০১:৫৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬
হরমুজ খুলতে ইরানের নতুন প্রস্তাব পাকিস্তান হয়ে যুক্তরাষ্ট্রে পাঠানো হয়েছে লেবানন যুদ্ধবিরতি ভঙ্গুর: মার্চ থেকে ২,৫০৯ জন নিহত, ইসরায়েলি হামলা অব্যাহত ২০০৩-এর পর প্রথমবার মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন তিনটি বিমানবাহী রণতরী, উত্তেজনা তীব্র টানা ১১তম বছরে রেকর্ড: বৈশ্বিক সামরিক ব্যয় ২০২৫ সালে ২.৯ ট্রিলিয়ন ডলার ২১ বছর পর গাজা ও পশ্চিম তীরে স্থানীয় নির্বাচন, ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ নতুন পথে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় এআই মামলা শুরু: মাস্ক বনাম অ্যালটম্যান আদালতে হোয়াইট হাউস করেসপন্ডেন্টস ডিনারে হামলার আসামি আদালতে, ট্রাম্প প্রশাসনকে টার্গেট করার পরিকল্পনা ছিল হরমুজ প্রণালী আর আগের মতো থাকবে না: ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতার ঘোষণা মার্কিন-ইরান শান্তি আলোচনা ভেঙে পড়েছে, আরাঘচি পুতিনের সঙ্গে বৈঠকে সেন্ট পিটার্সবার্গে চট্টগ্রামের রাউজানে যুবদল কর্মী গুলিতে নিহত

হিউএনচাঙ (পর্ব-৬৩)

  • Sarakhon Report
  • ০৯:০০:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ এপ্রিল ২০২৫
  • 231

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

তখন, অলৌকিক ঘটনা ঘটল। এই ভাবে শতবার প্রণত হবার পর পূবের দেওয়ালে ভিক্ষুর ভিক্ষাপাত্রের আকারের একটা আলোর আভা মুহূর্তের জন্যে তিনি দেখতে পেলেন। দুঃখে, আনন্দে আবার আরাধনা করতে লাগলেন, আবার ক্ষণিকের জন্যে তার চেয়েও একটা বড় আভা দেখতে পেলেন।

প্রেম ও উৎসাহে পূর্ণ হয়ে তিনি শপথ করলেন যে, পবিত্র ছায়া না দেখে তিনি কিছুতেই যাবেন না। এই ভাবে আরাধনা করতে করতে হঠাৎ সমস্ত গুহাটা একটা প্রভায় সমুজ্জ্বল হয়ে উঠল আর হঠাৎ মেঘ কেটে গিয়ে যেমন স্বর্ণপর্বতের আশ্চর্য দৃশ্য দেখা যায়, তেমনি পূর্ব দেওয়ালে উজ্জ্বল শ্বেতবর্ণে তথাগতের মহিমময় ছায়ার প্রকাশ হল!

তাঁর দৈব আনন অত্যুজ্জ্বল প্রভাময়! হিউএনচাঙ গভীর আনন্দে পূর্ণ হয়ে তাঁর মহিমান্বিত অনুপম আরাধ্যকে দেখতে লাগলেন। বুদ্ধের শরীর আর সন্ন্যাস-বস্ত্র গৈরিক বর্ণের ছিল। হাঁটুর উপরের সমস্ত শরীরের শোভা সমুজ্জল ছিল। কিন্তু নীচের কমলাসন কতকটা ঝাপসা ছিল। তাঁর ডাইনে বামে পিছনে বোধিসত্ত্বদের আর পুণ্যাত্মা ভিক্ষুদের ছায়া দেখা যাচ্ছিল।

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৬২)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৬২)

 

হরমুজ খুলতে ইরানের নতুন প্রস্তাব পাকিস্তান হয়ে যুক্তরাষ্ট্রে পাঠানো হয়েছে

হিউএনচাঙ (পর্ব-৬৩)

০৯:০০:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ এপ্রিল ২০২৫

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

তখন, অলৌকিক ঘটনা ঘটল। এই ভাবে শতবার প্রণত হবার পর পূবের দেওয়ালে ভিক্ষুর ভিক্ষাপাত্রের আকারের একটা আলোর আভা মুহূর্তের জন্যে তিনি দেখতে পেলেন। দুঃখে, আনন্দে আবার আরাধনা করতে লাগলেন, আবার ক্ষণিকের জন্যে তার চেয়েও একটা বড় আভা দেখতে পেলেন।

প্রেম ও উৎসাহে পূর্ণ হয়ে তিনি শপথ করলেন যে, পবিত্র ছায়া না দেখে তিনি কিছুতেই যাবেন না। এই ভাবে আরাধনা করতে করতে হঠাৎ সমস্ত গুহাটা একটা প্রভায় সমুজ্জ্বল হয়ে উঠল আর হঠাৎ মেঘ কেটে গিয়ে যেমন স্বর্ণপর্বতের আশ্চর্য দৃশ্য দেখা যায়, তেমনি পূর্ব দেওয়ালে উজ্জ্বল শ্বেতবর্ণে তথাগতের মহিমময় ছায়ার প্রকাশ হল!

তাঁর দৈব আনন অত্যুজ্জ্বল প্রভাময়! হিউএনচাঙ গভীর আনন্দে পূর্ণ হয়ে তাঁর মহিমান্বিত অনুপম আরাধ্যকে দেখতে লাগলেন। বুদ্ধের শরীর আর সন্ন্যাস-বস্ত্র গৈরিক বর্ণের ছিল। হাঁটুর উপরের সমস্ত শরীরের শোভা সমুজ্জল ছিল। কিন্তু নীচের কমলাসন কতকটা ঝাপসা ছিল। তাঁর ডাইনে বামে পিছনে বোধিসত্ত্বদের আর পুণ্যাত্মা ভিক্ষুদের ছায়া দেখা যাচ্ছিল।

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৬২)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৬২)