০২:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
আজাদ কাশ্মীর নির্বাচনে বড় জয় নওয়াজ শরিফের দল পিএমএল-এনের, ১৩ আসনের ৯টিই দখল সৌদি আরবের তেল পরিবহন ব্যবস্থায় হুতিদের হামলার দাবি, বাড়ছে বিশ্ববাজারে উদ্বেগ চীনের চিপ প্রতিযোগিতার ভয়ে এশিয়ার প্রযুক্তি বাজারে বড় ধস হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা নিয়ে সৌদি ও ওমানের সঙ্গে ইরানের আলোচনা এশিয়ায় কয়লার আমদানি টানা তৃতীয় মাসে বাড়ল, ব্যতিক্রম ভারত মধ্যবর্তী নির্বাচন ও গণতন্ত্রের সূক্ষ্ম সংকট: প্রতিষ্ঠান ভেঙে পড়ে কীভাবে ইউক্রেনের লক্ষ্য ২০২৭ সালের মধ্যেই ইউরোপীয় ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার পরীক্ষামূলক মডেল প্রকৃতি ও পাখির টানে মানুষের হৃদয়ে বেঁচে থাকবেন বিল অডি খোলা পানিতে সাঁতার কতটা নিরাপদ, বৃষ্টির পর বাড়ে যে ভয় রাশিয়ার বেটিং প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সম্পর্কের বিতর্কে ইতালির কোচের দৌড় থেকে ছিটকে পিরলো

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন থেকে নির্বাচনে নামবেন প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন

সংসদ নির্বাচনের পর প্রতিমন্ত্রীর ঘোষণা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৬ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন ইশরাক হোসেন। কিন্তু সোমবার তিনি হঠাৎ করে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন থেকে নির্বাচনে অংশগ্রহণের ঘোষণা দিয়েছেন।

বিকেলে নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পোস্টে তিনি লিখেছেন, “ঢাকা দক্ষিণ থেকে সিটি নির্বাচন করব ইন-শা-আল্লাহ।”

সিটি করপোরেশন নির্বাচন ও প্রশাসক নিয়োগ

বিবিসি বাংলার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর কয়েকদিন ধরে সিটি করপোরেশনগুলোর নির্বাচনের আলোচনা চলছিল। এমন পরিস্থিতিতে সোমবার সরকার ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণসহ ছয়টি সিটিতে নতুন প্রশাসক নিয়োগ দিয়েছে। প্রশাসক হিসেবে যাদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, তারা সবাই বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত।

যদিও সকালে বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানিয়েছেন, প্রশাসক বসানো হলেও নির্ধারিত সময়ে সিটি করপোরেশনের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

গত সপ্তাহে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকেও ঈদের পর সিটি নির্বাচন আয়োজনের ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ইশরাক হোসেনের ফেসবুক পোস্ট বিষয়টি নতুন করে আলোচনা তোলেছে।

ইশরাক হোসেনের নির্বাচনী ইতিহাস

২০২০ সালে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র পদে নির্বাচন করেছিলেন ইশরাক হোসেন। তবে নির্বাচনে জিতেছিলেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী শেখ ফজলে নূর তাপস। ওই নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগও ওঠে। নির্বাচনে পরাজয়ের পর ইশরাক হোসেন ফলাফল প্রত্যাখ্যান করেন এবং ভোটের অনিয়মের অভিযোগ নিয়ে আদালতে মামলা করেন।

মেয়র পদ ও আইনি জটিলতা

২০২৪ সালের অগাস্টে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর সারাদেশের আওয়ামী লীগের নির্বাচিতরা পদত্যাগ করেন। মেয়র পদ শূন্য ঘোষণা করা হয়। পরে আদালতের রায়ে ইশরাক হোসেনকে মেয়র ঘোষণা করা হয় এবং গেজেট প্রকাশের মাধ্যমে নির্বাচন কমিশন এটি স্বীকৃতি দেয়।

কিন্তু আইনি জটিলতার কারণে তার মেয়র পদে অধিষ্ঠিত হওয়া নিয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সঙ্গে টানাপোড়েন সৃষ্টি হয়। নগর ভবন ও প্রধান উপদেষ্টার বাসভবনের কাছে টানা অবরোধ কর্মসূচি পালন করেন ইশরাক হোসেন ও বিএনপির নেতাকর্মীরা। পরে আন্দোলন থেকে সরে আসে ইশরাক হোসেন ও বিএনপি নেতা-কর্মীরা।

জনপ্রিয় সংবাদ

আজাদ কাশ্মীর নির্বাচনে বড় জয় নওয়াজ শরিফের দল পিএমএল-এনের, ১৩ আসনের ৯টিই দখল

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন থেকে নির্বাচনে নামবেন প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন

০৭:২৯:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

সংসদ নির্বাচনের পর প্রতিমন্ত্রীর ঘোষণা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৬ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন ইশরাক হোসেন। কিন্তু সোমবার তিনি হঠাৎ করে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন থেকে নির্বাচনে অংশগ্রহণের ঘোষণা দিয়েছেন।

বিকেলে নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পোস্টে তিনি লিখেছেন, “ঢাকা দক্ষিণ থেকে সিটি নির্বাচন করব ইন-শা-আল্লাহ।”

সিটি করপোরেশন নির্বাচন ও প্রশাসক নিয়োগ

বিবিসি বাংলার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর কয়েকদিন ধরে সিটি করপোরেশনগুলোর নির্বাচনের আলোচনা চলছিল। এমন পরিস্থিতিতে সোমবার সরকার ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণসহ ছয়টি সিটিতে নতুন প্রশাসক নিয়োগ দিয়েছে। প্রশাসক হিসেবে যাদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, তারা সবাই বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত।

যদিও সকালে বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানিয়েছেন, প্রশাসক বসানো হলেও নির্ধারিত সময়ে সিটি করপোরেশনের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

গত সপ্তাহে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকেও ঈদের পর সিটি নির্বাচন আয়োজনের ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ইশরাক হোসেনের ফেসবুক পোস্ট বিষয়টি নতুন করে আলোচনা তোলেছে।

ইশরাক হোসেনের নির্বাচনী ইতিহাস

২০২০ সালে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র পদে নির্বাচন করেছিলেন ইশরাক হোসেন। তবে নির্বাচনে জিতেছিলেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী শেখ ফজলে নূর তাপস। ওই নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগও ওঠে। নির্বাচনে পরাজয়ের পর ইশরাক হোসেন ফলাফল প্রত্যাখ্যান করেন এবং ভোটের অনিয়মের অভিযোগ নিয়ে আদালতে মামলা করেন।

মেয়র পদ ও আইনি জটিলতা

২০২৪ সালের অগাস্টে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর সারাদেশের আওয়ামী লীগের নির্বাচিতরা পদত্যাগ করেন। মেয়র পদ শূন্য ঘোষণা করা হয়। পরে আদালতের রায়ে ইশরাক হোসেনকে মেয়র ঘোষণা করা হয় এবং গেজেট প্রকাশের মাধ্যমে নির্বাচন কমিশন এটি স্বীকৃতি দেয়।

কিন্তু আইনি জটিলতার কারণে তার মেয়র পদে অধিষ্ঠিত হওয়া নিয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সঙ্গে টানাপোড়েন সৃষ্টি হয়। নগর ভবন ও প্রধান উপদেষ্টার বাসভবনের কাছে টানা অবরোধ কর্মসূচি পালন করেন ইশরাক হোসেন ও বিএনপির নেতাকর্মীরা। পরে আন্দোলন থেকে সরে আসে ইশরাক হোসেন ও বিএনপি নেতা-কর্মীরা।