১১:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
ঢাকার বাস টার্মিনাল এখনই সরছে না, বাইরে থাকবে ডিপো—জানালেন সড়ক পরিবহনমন্ত্রী জাবিতে মাদককাণ্ড: দুই ছাত্রীকে দুই বছরের জন্য বহিষ্কার, একজনের বিরুদ্ধে মামলার সুপারিশ চীনের ইভি যুদ্ধে নতুন অস্ত্র: নিজস্ব স্মার্ট-ড্রাইভিং চিপে ঝুঁকছে গাড়ি নির্মাতারা নরেন্দ্র মোদি ও ডোনাল্ড ট্রাম্পের ১৬ মাস পর মুখোমুখি, জি৭ সম্মেলনে পাশাপাশি আসন জি৭ সম্মেলনে রাশিয়ার ওপর আরও চাপের সিদ্ধান্ত, ট্রাম্প-জেলেনস্কি বৈঠকে ইউক্রেন ইস্যুতে নতুন বার্তা উপজেলায় এমপিদের জন্য ‘পরিদর্শন কক্ষ’, প্রতিটি উপজেলায় বরাদ্দ ৬ লাখ টাকা চীনের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত, মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট মিন অং হ্লাইংয়ের সঙ্গে শি জিনপিংয়ের বৈঠক মুহাররমের চাঁদ দেখা যায়নি, পাকিস্তানে ২৬ জুন পালিত হবে আশুরা রয়টার্স এর প্রতিবেদনঃ বাংলাদেশ ভারতের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাকে দিল্লি বিমানবন্দরে ‘জিজ্ঞাসাবাদ’ করার প্রতিবাদ জানিয়েছে লালমনিরহাটে শিশু হত্যাকাণ্ড ঘিরে সংঘর্ষ: এসপি-ওসিসহ আহত ২০, আটক প্রধান সন্দেহভাজন

হিউএনচাঙ (পর্ব-৬৩)

  • Sarakhon Report
  • ০৯:০০:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ এপ্রিল ২০২৫
  • 248

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

তখন, অলৌকিক ঘটনা ঘটল। এই ভাবে শতবার প্রণত হবার পর পূবের দেওয়ালে ভিক্ষুর ভিক্ষাপাত্রের আকারের একটা আলোর আভা মুহূর্তের জন্যে তিনি দেখতে পেলেন। দুঃখে, আনন্দে আবার আরাধনা করতে লাগলেন, আবার ক্ষণিকের জন্যে তার চেয়েও একটা বড় আভা দেখতে পেলেন।

প্রেম ও উৎসাহে পূর্ণ হয়ে তিনি শপথ করলেন যে, পবিত্র ছায়া না দেখে তিনি কিছুতেই যাবেন না। এই ভাবে আরাধনা করতে করতে হঠাৎ সমস্ত গুহাটা একটা প্রভায় সমুজ্জ্বল হয়ে উঠল আর হঠাৎ মেঘ কেটে গিয়ে যেমন স্বর্ণপর্বতের আশ্চর্য দৃশ্য দেখা যায়, তেমনি পূর্ব দেওয়ালে উজ্জ্বল শ্বেতবর্ণে তথাগতের মহিমময় ছায়ার প্রকাশ হল!

তাঁর দৈব আনন অত্যুজ্জ্বল প্রভাময়! হিউএনচাঙ গভীর আনন্দে পূর্ণ হয়ে তাঁর মহিমান্বিত অনুপম আরাধ্যকে দেখতে লাগলেন। বুদ্ধের শরীর আর সন্ন্যাস-বস্ত্র গৈরিক বর্ণের ছিল। হাঁটুর উপরের সমস্ত শরীরের শোভা সমুজ্জল ছিল। কিন্তু নীচের কমলাসন কতকটা ঝাপসা ছিল। তাঁর ডাইনে বামে পিছনে বোধিসত্ত্বদের আর পুণ্যাত্মা ভিক্ষুদের ছায়া দেখা যাচ্ছিল।

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৬২)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৬২)

 

জনপ্রিয় সংবাদ

ঢাকার বাস টার্মিনাল এখনই সরছে না, বাইরে থাকবে ডিপো—জানালেন সড়ক পরিবহনমন্ত্রী

হিউএনচাঙ (পর্ব-৬৩)

০৯:০০:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ এপ্রিল ২০২৫

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

তখন, অলৌকিক ঘটনা ঘটল। এই ভাবে শতবার প্রণত হবার পর পূবের দেওয়ালে ভিক্ষুর ভিক্ষাপাত্রের আকারের একটা আলোর আভা মুহূর্তের জন্যে তিনি দেখতে পেলেন। দুঃখে, আনন্দে আবার আরাধনা করতে লাগলেন, আবার ক্ষণিকের জন্যে তার চেয়েও একটা বড় আভা দেখতে পেলেন।

প্রেম ও উৎসাহে পূর্ণ হয়ে তিনি শপথ করলেন যে, পবিত্র ছায়া না দেখে তিনি কিছুতেই যাবেন না। এই ভাবে আরাধনা করতে করতে হঠাৎ সমস্ত গুহাটা একটা প্রভায় সমুজ্জ্বল হয়ে উঠল আর হঠাৎ মেঘ কেটে গিয়ে যেমন স্বর্ণপর্বতের আশ্চর্য দৃশ্য দেখা যায়, তেমনি পূর্ব দেওয়ালে উজ্জ্বল শ্বেতবর্ণে তথাগতের মহিমময় ছায়ার প্রকাশ হল!

তাঁর দৈব আনন অত্যুজ্জ্বল প্রভাময়! হিউএনচাঙ গভীর আনন্দে পূর্ণ হয়ে তাঁর মহিমান্বিত অনুপম আরাধ্যকে দেখতে লাগলেন। বুদ্ধের শরীর আর সন্ন্যাস-বস্ত্র গৈরিক বর্ণের ছিল। হাঁটুর উপরের সমস্ত শরীরের শোভা সমুজ্জল ছিল। কিন্তু নীচের কমলাসন কতকটা ঝাপসা ছিল। তাঁর ডাইনে বামে পিছনে বোধিসত্ত্বদের আর পুণ্যাত্মা ভিক্ষুদের ছায়া দেখা যাচ্ছিল।

(চলবে)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৬২)

হিউএনচাঙ (পর্ব-৬২)