০৮:৫০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬
ইসরায়েলে ফিলিস্তিনি নাগরিক হওয়ার ঝুঁকি পোষা প্রাণীর জন্য ভিডিও এখন বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয়, স্ক্রিনে মজেছে বিড়াল-কুকুর মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের ধাক্কা: সার-সংকটের শঙ্কায় বৈশ্বিক খাদ্য সরবরাহ, ক্ষুধার ঝুঁকিতে দরিদ্র দেশ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জোয়ারে ওরাকলের বড় উত্থান, ২০২৭ সালের আগেই আয়ে নতুন রেকর্ডের ইঙ্গিত পিরিয়ড ট্যাক্সের বিরুদ্ধে তরুণ আইনজীবী মাহনূর ওমরের লড়াই, পাকিস্তানে শুরু নতুন জাতীয় বিতর্ক ১.৭৫ ট্রিলিয়ন ডলারের লক্ষ্য: বিশ্বের বৃহত্তম শেয়ার বাজারে নামতে প্রস্তুত ইলন মাস্কের স্পেসএক্স ক্রিপ্টো দুনিয়ায় দ্রুত উত্থান ‘স্টেবলকয়েন’-এর, ডলার নির্ভর এই মুদ্রা ঘিরে বাড়ছে ঝুঁকি ও সম্ভাবনার বিতর্ক ইরানপন্থী সমাবেশের আশঙ্কা, লন্ডনে ফিলিস্তিনপন্থী মিছিল নিষিদ্ধ করলেন ব্রিটেনের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রোমানিয়ায় মার্কিন সেনা উপস্থিতি বাড়ানোর অনুমোদন হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ; তেল ছাড়তে প্রস্তুত জাপান ও জার্মানি

স্লো-লিভিং: শহরের ছোট বদলে বড় স্থিতি

সচেতন পছন্দ, ব্যবহারিক জীবনযাপন

স্লো-লিভিং মানে কম কিনে বেশি ব্যবহার করা। একটি মেরামত করা জামা কিনতে যাওয়ার আগে ঠিক করে ফেললে এবং সপ্তাহে দু’দিন বাড়িতে রান্না করলে সময় ও খরচ দুইই বাঁচে। ঘরের অপ্রয়োজনীয় জিনিস কমলেই জায়গা ও মন দুটোই বড় হয়। নিয়মিত ছোট রুটিন—সকালের চা, স্থানীয় বাজার, মাসিক মেরামত—দিনকে সুসংগঠিত করে।

স্থানীয় কারিগর ও টেকসই স্টাইল

স্থানীয় মানুষের তৈরি জিনিস কেনা অর্থ স্থানীয় অর্থনীতিতে ফিরে যায় এবং কারিগরদের দক্ষতা সংরক্ষণ করে। পুনরায় ব্যবহার বা মেরামত সুবিধা দেওয়া নির্মাতাদের নোট করুন। ঋতুভিত্তিক খাবার ও ছোট বাজারে কেনাকাটা খরচ কমায় এবং একটি সামাজিক রুটিন গড়ে তোলে—নিয়মিত বিক্রেতা, পরিচিত কফিশপ, কোনো হস্তশিল্পীর সঙ্গে সম্পর্ক। মূল কথা: মেরামতকে অগ্রাধিকার দিন, বাড়িতে রান্না বাড়ান এবং প্রতি মরসুমে একটি হস্তশিল্পী তৈরি আইটেম নিন—ধীরে ধীরে জীবনধারা বদলে যাবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ইসরায়েলে ফিলিস্তিনি নাগরিক হওয়ার ঝুঁকি

স্লো-লিভিং: শহরের ছোট বদলে বড় স্থিতি

০৩:৪০:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ নভেম্বর ২০২৫

সচেতন পছন্দ, ব্যবহারিক জীবনযাপন

স্লো-লিভিং মানে কম কিনে বেশি ব্যবহার করা। একটি মেরামত করা জামা কিনতে যাওয়ার আগে ঠিক করে ফেললে এবং সপ্তাহে দু’দিন বাড়িতে রান্না করলে সময় ও খরচ দুইই বাঁচে। ঘরের অপ্রয়োজনীয় জিনিস কমলেই জায়গা ও মন দুটোই বড় হয়। নিয়মিত ছোট রুটিন—সকালের চা, স্থানীয় বাজার, মাসিক মেরামত—দিনকে সুসংগঠিত করে।

স্থানীয় কারিগর ও টেকসই স্টাইল

স্থানীয় মানুষের তৈরি জিনিস কেনা অর্থ স্থানীয় অর্থনীতিতে ফিরে যায় এবং কারিগরদের দক্ষতা সংরক্ষণ করে। পুনরায় ব্যবহার বা মেরামত সুবিধা দেওয়া নির্মাতাদের নোট করুন। ঋতুভিত্তিক খাবার ও ছোট বাজারে কেনাকাটা খরচ কমায় এবং একটি সামাজিক রুটিন গড়ে তোলে—নিয়মিত বিক্রেতা, পরিচিত কফিশপ, কোনো হস্তশিল্পীর সঙ্গে সম্পর্ক। মূল কথা: মেরামতকে অগ্রাধিকার দিন, বাড়িতে রান্না বাড়ান এবং প্রতি মরসুমে একটি হস্তশিল্পী তৈরি আইটেম নিন—ধীরে ধীরে জীবনধারা বদলে যাবে।