০১:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬
ইরান যুদ্ধকে জ্বালানি যুদ্ধে পরিনত করতে সমর্থ হয়েছে দুবাইয়ে মাত্র ২৫ হাজার টাকায় ছোট ঘরে জীবন: নেটিজেনদের মিশ্র প্রতিক্রিয়া চীনের মধ্যস্থতায় পাকিস্তান-আফগানিস্তান নতুন শান্তি আলোচনা, যুদ্ধবিরতি ও সীমান্ত খুলতে জোর চেষ্টা জন্মসূত্রে নাগরিকত্বে ট্রাম্পের বিধিনিষেধে সুপ্রিম কোর্টের সংশয়, শুনানিতে তীব্র প্রশ্নবাণ স্পেসএক্স আইপিও ঝড়: ইতিহাসের সবচেয়ে বড় শেয়ারবাজারে নামতে যাচ্ছে মাস্কের মহাকাশ সাম্রাজ্য ইরান যুদ্ধ থামাতে সক্রিয় মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট ভ্যান্স, পাকিস্তান হয়ে গোপন বার্তা আদান-প্রদান ন্যাটো ছাড়ার হুমকি ট্রাম্পের: আইনি জটিলতায় কি সত্যিই বের হতে পারবে যুক্তরাষ্ট্র? যুদ্ধ থামলেও থামবে না ঝুঁকি: ইরান আরও শক্তিশালী, উপসাগরীয় অঞ্চল বড় বিপদের মুখে ইরান প্রেসিডেন্টের বার্তা: সাধারণ আমেরিকানদের প্রতি কোনো শত্রুতা নেই  ইরান থেকে দ্রুত সরে যাবে যুক্তরাষ্ট্র, প্রয়োজনে ফের হামলা—ট্রাম্পের ইঙ্গিতেই বাড়ছে বৈশ্বিক উত্তেজনা

পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর হামলায় কান্দাহারে তালেবানের ২০৫ কোর ব্রিগেড সদর দপ্তর ধ্বংস

দক্ষিণ আফগানিস্তানের কান্দাহার প্রদেশে আফগান তালেবানের একটি গুরুত্বপূর্ণ সামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়ে সেটি ধ্বংস করেছে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী। নিরাপত্তা সূত্রের বরাতে জানা গেছে, এই অভিযানে তালেবানের ২০৫ কোর ব্রিগেডের সদর দপ্তর সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস হয়ে গেছে।

অপারেশন ‘গজব লিল-হক’-এর অংশ হিসেবে এই হামলা চালানো হয়, যা অঞ্চলটিতে সক্রিয় উগ্রপন্থী ও বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে চলমান সামরিক তৎপরতার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

অপারেশন গজব লিল-হক: লক্ষ্য ছিল গুরুত্বপূর্ণ সামরিক স্থাপনা

নিরাপত্তা সূত্র জানায়, পাকিস্তানি বাহিনী চলমান ‘অপারেশন গজব লিল-হক’-এর আওতায় কান্দাহারে তালেবানের বিভিন্ন কৌশলগত স্থাপনায় হামলা চালায়। এর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য ছিল ২০৫ কোর ব্রিগেডের সদর দপ্তর, যা অভিযানের মাধ্যমে ধ্বংস করা হয়েছে।

এই ব্রিগেড সদর দপ্তরটি তালেবান বাহিনীর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সামরিক সমন্বয় কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছিল বলে জানা গেছে।

অস্ত্রভাণ্ডারেও হামলা

সামরিক সূত্র আরও জানায়, এই অভিযানে তালেবানদের বেশ কয়েকটি অস্ত্র ও গোলাবারুদের গুদামও লক্ষ্যবস্তু করা হয়। এসব গুদাম ধ্বংসের ফলে জঙ্গিগোষ্ঠীর যুদ্ধ পরিচালনার সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে দুর্বল হয়ে পড়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, অস্ত্রভাণ্ডার ধ্বংস হওয়ায় ভবিষ্যতে তালেবানদের সামরিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করা আরও কঠিন হয়ে পড়তে পারে।

উগ্রপন্থা দমনে চলমান অভিযান

এই সামরিক অভিযানকে অঞ্চলজুড়ে উগ্রপন্থা ও বিদ্রোহী কার্যকলাপ দমনের বৃহত্তর কৌশলের অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। নিরাপত্তা বাহিনীর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে সন্ত্রাসী ও বিদ্রোহী হুমকি নির্মূলে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

সাম্প্রতিক সময়গুলোতে অঞ্চলে নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পাকিস্তানি বাহিনী বিভিন্ন সামরিক তৎপরতা জোরদার করেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরান যুদ্ধকে জ্বালানি যুদ্ধে পরিনত করতে সমর্থ হয়েছে

পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর হামলায় কান্দাহারে তালেবানের ২০৫ কোর ব্রিগেড সদর দপ্তর ধ্বংস

০৫:১৭:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬

দক্ষিণ আফগানিস্তানের কান্দাহার প্রদেশে আফগান তালেবানের একটি গুরুত্বপূর্ণ সামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়ে সেটি ধ্বংস করেছে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী। নিরাপত্তা সূত্রের বরাতে জানা গেছে, এই অভিযানে তালেবানের ২০৫ কোর ব্রিগেডের সদর দপ্তর সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস হয়ে গেছে।

অপারেশন ‘গজব লিল-হক’-এর অংশ হিসেবে এই হামলা চালানো হয়, যা অঞ্চলটিতে সক্রিয় উগ্রপন্থী ও বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে চলমান সামরিক তৎপরতার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

অপারেশন গজব লিল-হক: লক্ষ্য ছিল গুরুত্বপূর্ণ সামরিক স্থাপনা

নিরাপত্তা সূত্র জানায়, পাকিস্তানি বাহিনী চলমান ‘অপারেশন গজব লিল-হক’-এর আওতায় কান্দাহারে তালেবানের বিভিন্ন কৌশলগত স্থাপনায় হামলা চালায়। এর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য ছিল ২০৫ কোর ব্রিগেডের সদর দপ্তর, যা অভিযানের মাধ্যমে ধ্বংস করা হয়েছে।

এই ব্রিগেড সদর দপ্তরটি তালেবান বাহিনীর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সামরিক সমন্বয় কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছিল বলে জানা গেছে।

অস্ত্রভাণ্ডারেও হামলা

সামরিক সূত্র আরও জানায়, এই অভিযানে তালেবানদের বেশ কয়েকটি অস্ত্র ও গোলাবারুদের গুদামও লক্ষ্যবস্তু করা হয়। এসব গুদাম ধ্বংসের ফলে জঙ্গিগোষ্ঠীর যুদ্ধ পরিচালনার সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে দুর্বল হয়ে পড়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, অস্ত্রভাণ্ডার ধ্বংস হওয়ায় ভবিষ্যতে তালেবানদের সামরিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করা আরও কঠিন হয়ে পড়তে পারে।

উগ্রপন্থা দমনে চলমান অভিযান

এই সামরিক অভিযানকে অঞ্চলজুড়ে উগ্রপন্থা ও বিদ্রোহী কার্যকলাপ দমনের বৃহত্তর কৌশলের অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। নিরাপত্তা বাহিনীর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে সন্ত্রাসী ও বিদ্রোহী হুমকি নির্মূলে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

সাম্প্রতিক সময়গুলোতে অঞ্চলে নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পাকিস্তানি বাহিনী বিভিন্ন সামরিক তৎপরতা জোরদার করেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে।