ইরানসহ সাম্প্রতিক সামরিক অভিযানে ব্যবহৃত অস্ত্রের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের মজুত কমে যাওয়ায় দ্রুত উৎপাদন বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে ট্রাম্প প্রশাসন। এ বিষয়ে বড় মার্কিন প্রতিরক্ষা কোম্পানিগুলোর শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে শুক্রবার বৈঠকে বসার কথা রয়েছে প্রশাসনের।
প্রতিরক্ষা কোম্পানিগুলোর সঙ্গে বৈঠকের পরিকল্পনা
সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান প্রতিরক্ষা শিল্প প্রতিষ্ঠানের নির্বাহীদের সঙ্গে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। এতে লকহিড মার্টিন ও আরটিএক্সের প্রতিনিধিরা অংশ নেবেন।
বৈঠকের মূল লক্ষ্য হলো দ্রুত অস্ত্র উৎপাদন বাড়ানোর উপায় খুঁজে বের করা। বিশেষ করে ইরানে হামলা এবং সাম্প্রতিক অন্যান্য সামরিক অভিযানের কারণে যে অস্ত্রের মজুত কমে গেছে, তা দ্রুত পূরণ করা নিয়ে আলোচনা হবে।

ওয়াশিংটনের বাড়তি উদ্বেগ
পরিকল্পনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানিয়েছেন, ওয়াশিংটনে এখন অস্ত্রের মজুত পুনর্গঠন নিয়ে উদ্বেগ বেড়েছে। সাম্প্রতিক সামরিক কর্মকাণ্ডের ফলে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র ব্যবস্থার মজুত দ্রুত কমে যাওয়ায় প্রশাসন দ্রুত পদক্ষেপ নিতে চাইছে।
এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় অস্ত্র উৎপাদন বাড়ানো এবং সরবরাহ ব্যবস্থা দ্রুততর করা নিয়ে সরকারের ভেতরে তৎপরতা বাড়ছে।
৫০ বিলিয়ন ডলারের অতিরিক্ত বাজেটের সম্ভাবনা
হোয়াইট হাউসে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই বৈঠকের সময় প্রায় ৫০ বিলিয়ন ডলারের একটি অতিরিক্ত বাজেট প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হতে পারে। এই অর্থ মূলত ব্যবহৃত অস্ত্রের পরিবর্তে নতুন অস্ত্র সংগ্রহের জন্য ব্যয় করা হবে।
তবে মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক অভিযানের সময়কাল কতদিন চলবে, তার ওপর নির্ভর করে এই বাজেটের পরিমাণ পরিবর্তিত হতে পারে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট সূত্র।
বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার চাহিদা বাড়ছে
বিশ্বজুড়ে ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা বেড়ে যাওয়ায় বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার চাহিদাও দ্রুত বাড়ছে। বিশেষ করে পিএসি–৩ ইন্টারসেপ্টরের মতো আধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা প্রযুক্তির চাহিদা এখন অনেক বেশি।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি জটিল হওয়ায় আগামী সময়ে এই ধরনের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার উৎপাদন আরও বাড়ানোর প্রয়োজন হতে পারে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















