০৯:২৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬
খাদ্য সংকটের সতর্কতা দিল IMF — বিশ্বের ২০ কোটি ব্যারেল তেল হারাচ্ছে প্রতিদিন ঘুমের সমস্যায় কার্যকর সমাধান যোগব্যায়াম? নতুন গবেষণায় মিলছে ইতিবাচক ফল ওভিডের রূপান্তরের মহাকাব্য: শিল্প ও সাহিত্যের চিরন্তন প্রেরণা আজ রাত থেকে Apple, Google, Tesla সহ ১৭ মার্কিন কোম্পানিতে হামলার হুমকি দিল IRGC যুদ্ধের ভয়ে পোষা প্রাণী নিয়ে দেশ ছাড়তে লাখ টাকার খরচ, আকাশছোঁয়া ভাড়া ও অনিশ্চয়তায় বিপাকে প্রবাসীরা যুদ্ধ শেষের আভাসে এশিয়ার শেয়ারবাজারে বিশাল উত্থান — নিক্কেই ৪%, কসপি ৬.৪% বাড়ল মার্কিন পেট্রোলের দাম গ্যালনপ্রতি ৪ ডলার ছাড়াল — ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ ‘নিজেদের তেল নিজেরা নাও’ — মিত্রদের একা ছেড়ে দিলেন ট্রাম্প যুদ্ধের আড়ালে নিপীড়ন: ইরানে দুই রাজনৈতিক বন্দীর ফাঁসি, ইউরোপে বিক্ষোভ মধ্যপ্রাচ্যে আরো ৬ হাজার সেনা পাঠাল যুক্তরাষ্ট্র — USS George H.W. Bush রওয়ানা

সাইপ্রাসে ব্রিটিশ বিমানঘাঁটিতে ড্রোন হামলা, ক্ষতিগ্রস্ত হ্যাঙ্গার

ভূমধ্যসাগরের দ্বীপ রাষ্ট্র সাইপ্রাসে অবস্থিত ব্রিটেনের একটি সামরিক বিমানঘাঁটিতে ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছে। হামলায় ঘাঁটির একটি হ্যাঙ্গার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে সাইপ্রাস কর্তৃপক্ষ। প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে, হামলায় ব্যবহৃত ড্রোনটি ছিল শাহেদ ধরনের এবং এটি লেবাননের রাজধানী বৈরুত থেকে উৎক্ষেপণ করা হয়েছিল।

ব্রিটিশ বিমানঘাঁটিতে ড্রোন হামলা

সাইপ্রাসের দক্ষিণ উপকূলে লিমাসলের কাছে অবস্থিত ব্রিটিশ রয়্যাল এয়ার ফোর্সের আকরোটিরি বিমানঘাঁটিতে এই হামলার ঘটনা ঘটে। একটি শাহেদ ড্রোন ঘাঁটির একটি হ্যাঙ্গারে আঘাত হানে, ফলে অবকাঠামোগত ক্ষতি হয়।

সামরিক সূত্র বলছে, হামলার সময় ঘাঁটিতে একটি পরিবহন বিমান অবতরণ করেছিল। ঘটনার পর নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণে তদন্ত চলছে।

সাইপ্রাসে ব্রিটিশ বিমান ঘাঁটিতে সন্দেহজনক ড্রোন হামলা

ড্রোনের উৎস নিয়ে তদন্ত

সাইপ্রাসের সরকারি সূত্র জানিয়েছে, প্রাথমিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে ড্রোনটি বৈরুত থেকে উৎক্ষেপণ করা হয়েছিল। তবে হামলার পেছনে কারা জড়িত এবং কী উদ্দেশ্যে এটি চালানো হয়েছে—তা নিয়ে এখনো বিস্তারিত তদন্ত চলছে।

নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, শাহেদ ধরনের ড্রোন সাধারণত দূরপাল্লার হামলায় ব্যবহৃত হয় এবং সাম্প্রতিক সময়ে মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতে এ ধরনের ড্রোনের ব্যবহার বেড়েছে।

সাইপ্রাসে ব্রিটিশ বিমানঘাঁটিতে ড্রোন হামলা

আঞ্চলিক উত্তেজনার প্রভাব

এই হামলা মধ্যপ্রাচ্য ও পূর্ব ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার ইঙ্গিত দিচ্ছে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা। ব্রিটিশ সামরিক ঘাঁটি হওয়ায় ঘটনাটি আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা পরিস্থিতির ওপরও প্রভাব ফেলতে পারে।

সাইপ্রাস সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শুরু করেছে এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের হামলা প্রতিরোধে অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানিয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

খাদ্য সংকটের সতর্কতা দিল IMF — বিশ্বের ২০ কোটি ব্যারেল তেল হারাচ্ছে প্রতিদিন

সাইপ্রাসে ব্রিটিশ বিমানঘাঁটিতে ড্রোন হামলা, ক্ষতিগ্রস্ত হ্যাঙ্গার

১১:৪৫:৩৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৬ মার্চ ২০২৬

ভূমধ্যসাগরের দ্বীপ রাষ্ট্র সাইপ্রাসে অবস্থিত ব্রিটেনের একটি সামরিক বিমানঘাঁটিতে ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছে। হামলায় ঘাঁটির একটি হ্যাঙ্গার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে সাইপ্রাস কর্তৃপক্ষ। প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে, হামলায় ব্যবহৃত ড্রোনটি ছিল শাহেদ ধরনের এবং এটি লেবাননের রাজধানী বৈরুত থেকে উৎক্ষেপণ করা হয়েছিল।

ব্রিটিশ বিমানঘাঁটিতে ড্রোন হামলা

সাইপ্রাসের দক্ষিণ উপকূলে লিমাসলের কাছে অবস্থিত ব্রিটিশ রয়্যাল এয়ার ফোর্সের আকরোটিরি বিমানঘাঁটিতে এই হামলার ঘটনা ঘটে। একটি শাহেদ ড্রোন ঘাঁটির একটি হ্যাঙ্গারে আঘাত হানে, ফলে অবকাঠামোগত ক্ষতি হয়।

সামরিক সূত্র বলছে, হামলার সময় ঘাঁটিতে একটি পরিবহন বিমান অবতরণ করেছিল। ঘটনার পর নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণে তদন্ত চলছে।

সাইপ্রাসে ব্রিটিশ বিমান ঘাঁটিতে সন্দেহজনক ড্রোন হামলা

ড্রোনের উৎস নিয়ে তদন্ত

সাইপ্রাসের সরকারি সূত্র জানিয়েছে, প্রাথমিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে ড্রোনটি বৈরুত থেকে উৎক্ষেপণ করা হয়েছিল। তবে হামলার পেছনে কারা জড়িত এবং কী উদ্দেশ্যে এটি চালানো হয়েছে—তা নিয়ে এখনো বিস্তারিত তদন্ত চলছে।

নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, শাহেদ ধরনের ড্রোন সাধারণত দূরপাল্লার হামলায় ব্যবহৃত হয় এবং সাম্প্রতিক সময়ে মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতে এ ধরনের ড্রোনের ব্যবহার বেড়েছে।

সাইপ্রাসে ব্রিটিশ বিমানঘাঁটিতে ড্রোন হামলা

আঞ্চলিক উত্তেজনার প্রভাব

এই হামলা মধ্যপ্রাচ্য ও পূর্ব ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার ইঙ্গিত দিচ্ছে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা। ব্রিটিশ সামরিক ঘাঁটি হওয়ায় ঘটনাটি আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা পরিস্থিতির ওপরও প্রভাব ফেলতে পারে।

সাইপ্রাস সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শুরু করেছে এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের হামলা প্রতিরোধে অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানিয়েছে।