১১:৪৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬
পি চিদাম্বরমের লেখাঃ শুধু ভবিষ্যতের ভারত নয়, গ্লোবাল সাউথের চিত্র মাছের প্রাণঘাতী ভাইরাস ঠেকাতে মুখে খাওয়ানো টিকা, খামারি শিল্পে নতুন সম্ভাবনা এলিট কমান্ডো ব্যাটালিয়নের অনন্য কীর্তি, টানা ২৩ বছর সেরা যুদ্ধ ইউনিট সিঙ্গাপুরে সাগরের বিস্ময় দেখে উচ্ছ্বসিত শিশুরা, আনন্দভ্রমণে পেল নতুন অভিজ্ঞতা প্রতারকদের নতুন ফাঁদ: সরকারি কর্মকর্তার পরিচয়ে ঋণ নিতে বাধ্য, তারপরই লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে চক্র বাংলাদেশের মতোই সিঙ্গাপুরেও বর্ষায় সৈকতে বাড়ে আবর্জনা, সবচেয়ে বেশি ভাসে ইস্ট কোস্ট পার্কে আজকের মহামারির লড়াইয়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সংক্রামক রোগ নজরদারিতে নতুন যুগের সূচনা দক্ষিণ কোরিয়া–জাপানের নতুন অঙ্গীকার, কোরীয় উপদ্বীপকে পরমাণু অস্ত্রমুক্ত করার বার্তা গবেষণা: কিশোর ছেলেরা মেয়েদের তুলনায় দ্বিগুণ শারীরিক শাস্তি পায়, পারিবারিক বিশ্বাসই বড় কারণ অস্ট্রেলিয়ায় শিশুদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে আরও কঠোর আইন, প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের জরিমানা দ্বিগুণ

পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর হামলায় কান্দাহারে তালেবানের ২০৫ কোর ব্রিগেড সদর দপ্তর ধ্বংস

দক্ষিণ আফগানিস্তানের কান্দাহার প্রদেশে আফগান তালেবানের একটি গুরুত্বপূর্ণ সামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়ে সেটি ধ্বংস করেছে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী। নিরাপত্তা সূত্রের বরাতে জানা গেছে, এই অভিযানে তালেবানের ২০৫ কোর ব্রিগেডের সদর দপ্তর সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস হয়ে গেছে।

অপারেশন ‘গজব লিল-হক’-এর অংশ হিসেবে এই হামলা চালানো হয়, যা অঞ্চলটিতে সক্রিয় উগ্রপন্থী ও বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে চলমান সামরিক তৎপরতার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

অপারেশন গজব লিল-হক: লক্ষ্য ছিল গুরুত্বপূর্ণ সামরিক স্থাপনা

নিরাপত্তা সূত্র জানায়, পাকিস্তানি বাহিনী চলমান ‘অপারেশন গজব লিল-হক’-এর আওতায় কান্দাহারে তালেবানের বিভিন্ন কৌশলগত স্থাপনায় হামলা চালায়। এর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য ছিল ২০৫ কোর ব্রিগেডের সদর দপ্তর, যা অভিযানের মাধ্যমে ধ্বংস করা হয়েছে।

এই ব্রিগেড সদর দপ্তরটি তালেবান বাহিনীর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সামরিক সমন্বয় কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছিল বলে জানা গেছে।

অস্ত্রভাণ্ডারেও হামলা

সামরিক সূত্র আরও জানায়, এই অভিযানে তালেবানদের বেশ কয়েকটি অস্ত্র ও গোলাবারুদের গুদামও লক্ষ্যবস্তু করা হয়। এসব গুদাম ধ্বংসের ফলে জঙ্গিগোষ্ঠীর যুদ্ধ পরিচালনার সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে দুর্বল হয়ে পড়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, অস্ত্রভাণ্ডার ধ্বংস হওয়ায় ভবিষ্যতে তালেবানদের সামরিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করা আরও কঠিন হয়ে পড়তে পারে।

উগ্রপন্থা দমনে চলমান অভিযান

এই সামরিক অভিযানকে অঞ্চলজুড়ে উগ্রপন্থা ও বিদ্রোহী কার্যকলাপ দমনের বৃহত্তর কৌশলের অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। নিরাপত্তা বাহিনীর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে সন্ত্রাসী ও বিদ্রোহী হুমকি নির্মূলে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

সাম্প্রতিক সময়গুলোতে অঞ্চলে নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পাকিস্তানি বাহিনী বিভিন্ন সামরিক তৎপরতা জোরদার করেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

পি চিদাম্বরমের লেখাঃ শুধু ভবিষ্যতের ভারত নয়, গ্লোবাল সাউথের চিত্র

পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর হামলায় কান্দাহারে তালেবানের ২০৫ কোর ব্রিগেড সদর দপ্তর ধ্বংস

০৫:১৭:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬

দক্ষিণ আফগানিস্তানের কান্দাহার প্রদেশে আফগান তালেবানের একটি গুরুত্বপূর্ণ সামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়ে সেটি ধ্বংস করেছে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী। নিরাপত্তা সূত্রের বরাতে জানা গেছে, এই অভিযানে তালেবানের ২০৫ কোর ব্রিগেডের সদর দপ্তর সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস হয়ে গেছে।

অপারেশন ‘গজব লিল-হক’-এর অংশ হিসেবে এই হামলা চালানো হয়, যা অঞ্চলটিতে সক্রিয় উগ্রপন্থী ও বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে চলমান সামরিক তৎপরতার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

অপারেশন গজব লিল-হক: লক্ষ্য ছিল গুরুত্বপূর্ণ সামরিক স্থাপনা

নিরাপত্তা সূত্র জানায়, পাকিস্তানি বাহিনী চলমান ‘অপারেশন গজব লিল-হক’-এর আওতায় কান্দাহারে তালেবানের বিভিন্ন কৌশলগত স্থাপনায় হামলা চালায়। এর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য ছিল ২০৫ কোর ব্রিগেডের সদর দপ্তর, যা অভিযানের মাধ্যমে ধ্বংস করা হয়েছে।

এই ব্রিগেড সদর দপ্তরটি তালেবান বাহিনীর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সামরিক সমন্বয় কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছিল বলে জানা গেছে।

অস্ত্রভাণ্ডারেও হামলা

সামরিক সূত্র আরও জানায়, এই অভিযানে তালেবানদের বেশ কয়েকটি অস্ত্র ও গোলাবারুদের গুদামও লক্ষ্যবস্তু করা হয়। এসব গুদাম ধ্বংসের ফলে জঙ্গিগোষ্ঠীর যুদ্ধ পরিচালনার সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে দুর্বল হয়ে পড়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, অস্ত্রভাণ্ডার ধ্বংস হওয়ায় ভবিষ্যতে তালেবানদের সামরিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করা আরও কঠিন হয়ে পড়তে পারে।

উগ্রপন্থা দমনে চলমান অভিযান

এই সামরিক অভিযানকে অঞ্চলজুড়ে উগ্রপন্থা ও বিদ্রোহী কার্যকলাপ দমনের বৃহত্তর কৌশলের অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। নিরাপত্তা বাহিনীর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে সন্ত্রাসী ও বিদ্রোহী হুমকি নির্মূলে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

সাম্প্রতিক সময়গুলোতে অঞ্চলে নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পাকিস্তানি বাহিনী বিভিন্ন সামরিক তৎপরতা জোরদার করেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে।