০৯:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬
ভারতের ডিজিটাল জনগণনা মাঠে: তাপদাহ, নিরাপত্তা শঙ্কা ও প্রযুক্তিগত বাধায় বিপাকে গণনাকারীরা পাঁচ বছর না খেয়েও বেঁচে থাকে গভীর সমুদ্রের এই প্রাণী, জানাল নতুন গবেষণা হরমুজ সংকট কাটলেও বিশ্ব অর্থনীতির স্বস্তি ফিরতে সময় লাগবে ক্রিকেট পিচের বিজ্ঞান ও শিল্প: কেন একেক উইকেট বদলে দেয় ম্যাচের ভাগ্য রবিন হুডের অন্ধকার অধ্যায়: কিংবদন্তিকে নতুনভাবে দেখাল ‘দ্য ডেথ অব রবিন হুড’ প্লেভের সাফল্যে উজ্জীবিত দক্ষিণ কোরিয়ার ভার্চুয়াল আইডল বাজার, একের পর এক নতুন গ্রুপের আত্মপ্রকাশ গাজীপুরের টঙ্গীতে মবিল রিসাইক্লিং কারখানায় আগুন, দেড় ঘণ্টার চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে সাইবার হামলা কি যুদ্ধের সমান? আন্তর্জাতিক আইনের নতুন সীমারেখা শাহ মাহমুদ কোরেশি খালাস, ৯ মে মামলায় ইয়াসমিন রশিদসহ চার পিটিআই নেতা ১০ বছরের কারাদণ্ড এআই দুনিয়ায় নতুন শক্তি হতে চায় জেন স্ট্রিট, গোপনীয়তা ভেঙে বিনিয়োগে বড় পদক্ষেপ

স্লো-লিভিং: শহরের ছোট বদলে বড় স্থিতি

সচেতন পছন্দ, ব্যবহারিক জীবনযাপন

স্লো-লিভিং মানে কম কিনে বেশি ব্যবহার করা। একটি মেরামত করা জামা কিনতে যাওয়ার আগে ঠিক করে ফেললে এবং সপ্তাহে দু’দিন বাড়িতে রান্না করলে সময় ও খরচ দুইই বাঁচে। ঘরের অপ্রয়োজনীয় জিনিস কমলেই জায়গা ও মন দুটোই বড় হয়। নিয়মিত ছোট রুটিন—সকালের চা, স্থানীয় বাজার, মাসিক মেরামত—দিনকে সুসংগঠিত করে।

স্থানীয় কারিগর ও টেকসই স্টাইল

স্থানীয় মানুষের তৈরি জিনিস কেনা অর্থ স্থানীয় অর্থনীতিতে ফিরে যায় এবং কারিগরদের দক্ষতা সংরক্ষণ করে। পুনরায় ব্যবহার বা মেরামত সুবিধা দেওয়া নির্মাতাদের নোট করুন। ঋতুভিত্তিক খাবার ও ছোট বাজারে কেনাকাটা খরচ কমায় এবং একটি সামাজিক রুটিন গড়ে তোলে—নিয়মিত বিক্রেতা, পরিচিত কফিশপ, কোনো হস্তশিল্পীর সঙ্গে সম্পর্ক। মূল কথা: মেরামতকে অগ্রাধিকার দিন, বাড়িতে রান্না বাড়ান এবং প্রতি মরসুমে একটি হস্তশিল্পী তৈরি আইটেম নিন—ধীরে ধীরে জীবনধারা বদলে যাবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভারতের ডিজিটাল জনগণনা মাঠে: তাপদাহ, নিরাপত্তা শঙ্কা ও প্রযুক্তিগত বাধায় বিপাকে গণনাকারীরা

স্লো-লিভিং: শহরের ছোট বদলে বড় স্থিতি

০৩:৪০:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ নভেম্বর ২০২৫

সচেতন পছন্দ, ব্যবহারিক জীবনযাপন

স্লো-লিভিং মানে কম কিনে বেশি ব্যবহার করা। একটি মেরামত করা জামা কিনতে যাওয়ার আগে ঠিক করে ফেললে এবং সপ্তাহে দু’দিন বাড়িতে রান্না করলে সময় ও খরচ দুইই বাঁচে। ঘরের অপ্রয়োজনীয় জিনিস কমলেই জায়গা ও মন দুটোই বড় হয়। নিয়মিত ছোট রুটিন—সকালের চা, স্থানীয় বাজার, মাসিক মেরামত—দিনকে সুসংগঠিত করে।

স্থানীয় কারিগর ও টেকসই স্টাইল

স্থানীয় মানুষের তৈরি জিনিস কেনা অর্থ স্থানীয় অর্থনীতিতে ফিরে যায় এবং কারিগরদের দক্ষতা সংরক্ষণ করে। পুনরায় ব্যবহার বা মেরামত সুবিধা দেওয়া নির্মাতাদের নোট করুন। ঋতুভিত্তিক খাবার ও ছোট বাজারে কেনাকাটা খরচ কমায় এবং একটি সামাজিক রুটিন গড়ে তোলে—নিয়মিত বিক্রেতা, পরিচিত কফিশপ, কোনো হস্তশিল্পীর সঙ্গে সম্পর্ক। মূল কথা: মেরামতকে অগ্রাধিকার দিন, বাড়িতে রান্না বাড়ান এবং প্রতি মরসুমে একটি হস্তশিল্পী তৈরি আইটেম নিন—ধীরে ধীরে জীবনধারা বদলে যাবে।