০৮:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
ঈদুল ফিতরে টানা চার দিনের ছুটি, সম্ভাব্য তারিখ জানাল বিশেষজ্ঞরা সারওয়ার আলম আবার রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব এনবিআর গঠন করল ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট প্রস্তুতি কমিটি ইরান উত্তেজনা চরমে, ভারতীয়দের দেশ ছাড়ার নির্দেশ; বৈরুতে মার্কিন দূতাবাসে কর্মী প্রত্যাহার ভারত ‘আইইএ’‑তে পূর্ণ সদস্যপদ অর্জনের পথে, সংবিধান সংশোধনের প্রক্রিয়া আলোচনার কেন্দ্রে রাষ্ট্রপতির  বক্তব্যে অনেক কিছুই চেপে গেছেন: জামায়াত আমির মুকুল রায়ের মৃত্যু: বাংলার কৌশলী রাজনীতিকের শেষ অধ্যায় নগদকে ব্যক্তিখাতে দেওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত সরকারের নীতির ওপর নির্ভর করবে বাংলাদেশ ব্যাংক ঈদ উপলক্ষে নগদ সংকটে পড়া পোশাক রপ্তানিকারকদের সমর্থনের অঙ্গীকার করল ঢাবি শিক্ষার্থীরা শাহবাগ থানার সামনে বিক্ষোভ, পুলিশি হামলার প্রতিবাদ

বাংলাদেশ আবারও নিশ্চিত করল সার্ক প্রক্রিয়া পুনরুজ্জীবনের প্রতিশ্রুতি

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খালিলুর রহমান বাংলাদেশ সার্ক (দক্ষিণ এশিয়ান অ্যাসোসিয়েশন ফর রিজিয়নাল কো-অপারেশন) প্রক্রিয়া পুনরুজ্জীবনের প্রতি অটল সমর্থন ও প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছেন।

মন্ত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ সক্রিয় উদ্যোগ নিয়ে সার্ককে শক্তিশালী ও পুনরুজ্জীবিত করতে প্রস্তুত। তিনি এই মন্তব্য করেন মঙ্গলবার সার্কের মহাসচিব মো. গোলাম সরোয়ারের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী পুনরায় জোর দিয়ে বলেছেন যে, বাংলাদেশ সার্ক চার্টারে সংযুক্ত নীতিগুলোর প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, যার মধ্যে রয়েছে সার্বভৌম সমতা, আঞ্চলিক অখণ্ডতা, রাজনৈতিক স্বাধীনতা, অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা এবং সদস্য রাষ্ট্রের জনগণের পারস্পরিক স্বার্থ।

মন্ত্রী স্মরণ করিয়েছেন, দক্ষিণ এশিয়ায় আঞ্চলিক সহযোগিতার ধারণাটি প্রথম প্রস্তাব করেন প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, ১৯৮০-এর দশকের শুরুতে। এই উদ্যোগের উদ্দেশ্য ছিল জনগণের কল্যাণ, জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন এবং আঞ্চলিক স্বনির্ভরতা শক্তিশালী করা।

বাংলাদেশের ভূমিকা উল্লেখ করে তিনি বলেন, দেশের একজন প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হিসেবে এবং প্রথম সার্ক শীর্ষ সম্মেলনের হোস্ট হিসেবে (ডিসেম্বর ১৯৮৫) ও পরবর্তীতে ১৯৯৩ এবং ২০০৫ সালে হোস্টিংয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশ সার্কের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা স্বীকার করে। সার্ক আঞ্চলিক সাধারণ মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠা এবং বাণিজ্য, বিনিয়োগ, যোগাযোগ, জলবায়ু পরিবর্তন, খাদ্য নিরাপত্তা, সংস্কৃতি, জনগণের মধ্যে যোগাযোগসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বৃদ্ধিতে সহায়ক।

পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এই মন্তব্য বাংলাদেশের আঞ্চলিক সংহতি ও সহযোগিতার প্রতি দৃঢ় অবস্থানকে আরও প্রমাণ করে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ঈদুল ফিতরে টানা চার দিনের ছুটি, সম্ভাব্য তারিখ জানাল বিশেষজ্ঞরা

বাংলাদেশ আবারও নিশ্চিত করল সার্ক প্রক্রিয়া পুনরুজ্জীবনের প্রতিশ্রুতি

০৬:৪২:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খালিলুর রহমান বাংলাদেশ সার্ক (দক্ষিণ এশিয়ান অ্যাসোসিয়েশন ফর রিজিয়নাল কো-অপারেশন) প্রক্রিয়া পুনরুজ্জীবনের প্রতি অটল সমর্থন ও প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছেন।

মন্ত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ সক্রিয় উদ্যোগ নিয়ে সার্ককে শক্তিশালী ও পুনরুজ্জীবিত করতে প্রস্তুত। তিনি এই মন্তব্য করেন মঙ্গলবার সার্কের মহাসচিব মো. গোলাম সরোয়ারের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী পুনরায় জোর দিয়ে বলেছেন যে, বাংলাদেশ সার্ক চার্টারে সংযুক্ত নীতিগুলোর প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, যার মধ্যে রয়েছে সার্বভৌম সমতা, আঞ্চলিক অখণ্ডতা, রাজনৈতিক স্বাধীনতা, অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা এবং সদস্য রাষ্ট্রের জনগণের পারস্পরিক স্বার্থ।

মন্ত্রী স্মরণ করিয়েছেন, দক্ষিণ এশিয়ায় আঞ্চলিক সহযোগিতার ধারণাটি প্রথম প্রস্তাব করেন প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, ১৯৮০-এর দশকের শুরুতে। এই উদ্যোগের উদ্দেশ্য ছিল জনগণের কল্যাণ, জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন এবং আঞ্চলিক স্বনির্ভরতা শক্তিশালী করা।

বাংলাদেশের ভূমিকা উল্লেখ করে তিনি বলেন, দেশের একজন প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হিসেবে এবং প্রথম সার্ক শীর্ষ সম্মেলনের হোস্ট হিসেবে (ডিসেম্বর ১৯৮৫) ও পরবর্তীতে ১৯৯৩ এবং ২০০৫ সালে হোস্টিংয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশ সার্কের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা স্বীকার করে। সার্ক আঞ্চলিক সাধারণ মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠা এবং বাণিজ্য, বিনিয়োগ, যোগাযোগ, জলবায়ু পরিবর্তন, খাদ্য নিরাপত্তা, সংস্কৃতি, জনগণের মধ্যে যোগাযোগসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বৃদ্ধিতে সহায়ক।

পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এই মন্তব্য বাংলাদেশের আঞ্চলিক সংহতি ও সহযোগিতার প্রতি দৃঢ় অবস্থানকে আরও প্রমাণ করে।