১২:৪২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬
একাকীত্বের সব উত্তর থেরাপি নয়, সম্পর্কই হতে পারে সবচেয়ে বড় ওষুধ ভাইরাল খাবারের নেশা: এক বাটি হিমায়িত দইয়ের জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা কেন? মাইকেল জ্যাকসনের জীবনীচিত্র ঘিরে বিশ্বজুড়ে আবেগের ঢেউ, ভক্তদের মধ্যে ফিরেছে পুরোনো শোক অভিশপ্ত সাপ ঢাকার নির্দিষ্ট সড়কে আসছে ‘যানজট শুল্ক’, কিলোমিটারপ্রতি প্রস্তাব ৬.২৭ টাকা চট্টগ্রামে প্রকাশ্যে গুলি: পাঁচলাইশে যুবক নিহত, তদন্তে নেমেছে পুলিশ আপনার অতীতই কি বার্ধক্যে চোখ ভিজিয়ে দেয়? স্মৃতি, আবেগ আর জীবনের শেষ অধ্যায়ের নীরব ভাষা ১৭ দিন পর সীমান্তের শূন্যরেখা থেকে উধাও ৩ যুবক, তাদের অবস্থান নিয়ে ধোঁয়াশা রেমিট্যান্সে ছন্দপতন, জুনে আট মাসের সর্বনিম্ন প্রবাসী আয় বিজয়ের ভক্তের হাতে ‘অপহরণের’ অভিজ্ঞতা জানালেন ছেলে জেসন সঞ্জয়

ইরানে হামলার পর যুক্তরাষ্ট্র কি সত্যিই দুর্বল? ভিন্ন মত চীনা বিশ্লেষকদের

ইরানের শীর্ষ নেতাদের লক্ষ্য করে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক হামলা আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। চীনে বহুদিন ধরে প্রচলিত ধারণা ছিল যে যুক্তরাষ্ট্র ধীরে ধীরে বৈশ্বিক শক্তি হিসেবে দুর্বল হয়ে পড়ছে। কিন্তু সাম্প্রতিক এই হামলার পর চীনের কিছু আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষক বলছেন, বাস্তবতা হয়তো সেই ধারণার সঙ্গে পুরোপুরি মিলছে না।

তাদের মতে, এই ঘটনাগুলো বরং দেখিয়েছে যে যুক্তরাষ্ট্র এখনো সামরিক সক্ষমতায় অত্যন্ত শক্তিশালী এবং যুদ্ধ পরিচালনার কৌশলেও উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এনেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক শক্তি এখনো প্রভাবশালী

বেইজিংয়ের রেনমিন বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্কের অধ্যাপক শি ইয়িনহং বলেন, ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের এই লক্ষ্যভিত্তিক হামলা স্পষ্টভাবে দেখিয়েছে যে মার্কিন সামরিক শক্তি এখনো অনেক ক্ষেত্রে অন্যদের তুলনায় এগিয়ে।

The grades are in for America's military strength

চীন সরকার এই হামলাকে সার্বভৌমত্বের লঙ্ঘন হিসেবে নিন্দা করলেও শি ইয়িনহং মনে করেন, এই ঘটনাগুলো প্রমাণ করেছে যে যুক্তরাষ্ট্র শুধু শক্তিশালীই নয়, বরং তাদের যুদ্ধ পরিচালনার পদ্ধতিও ক্রমাগত পরিবর্তিত ও উন্নত হচ্ছে।

তার মতে, আধুনিক প্রযুক্তি, গোয়েন্দা তথ্যের ব্যবহার এবং নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করার ক্ষমতা যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক কৌশলকে আরও কার্যকর করেছে।

অর্থনীতি ও সামরিক শক্তিতে যুক্তরাষ্ট্র এখনো শক্ত অবস্থানে

রাজনৈতিক বিজ্ঞানী এবং চীনা সরকারের উপদেষ্টা ঝেং ইয়ংনিয়ানও একই ধরনের মত প্রকাশ করেছেন। তার মতে, বাস্তবতার বিচারে যুক্তরাষ্ট্র এখনো অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী এবং বিশ্বে সামরিক শক্তির দিক থেকেও তুলনাহীন অবস্থানে রয়েছে।

তিনি বলেন, চীনের ভেতরে অনেকেই মনে করেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাব কমে যাচ্ছে। তবে বাস্তব ঘটনাগুলো ভিন্ন চিত্র তুলে ধরে।

যুদ্ধ করার ক্ষমতা নির্ভর করে রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের ওপর

The U.S. and Israel Have Set a High Bar for Success in Their War on Iran

সোমবার কিয়ানহাই আন্তর্জাতিক বিষয়ক ইনস্টিটিউটের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক সাক্ষাৎকারে ঝেং ইয়ংনিয়ান বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক শক্তি প্রয়োগের ক্ষমতা মূলত নির্ভর করে তাদের রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের ওপর।

তার ভাষায়, যুক্তরাষ্ট্রের কাছে শক্তি রয়েছে এবং তারা চাইলে সেই শক্তি ব্যবহার করতে পারে। তাই বিশ্ব রাজনীতিতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাব কমে গেছে—এমন ধারণা সবসময় বাস্তবতার সঙ্গে মেলে না।

এই বিশ্লেষকদের মতে, ইরানে সাম্প্রতিক হামলার ঘটনাটি আবারও মনে করিয়ে দিয়েছে যে আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে যুক্তরাষ্ট্র এখনো একটি বড় সামরিক ও কৌশলগত শক্তি হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

একাকীত্বের সব উত্তর থেরাপি নয়, সম্পর্কই হতে পারে সবচেয়ে বড় ওষুধ

ইরানে হামলার পর যুক্তরাষ্ট্র কি সত্যিই দুর্বল? ভিন্ন মত চীনা বিশ্লেষকদের

০৪:৩৭:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬

ইরানের শীর্ষ নেতাদের লক্ষ্য করে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক হামলা আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। চীনে বহুদিন ধরে প্রচলিত ধারণা ছিল যে যুক্তরাষ্ট্র ধীরে ধীরে বৈশ্বিক শক্তি হিসেবে দুর্বল হয়ে পড়ছে। কিন্তু সাম্প্রতিক এই হামলার পর চীনের কিছু আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষক বলছেন, বাস্তবতা হয়তো সেই ধারণার সঙ্গে পুরোপুরি মিলছে না।

তাদের মতে, এই ঘটনাগুলো বরং দেখিয়েছে যে যুক্তরাষ্ট্র এখনো সামরিক সক্ষমতায় অত্যন্ত শক্তিশালী এবং যুদ্ধ পরিচালনার কৌশলেও উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এনেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক শক্তি এখনো প্রভাবশালী

বেইজিংয়ের রেনমিন বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্কের অধ্যাপক শি ইয়িনহং বলেন, ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের এই লক্ষ্যভিত্তিক হামলা স্পষ্টভাবে দেখিয়েছে যে মার্কিন সামরিক শক্তি এখনো অনেক ক্ষেত্রে অন্যদের তুলনায় এগিয়ে।

The grades are in for America's military strength

চীন সরকার এই হামলাকে সার্বভৌমত্বের লঙ্ঘন হিসেবে নিন্দা করলেও শি ইয়িনহং মনে করেন, এই ঘটনাগুলো প্রমাণ করেছে যে যুক্তরাষ্ট্র শুধু শক্তিশালীই নয়, বরং তাদের যুদ্ধ পরিচালনার পদ্ধতিও ক্রমাগত পরিবর্তিত ও উন্নত হচ্ছে।

তার মতে, আধুনিক প্রযুক্তি, গোয়েন্দা তথ্যের ব্যবহার এবং নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করার ক্ষমতা যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক কৌশলকে আরও কার্যকর করেছে।

অর্থনীতি ও সামরিক শক্তিতে যুক্তরাষ্ট্র এখনো শক্ত অবস্থানে

রাজনৈতিক বিজ্ঞানী এবং চীনা সরকারের উপদেষ্টা ঝেং ইয়ংনিয়ানও একই ধরনের মত প্রকাশ করেছেন। তার মতে, বাস্তবতার বিচারে যুক্তরাষ্ট্র এখনো অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী এবং বিশ্বে সামরিক শক্তির দিক থেকেও তুলনাহীন অবস্থানে রয়েছে।

তিনি বলেন, চীনের ভেতরে অনেকেই মনে করেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাব কমে যাচ্ছে। তবে বাস্তব ঘটনাগুলো ভিন্ন চিত্র তুলে ধরে।

যুদ্ধ করার ক্ষমতা নির্ভর করে রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের ওপর

The U.S. and Israel Have Set a High Bar for Success in Their War on Iran

সোমবার কিয়ানহাই আন্তর্জাতিক বিষয়ক ইনস্টিটিউটের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক সাক্ষাৎকারে ঝেং ইয়ংনিয়ান বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক শক্তি প্রয়োগের ক্ষমতা মূলত নির্ভর করে তাদের রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের ওপর।

তার ভাষায়, যুক্তরাষ্ট্রের কাছে শক্তি রয়েছে এবং তারা চাইলে সেই শক্তি ব্যবহার করতে পারে। তাই বিশ্ব রাজনীতিতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাব কমে গেছে—এমন ধারণা সবসময় বাস্তবতার সঙ্গে মেলে না।

এই বিশ্লেষকদের মতে, ইরানে সাম্প্রতিক হামলার ঘটনাটি আবারও মনে করিয়ে দিয়েছে যে আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে যুক্তরাষ্ট্র এখনো একটি বড় সামরিক ও কৌশলগত শক্তি হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।