০৬:১৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬
জ্বালানি নিরাপত্তার টেকসই পথ হতে পারে নবায়নযোগ্য শক্তি নিউইয়র্কে মোহন ভাগবতের অনুষ্ঠান আয়োজকদের এক্স অ্যাকাউন্ট স্থগিত ৬৪ জেলার দায়িত্ব পেলেন হুইপসহ ৩০ মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী ‘টুকু আসে, টুকু যায়’—সংসদে জ্বালানি সংকট ও দ্রব্যমূল্য নিয়ে রুমিনের কড়া সমালোচনা কঙ্গোয় ইবোলা মহামারি ভয়াবহ রূপ নিয়েছে, ৩ মাসে মৃত্যু ২,৫০০ ছাড়িয়েছে ‘ইনট্রিনসিক ক্যাপাসিটি’: সুস্থভাবে বার্ধক্য মাপার নতুন বৈজ্ঞানিক সূচক নজরুলের ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত, কবির প্রেরণায় আন্দোলনের কথা স্মরণ কাদের গনি চৌধুরী হলেন বিএসএসের নতুন ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান সম্পাদক সেচ দিতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট বাবা-ছেলের মৃত্যু গোপালগঞ্জে ইউএস ওপেনে ঘুরে দাঁড়ানোর প্রত্যয় আরিনা সাবালেঙ্কার

পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর হামলায় কান্দাহারে তালেবানের ২০৫ কোর ব্রিগেড সদর দপ্তর ধ্বংস

দক্ষিণ আফগানিস্তানের কান্দাহার প্রদেশে আফগান তালেবানের একটি গুরুত্বপূর্ণ সামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়ে সেটি ধ্বংস করেছে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী। নিরাপত্তা সূত্রের বরাতে জানা গেছে, এই অভিযানে তালেবানের ২০৫ কোর ব্রিগেডের সদর দপ্তর সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস হয়ে গেছে।

অপারেশন ‘গজব লিল-হক’-এর অংশ হিসেবে এই হামলা চালানো হয়, যা অঞ্চলটিতে সক্রিয় উগ্রপন্থী ও বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে চলমান সামরিক তৎপরতার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

অপারেশন গজব লিল-হক: লক্ষ্য ছিল গুরুত্বপূর্ণ সামরিক স্থাপনা

নিরাপত্তা সূত্র জানায়, পাকিস্তানি বাহিনী চলমান ‘অপারেশন গজব লিল-হক’-এর আওতায় কান্দাহারে তালেবানের বিভিন্ন কৌশলগত স্থাপনায় হামলা চালায়। এর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য ছিল ২০৫ কোর ব্রিগেডের সদর দপ্তর, যা অভিযানের মাধ্যমে ধ্বংস করা হয়েছে।

এই ব্রিগেড সদর দপ্তরটি তালেবান বাহিনীর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সামরিক সমন্বয় কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছিল বলে জানা গেছে।

অস্ত্রভাণ্ডারেও হামলা

সামরিক সূত্র আরও জানায়, এই অভিযানে তালেবানদের বেশ কয়েকটি অস্ত্র ও গোলাবারুদের গুদামও লক্ষ্যবস্তু করা হয়। এসব গুদাম ধ্বংসের ফলে জঙ্গিগোষ্ঠীর যুদ্ধ পরিচালনার সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে দুর্বল হয়ে পড়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, অস্ত্রভাণ্ডার ধ্বংস হওয়ায় ভবিষ্যতে তালেবানদের সামরিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করা আরও কঠিন হয়ে পড়তে পারে।

উগ্রপন্থা দমনে চলমান অভিযান

এই সামরিক অভিযানকে অঞ্চলজুড়ে উগ্রপন্থা ও বিদ্রোহী কার্যকলাপ দমনের বৃহত্তর কৌশলের অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। নিরাপত্তা বাহিনীর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে সন্ত্রাসী ও বিদ্রোহী হুমকি নির্মূলে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

সাম্প্রতিক সময়গুলোতে অঞ্চলে নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পাকিস্তানি বাহিনী বিভিন্ন সামরিক তৎপরতা জোরদার করেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

জ্বালানি নিরাপত্তার টেকসই পথ হতে পারে নবায়নযোগ্য শক্তি

পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর হামলায় কান্দাহারে তালেবানের ২০৫ কোর ব্রিগেড সদর দপ্তর ধ্বংস

০৫:১৭:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬

দক্ষিণ আফগানিস্তানের কান্দাহার প্রদেশে আফগান তালেবানের একটি গুরুত্বপূর্ণ সামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়ে সেটি ধ্বংস করেছে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী। নিরাপত্তা সূত্রের বরাতে জানা গেছে, এই অভিযানে তালেবানের ২০৫ কোর ব্রিগেডের সদর দপ্তর সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস হয়ে গেছে।

অপারেশন ‘গজব লিল-হক’-এর অংশ হিসেবে এই হামলা চালানো হয়, যা অঞ্চলটিতে সক্রিয় উগ্রপন্থী ও বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে চলমান সামরিক তৎপরতার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

অপারেশন গজব লিল-হক: লক্ষ্য ছিল গুরুত্বপূর্ণ সামরিক স্থাপনা

নিরাপত্তা সূত্র জানায়, পাকিস্তানি বাহিনী চলমান ‘অপারেশন গজব লিল-হক’-এর আওতায় কান্দাহারে তালেবানের বিভিন্ন কৌশলগত স্থাপনায় হামলা চালায়। এর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য ছিল ২০৫ কোর ব্রিগেডের সদর দপ্তর, যা অভিযানের মাধ্যমে ধ্বংস করা হয়েছে।

এই ব্রিগেড সদর দপ্তরটি তালেবান বাহিনীর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সামরিক সমন্বয় কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছিল বলে জানা গেছে।

অস্ত্রভাণ্ডারেও হামলা

সামরিক সূত্র আরও জানায়, এই অভিযানে তালেবানদের বেশ কয়েকটি অস্ত্র ও গোলাবারুদের গুদামও লক্ষ্যবস্তু করা হয়। এসব গুদাম ধ্বংসের ফলে জঙ্গিগোষ্ঠীর যুদ্ধ পরিচালনার সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে দুর্বল হয়ে পড়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, অস্ত্রভাণ্ডার ধ্বংস হওয়ায় ভবিষ্যতে তালেবানদের সামরিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করা আরও কঠিন হয়ে পড়তে পারে।

উগ্রপন্থা দমনে চলমান অভিযান

এই সামরিক অভিযানকে অঞ্চলজুড়ে উগ্রপন্থা ও বিদ্রোহী কার্যকলাপ দমনের বৃহত্তর কৌশলের অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। নিরাপত্তা বাহিনীর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে সন্ত্রাসী ও বিদ্রোহী হুমকি নির্মূলে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

সাম্প্রতিক সময়গুলোতে অঞ্চলে নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পাকিস্তানি বাহিনী বিভিন্ন সামরিক তৎপরতা জোরদার করেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে।