০১:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা, একই পরিবারের তিনজনসহ নিহত ৫ এইচএসসি পরীক্ষা কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা ও ইন্টারনেট বাধ্যতামূলক, কড়াকড়ি নজরদারির নির্দেশ ছয় মাস টানা ৩০০ কোটি ডলারের বেশি প্রবাসী আয়, মে মাসে এলো ৩৪২ কোটি ডলার তাপপ্রবাহ আরও একদিন, ৪ জুন থেকে বাড়বে বৃষ্টি; কমতে পারে তাপমাত্রা যুক্তরাষ্ট্রে পারিবারিক বিরোধের জেরে বন্দুকধারীর তাণ্ডব, একই পরিবারের ৬ জনকে হত্যা করে আত্মহত্যা অ্যানথ্রপিকের আইপিও প্রস্তুতি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা খাতে নতুন প্রতিযোগিতার ইঙ্গিত মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার খুললেও সিন্ডিকেট আতঙ্ক, কম খরচে কর্মী পাঠানো নিয়ে নতুন শঙ্কা এইচএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণের সময় আবার বাড়ল, ১৫-১৬ জুন নতুন সুযোগ ট্রাম্পের নতুন শুল্ক নীতি: ইস্পাত, অ্যালুমিনিয়াম ও তামা আমদানিতে বড় পরিবর্তন নেপালের বিপক্ষে ঘুরে দাঁড়ানোর লক্ষ্য বাংলাদেশের মেয়েদের

বাংলাদেশ আবারও নিশ্চিত করল সার্ক প্রক্রিয়া পুনরুজ্জীবনের প্রতিশ্রুতি

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খালিলুর রহমান বাংলাদেশ সার্ক (দক্ষিণ এশিয়ান অ্যাসোসিয়েশন ফর রিজিয়নাল কো-অপারেশন) প্রক্রিয়া পুনরুজ্জীবনের প্রতি অটল সমর্থন ও প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছেন।

মন্ত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ সক্রিয় উদ্যোগ নিয়ে সার্ককে শক্তিশালী ও পুনরুজ্জীবিত করতে প্রস্তুত। তিনি এই মন্তব্য করেন মঙ্গলবার সার্কের মহাসচিব মো. গোলাম সরোয়ারের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী পুনরায় জোর দিয়ে বলেছেন যে, বাংলাদেশ সার্ক চার্টারে সংযুক্ত নীতিগুলোর প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, যার মধ্যে রয়েছে সার্বভৌম সমতা, আঞ্চলিক অখণ্ডতা, রাজনৈতিক স্বাধীনতা, অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা এবং সদস্য রাষ্ট্রের জনগণের পারস্পরিক স্বার্থ।

মন্ত্রী স্মরণ করিয়েছেন, দক্ষিণ এশিয়ায় আঞ্চলিক সহযোগিতার ধারণাটি প্রথম প্রস্তাব করেন প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, ১৯৮০-এর দশকের শুরুতে। এই উদ্যোগের উদ্দেশ্য ছিল জনগণের কল্যাণ, জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন এবং আঞ্চলিক স্বনির্ভরতা শক্তিশালী করা।

বাংলাদেশের ভূমিকা উল্লেখ করে তিনি বলেন, দেশের একজন প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হিসেবে এবং প্রথম সার্ক শীর্ষ সম্মেলনের হোস্ট হিসেবে (ডিসেম্বর ১৯৮৫) ও পরবর্তীতে ১৯৯৩ এবং ২০০৫ সালে হোস্টিংয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশ সার্কের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা স্বীকার করে। সার্ক আঞ্চলিক সাধারণ মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠা এবং বাণিজ্য, বিনিয়োগ, যোগাযোগ, জলবায়ু পরিবর্তন, খাদ্য নিরাপত্তা, সংস্কৃতি, জনগণের মধ্যে যোগাযোগসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বৃদ্ধিতে সহায়ক।

পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এই মন্তব্য বাংলাদেশের আঞ্চলিক সংহতি ও সহযোগিতার প্রতি দৃঢ় অবস্থানকে আরও প্রমাণ করে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা, একই পরিবারের তিনজনসহ নিহত ৫

বাংলাদেশ আবারও নিশ্চিত করল সার্ক প্রক্রিয়া পুনরুজ্জীবনের প্রতিশ্রুতি

০৬:৪২:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খালিলুর রহমান বাংলাদেশ সার্ক (দক্ষিণ এশিয়ান অ্যাসোসিয়েশন ফর রিজিয়নাল কো-অপারেশন) প্রক্রিয়া পুনরুজ্জীবনের প্রতি অটল সমর্থন ও প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছেন।

মন্ত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ সক্রিয় উদ্যোগ নিয়ে সার্ককে শক্তিশালী ও পুনরুজ্জীবিত করতে প্রস্তুত। তিনি এই মন্তব্য করেন মঙ্গলবার সার্কের মহাসচিব মো. গোলাম সরোয়ারের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী পুনরায় জোর দিয়ে বলেছেন যে, বাংলাদেশ সার্ক চার্টারে সংযুক্ত নীতিগুলোর প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, যার মধ্যে রয়েছে সার্বভৌম সমতা, আঞ্চলিক অখণ্ডতা, রাজনৈতিক স্বাধীনতা, অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা এবং সদস্য রাষ্ট্রের জনগণের পারস্পরিক স্বার্থ।

মন্ত্রী স্মরণ করিয়েছেন, দক্ষিণ এশিয়ায় আঞ্চলিক সহযোগিতার ধারণাটি প্রথম প্রস্তাব করেন প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, ১৯৮০-এর দশকের শুরুতে। এই উদ্যোগের উদ্দেশ্য ছিল জনগণের কল্যাণ, জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন এবং আঞ্চলিক স্বনির্ভরতা শক্তিশালী করা।

বাংলাদেশের ভূমিকা উল্লেখ করে তিনি বলেন, দেশের একজন প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হিসেবে এবং প্রথম সার্ক শীর্ষ সম্মেলনের হোস্ট হিসেবে (ডিসেম্বর ১৯৮৫) ও পরবর্তীতে ১৯৯৩ এবং ২০০৫ সালে হোস্টিংয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশ সার্কের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা স্বীকার করে। সার্ক আঞ্চলিক সাধারণ মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠা এবং বাণিজ্য, বিনিয়োগ, যোগাযোগ, জলবায়ু পরিবর্তন, খাদ্য নিরাপত্তা, সংস্কৃতি, জনগণের মধ্যে যোগাযোগসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বৃদ্ধিতে সহায়ক।

পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এই মন্তব্য বাংলাদেশের আঞ্চলিক সংহতি ও সহযোগিতার প্রতি দৃঢ় অবস্থানকে আরও প্রমাণ করে।