০২:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬
জাপানের ‘সিলিকন দ্বীপ’ হতে চলেছে হোক্কাইডো, সেমিকন্ডাক্টর বিপ্লবে বদলে যেতে পারে অর্থনীতির ভবিষ্যৎ শিশু কখন অপরাধী? দায়িত্বের বয়স কমানো নয়, পুনর্বাসনেই সমাধান ডিমেনশিয়ার ঝুঁকি ২০ শতাংশ কমাতে পারে একটি টিকা, বলছেন বিশেষজ্ঞরা ট্রাম্প অ্যাকাউন্ট: নবজাতকের নামে বিনিয়োগ, বিতর্কের মাঝেও ভবিষ্যতের নতুন অর্থনৈতিক ভাবনা রাশিয়ার ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কা: প্রভাবশালী শিল্পপতির সতর্কবার্তা, একক শাসনের অবসানের ইঙ্গিত  হালান্ডের সামনে ইংল্যান্ডের সবচেয়ে বড় পরীক্ষা, কিন্তু সব আশা এখনও শেষ হয়ে যায়নি হরমুজ প্রণালি ঘিরে নতুন কূটনীতি, ওমানে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী; যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনা আরও তীব্র বিশ্ব যখন বিভক্তির পথে: অর্থনৈতিক প্রতিযোগিতা কীভাবে নতুন সংঘাতের ভিত্তি তৈরি করছে ইরানের কাছ থেকে হরমুজ প্রণালিতে হামলা বন্ধের অঙ্গীকার চায় যুক্তরাষ্ট্র শেখ হাসিনার ‘দেশে ফেরার’ বক্তব্য নিয়ে যা বলছে বিএনপি, জামায়াত ও এনসিপি

স্লো-লিভিং: শহরের ছোট বদলে বড় স্থিতি

সচেতন পছন্দ, ব্যবহারিক জীবনযাপন

স্লো-লিভিং মানে কম কিনে বেশি ব্যবহার করা। একটি মেরামত করা জামা কিনতে যাওয়ার আগে ঠিক করে ফেললে এবং সপ্তাহে দু’দিন বাড়িতে রান্না করলে সময় ও খরচ দুইই বাঁচে। ঘরের অপ্রয়োজনীয় জিনিস কমলেই জায়গা ও মন দুটোই বড় হয়। নিয়মিত ছোট রুটিন—সকালের চা, স্থানীয় বাজার, মাসিক মেরামত—দিনকে সুসংগঠিত করে।

স্থানীয় কারিগর ও টেকসই স্টাইল

স্থানীয় মানুষের তৈরি জিনিস কেনা অর্থ স্থানীয় অর্থনীতিতে ফিরে যায় এবং কারিগরদের দক্ষতা সংরক্ষণ করে। পুনরায় ব্যবহার বা মেরামত সুবিধা দেওয়া নির্মাতাদের নোট করুন। ঋতুভিত্তিক খাবার ও ছোট বাজারে কেনাকাটা খরচ কমায় এবং একটি সামাজিক রুটিন গড়ে তোলে—নিয়মিত বিক্রেতা, পরিচিত কফিশপ, কোনো হস্তশিল্পীর সঙ্গে সম্পর্ক। মূল কথা: মেরামতকে অগ্রাধিকার দিন, বাড়িতে রান্না বাড়ান এবং প্রতি মরসুমে একটি হস্তশিল্পী তৈরি আইটেম নিন—ধীরে ধীরে জীবনধারা বদলে যাবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

জাপানের ‘সিলিকন দ্বীপ’ হতে চলেছে হোক্কাইডো, সেমিকন্ডাক্টর বিপ্লবে বদলে যেতে পারে অর্থনীতির ভবিষ্যৎ

স্লো-লিভিং: শহরের ছোট বদলে বড় স্থিতি

০৩:৪০:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ নভেম্বর ২০২৫

সচেতন পছন্দ, ব্যবহারিক জীবনযাপন

স্লো-লিভিং মানে কম কিনে বেশি ব্যবহার করা। একটি মেরামত করা জামা কিনতে যাওয়ার আগে ঠিক করে ফেললে এবং সপ্তাহে দু’দিন বাড়িতে রান্না করলে সময় ও খরচ দুইই বাঁচে। ঘরের অপ্রয়োজনীয় জিনিস কমলেই জায়গা ও মন দুটোই বড় হয়। নিয়মিত ছোট রুটিন—সকালের চা, স্থানীয় বাজার, মাসিক মেরামত—দিনকে সুসংগঠিত করে।

স্থানীয় কারিগর ও টেকসই স্টাইল

স্থানীয় মানুষের তৈরি জিনিস কেনা অর্থ স্থানীয় অর্থনীতিতে ফিরে যায় এবং কারিগরদের দক্ষতা সংরক্ষণ করে। পুনরায় ব্যবহার বা মেরামত সুবিধা দেওয়া নির্মাতাদের নোট করুন। ঋতুভিত্তিক খাবার ও ছোট বাজারে কেনাকাটা খরচ কমায় এবং একটি সামাজিক রুটিন গড়ে তোলে—নিয়মিত বিক্রেতা, পরিচিত কফিশপ, কোনো হস্তশিল্পীর সঙ্গে সম্পর্ক। মূল কথা: মেরামতকে অগ্রাধিকার দিন, বাড়িতে রান্না বাড়ান এবং প্রতি মরসুমে একটি হস্তশিল্পী তৈরি আইটেম নিন—ধীরে ধীরে জীবনধারা বদলে যাবে।