থাৎ “দুটি রাশির বর্গান্তরকে রূপান্তর দিয়ে ভাগ দিয়ে যে-লব্ধি পাওয়া যাবে তার সঙ্গে রাশ্যান্তর যোগ ও হীন করে অর্ধেক নিলে সংখ্যা দুটি পাওয়া যাবে।” এখানে x²  – y ²  = m কে বর্গান্তর বলা হচ্ছে এবং x-y-n কে রাশ্যান্তর বলা হচ্ছে।

(চলবে)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৩৫৪)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৩৫৪)

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৩৫৫)

০৪:৫৩:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

মহাবীর এ প্রসঙ্গে বলেছেন-

কর্ণকৃতৌ দ্বিগুণায়াং রজ্জর্ধকৃতিং বিশোধ্য তন্ম লম্।
রজ্জর্ধে সংক্রমণীরুতে ভুজা কোটিরপি ভবতি।

অর্থাৎ কোন আয়তক্ষেত্রের বাহুদ্বয় ৫ এবং b হলে =কর্ণ হবেঃ এবং 2a + 2b = আয়তক্ষেত্রের পরিধি হবে।

তাহলে উপযুক্ত শ্লোকের মর্মার্থ হবে

লক্ষ্যণীয় যে মহাবীরের উদাহরণটি ক্ষেত্রফলের সঙ্গে জড়িত আছে।

এই চার জোড়া সমীকরণ ছাড়াও দ্বিঘাত সহ সমীকরণের আরও দুই ধরণের দ্বিঘাত সহ সমীকরণ দেখতে পাওয়া যায়। এগুলি নারায়ণ তাঁর গণিত কৌমুদীতে দিয়েছেন।

এই দুই জোড়া সমীকরণ গণিত কৌমুদীতে দেখতে পাওয়া যায়।

ভারতীয় গণিতশাস্ত্রে বীজগণিতের কতকগুলি সমীকরণকে বিশেষ পদ্ধতির সাহায্যে সমাধান করা হয়েছে এবং এই পদ্ধতিকে ‘বিষম কর্ম’ বলে উল্লেখ করা করা হয়েছে।

এই দু জোড়া সমীকরণের সমাধান ভারতীয়রা করেছিলেন এবং এই সমাধানগুলি আধুনিক গণিতের ভাষায় লিখলে দাঁড়ায়

ব্রহ্মগুপ্ত এই প্রসঙ্গে বলেছেন

যোগোহন্তর যুতহীনো দ্বিহৃতঃ সংক্রমণমন্তরবিভক্তং বা।
“বর্গান্তরমন্তরযুতহীনং দ্বিহৃতং বিষমকর্ম। “

অর্থাৎ “দুটি রাশির বর্গান্তরকে রূপান্তর দিয়ে ভাগ দিয়ে যে-লব্ধি পাওয়া যাবে তার সঙ্গে রাশ্যান্তর যোগ ও হীন করে অর্ধেক নিলে সংখ্যা দুটি পাওয়া যাবে।” এখানে x²  – y ²  = m কে বর্গান্তর বলা হচ্ছে এবং x-y-n কে রাশ্যান্তর বলা হচ্ছে।

(চলবে)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৩৫৪)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৩৫৪)