০৫:০৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

হিউএনচাঙ (পর্ব-৬৪)

  • Sarakhon Report
  • ০৯:০০:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ এপ্রিল ২০২৫
  • 326

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

এই অলৌকিক দৃশ্য দেখবার পর ধর্মগুরু দেখলেন, ছয়টি লোক বাইরে দাঁড়িয়ে আছে। ধর্মগুরু তাদের ধূপধুনা আর আগুন আনতে বললেন। আগুন ভিতরে আনতেই বুদ্ধের ছায়া অদৃশ্য হল। তখনই তিনি আগুন নিবিয়ে ফেললেন, আর ছায়া আবার আভিভূত হল।

ঐ ছয় ব্যক্তির মধ্যে পাঁচ জন ছায়া দেখতে পেয়েছিল। কিন্তু একজন কিছুই দেখতে পায় নি। এও কেবল মুহূর্ত মাত্র থেকে আবার মিলিয়ে গেল। হিউএন-চাঙ ভক্তিভরে প্রণত হয়ে বুদ্ধের আরাধনা করতে করতে ফুল আর পূজা নিবেদন করলেন। তার পর সেখান থেকে বিদায় নিলেন।

নগরহার ছেড়ে হিউএনচাঙ খাইবার পাশের ভিতর দিয়ে এসে গান্ধারের প্রধান নগর পুরুষপুর (পেশাওয়ার) এলেন। এইখানেই কুষাণ সম্রাট কণিষ্কের শীতকালের রাজধানী ছিল। গ্রীষ্মকালে তিনি কাপিশীতে থাকতেন।

‘হিউএনচাঙ মহাযানের যে শাখার অনুগামী ছিলেন, তার স্থাপয়িতা দার্শনিক ভ্রাতৃদ্বয় অসঙ্গ ও বসুবন্ধু, হিউএনচাঙের দুই শত বর্ষ আগে পুরুষপুরেই জন্মগ্রহণ করেন। এখানে এসে তিনি এ কথা আনন্দে স্মরণ করলেন।

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৬৩)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৬৩)

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

হিউএনচাঙ (পর্ব-৬৪)

০৯:০০:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ এপ্রিল ২০২৫

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

এই অলৌকিক দৃশ্য দেখবার পর ধর্মগুরু দেখলেন, ছয়টি লোক বাইরে দাঁড়িয়ে আছে। ধর্মগুরু তাদের ধূপধুনা আর আগুন আনতে বললেন। আগুন ভিতরে আনতেই বুদ্ধের ছায়া অদৃশ্য হল। তখনই তিনি আগুন নিবিয়ে ফেললেন, আর ছায়া আবার আভিভূত হল।

ঐ ছয় ব্যক্তির মধ্যে পাঁচ জন ছায়া দেখতে পেয়েছিল। কিন্তু একজন কিছুই দেখতে পায় নি। এও কেবল মুহূর্ত মাত্র থেকে আবার মিলিয়ে গেল। হিউএন-চাঙ ভক্তিভরে প্রণত হয়ে বুদ্ধের আরাধনা করতে করতে ফুল আর পূজা নিবেদন করলেন। তার পর সেখান থেকে বিদায় নিলেন।

নগরহার ছেড়ে হিউএনচাঙ খাইবার পাশের ভিতর দিয়ে এসে গান্ধারের প্রধান নগর পুরুষপুর (পেশাওয়ার) এলেন। এইখানেই কুষাণ সম্রাট কণিষ্কের শীতকালের রাজধানী ছিল। গ্রীষ্মকালে তিনি কাপিশীতে থাকতেন।

‘হিউএনচাঙ মহাযানের যে শাখার অনুগামী ছিলেন, তার স্থাপয়িতা দার্শনিক ভ্রাতৃদ্বয় অসঙ্গ ও বসুবন্ধু, হিউএনচাঙের দুই শত বর্ষ আগে পুরুষপুরেই জন্মগ্রহণ করেন। এখানে এসে তিনি এ কথা আনন্দে স্মরণ করলেন।

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৬৩)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৬৩)