০১:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬
কমনওয়েলথে সোনা জয়ের স্বপ্নে ভারতের প্রথম নারী সেনা বক্সার জ্যাসমিন লাম্বোরিয়া অ্যান্ডি বার্নহ্যামের নতুন ব্রিটিশ সরকার: প্রথম দিনেই বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত বিকাশ-নগদ-রকেটের অতিরিক্ত চার্জ নিয়ে হাইকোর্টের রুল নজরুল বর্ষ উপলক্ষে সরকারি চিঠিতে লোগো ব্যবহারের নির্দেশ, চলবে ২০২৭ সালের মে পর্যন্ত সাবেক রাষ্ট্রপতি চুপ্পুকে আলাদা করে তদন্ত করবে না বাংলাদেশ ব্যাংক কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের ভেতরে বাসের ধাক্কা, পথচারী নিহত ফেনীর সীমান্তে চারজনকে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা, বিএসএফকে বিজিবির কড়া প্রতিবাদ ঢাকাবাসীকে সিআইএমএসে নিবন্ধনের আহ্বান, নিরাপত্তা জোরদারে পুলিশের নতুন উদ্যোগ চট্টগ্রামে চাঁদার ২০ লাখ টাকা দাবি, ব্যবসায়ীর নির্মাণাধীন ভবনে হামলা কুষ্টিয়ায় মহিষ বিক্রির টাকা নিয়ে বাবাকে টর্চলাইট দিয়ে আঘাত, ছেলের বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ

বাংলাদেশ আবারও নিশ্চিত করল সার্ক প্রক্রিয়া পুনরুজ্জীবনের প্রতিশ্রুতি

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খালিলুর রহমান বাংলাদেশ সার্ক (দক্ষিণ এশিয়ান অ্যাসোসিয়েশন ফর রিজিয়নাল কো-অপারেশন) প্রক্রিয়া পুনরুজ্জীবনের প্রতি অটল সমর্থন ও প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছেন।

মন্ত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ সক্রিয় উদ্যোগ নিয়ে সার্ককে শক্তিশালী ও পুনরুজ্জীবিত করতে প্রস্তুত। তিনি এই মন্তব্য করেন মঙ্গলবার সার্কের মহাসচিব মো. গোলাম সরোয়ারের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী পুনরায় জোর দিয়ে বলেছেন যে, বাংলাদেশ সার্ক চার্টারে সংযুক্ত নীতিগুলোর প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, যার মধ্যে রয়েছে সার্বভৌম সমতা, আঞ্চলিক অখণ্ডতা, রাজনৈতিক স্বাধীনতা, অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা এবং সদস্য রাষ্ট্রের জনগণের পারস্পরিক স্বার্থ।

মন্ত্রী স্মরণ করিয়েছেন, দক্ষিণ এশিয়ায় আঞ্চলিক সহযোগিতার ধারণাটি প্রথম প্রস্তাব করেন প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, ১৯৮০-এর দশকের শুরুতে। এই উদ্যোগের উদ্দেশ্য ছিল জনগণের কল্যাণ, জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন এবং আঞ্চলিক স্বনির্ভরতা শক্তিশালী করা।

বাংলাদেশের ভূমিকা উল্লেখ করে তিনি বলেন, দেশের একজন প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হিসেবে এবং প্রথম সার্ক শীর্ষ সম্মেলনের হোস্ট হিসেবে (ডিসেম্বর ১৯৮৫) ও পরবর্তীতে ১৯৯৩ এবং ২০০৫ সালে হোস্টিংয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশ সার্কের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা স্বীকার করে। সার্ক আঞ্চলিক সাধারণ মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠা এবং বাণিজ্য, বিনিয়োগ, যোগাযোগ, জলবায়ু পরিবর্তন, খাদ্য নিরাপত্তা, সংস্কৃতি, জনগণের মধ্যে যোগাযোগসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বৃদ্ধিতে সহায়ক।

পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এই মন্তব্য বাংলাদেশের আঞ্চলিক সংহতি ও সহযোগিতার প্রতি দৃঢ় অবস্থানকে আরও প্রমাণ করে।

জনপ্রিয় সংবাদ

কমনওয়েলথে সোনা জয়ের স্বপ্নে ভারতের প্রথম নারী সেনা বক্সার জ্যাসমিন লাম্বোরিয়া

বাংলাদেশ আবারও নিশ্চিত করল সার্ক প্রক্রিয়া পুনরুজ্জীবনের প্রতিশ্রুতি

০৬:৪২:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খালিলুর রহমান বাংলাদেশ সার্ক (দক্ষিণ এশিয়ান অ্যাসোসিয়েশন ফর রিজিয়নাল কো-অপারেশন) প্রক্রিয়া পুনরুজ্জীবনের প্রতি অটল সমর্থন ও প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছেন।

মন্ত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ সক্রিয় উদ্যোগ নিয়ে সার্ককে শক্তিশালী ও পুনরুজ্জীবিত করতে প্রস্তুত। তিনি এই মন্তব্য করেন মঙ্গলবার সার্কের মহাসচিব মো. গোলাম সরোয়ারের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী পুনরায় জোর দিয়ে বলেছেন যে, বাংলাদেশ সার্ক চার্টারে সংযুক্ত নীতিগুলোর প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, যার মধ্যে রয়েছে সার্বভৌম সমতা, আঞ্চলিক অখণ্ডতা, রাজনৈতিক স্বাধীনতা, অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা এবং সদস্য রাষ্ট্রের জনগণের পারস্পরিক স্বার্থ।

মন্ত্রী স্মরণ করিয়েছেন, দক্ষিণ এশিয়ায় আঞ্চলিক সহযোগিতার ধারণাটি প্রথম প্রস্তাব করেন প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, ১৯৮০-এর দশকের শুরুতে। এই উদ্যোগের উদ্দেশ্য ছিল জনগণের কল্যাণ, জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন এবং আঞ্চলিক স্বনির্ভরতা শক্তিশালী করা।

বাংলাদেশের ভূমিকা উল্লেখ করে তিনি বলেন, দেশের একজন প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হিসেবে এবং প্রথম সার্ক শীর্ষ সম্মেলনের হোস্ট হিসেবে (ডিসেম্বর ১৯৮৫) ও পরবর্তীতে ১৯৯৩ এবং ২০০৫ সালে হোস্টিংয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশ সার্কের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা স্বীকার করে। সার্ক আঞ্চলিক সাধারণ মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠা এবং বাণিজ্য, বিনিয়োগ, যোগাযোগ, জলবায়ু পরিবর্তন, খাদ্য নিরাপত্তা, সংস্কৃতি, জনগণের মধ্যে যোগাযোগসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বৃদ্ধিতে সহায়ক।

পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এই মন্তব্য বাংলাদেশের আঞ্চলিক সংহতি ও সহযোগিতার প্রতি দৃঢ় অবস্থানকে আরও প্রমাণ করে।