০৫:২৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬
ওভিডের রূপান্তরের মহাকাব্য: শিল্প ও সাহিত্যের চিরন্তন প্রেরণা আজ রাত থেকে Apple, Google, Tesla সহ ১৭ মার্কিন কোম্পানিতে হামলার হুমকি দিল IRGC যুদ্ধের ভয়ে পোষা প্রাণী নিয়ে দেশ ছাড়তে লাখ টাকার খরচ, আকাশছোঁয়া ভাড়া ও অনিশ্চয়তায় বিপাকে প্রবাসীরা যুদ্ধ শেষের আভাসে এশিয়ার শেয়ারবাজারে বিশাল উত্থান — নিক্কেই ৪%, কসপি ৬.৪% বাড়ল মার্কিন পেট্রোলের দাম গ্যালনপ্রতি ৪ ডলার ছাড়াল — ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ ‘নিজেদের তেল নিজেরা নাও’ — মিত্রদের একা ছেড়ে দিলেন ট্রাম্প যুদ্ধের আড়ালে নিপীড়ন: ইরানে দুই রাজনৈতিক বন্দীর ফাঁসি, ইউরোপে বিক্ষোভ মধ্যপ্রাচ্যে আরো ৬ হাজার সেনা পাঠাল যুক্তরাষ্ট্র — USS George H.W. Bush রওয়ানা ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী: ‘আমরা ছয় মাস যুদ্ধ চালাতে প্রস্তুত, কোনো আলোচনা চলছে না’ ইসরায়েল তেহরান ও বৈরুতে একযোগে হামলা — লেবাননে ৭ জন নিহত, হিজবুল্লাহ কমান্ডার খতম

দুর্বল ইরান হলে উল্টো বিপদে পড়তে পারে যুক্তরাষ্ট্র, বাড়তে পারে বৈশ্বিক অস্থিরতা

মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের সামরিক সক্ষমতা দুর্বল করলে অঞ্চল আরও নিরাপদ হবে—এমন ধারণা দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের কিছু নীতিনির্ধারকের মধ্যে রয়েছে। তবে বিশ্লেষকদের মতে, বাস্তবে ইরানকে দুর্বল করার কৌশল উল্টো বড় ধরনের অস্থিরতা সৃষ্টি করতে পারে, যার প্রভাব শুধু মধ্যপ্রাচ্যেই নয়, বিশ্ব রাজনীতি ও অর্থনীতিতেও পড়তে পারে।

ইরান মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম বড় ও কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্র। দেশটির সামরিক শক্তি কমিয়ে দিলে অঞ্চল স্থিতিশীল হবে—এই ধারণা বাস্তবতার সঙ্গে সবসময় মিল নাও খেতে পারে। বরং এমন পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে, যা বর্তমান অবস্থার চেয়েও বিপজ্জনক হয়ে উঠবে।

ইরানের অভ্যন্তরীণ ভাঙনের ঝুঁকি

ইরান একটি বহু জাতিগোষ্ঠীর দেশ। পারসিয়ানদের পাশাপাশি এখানে আজারি, কুর্দি, আরব ও বালুচসহ নানা সম্প্রদায়ের মানুষ বসবাস করে। অতীতে এসব অঞ্চলে রাজনৈতিক উত্তেজনা ও বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলনের ইতিহাসও রয়েছে।

এখন পর্যন্ত শক্তিশালী কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রব্যবস্থা এসব উত্তেজনা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সক্ষম হয়েছে। কিন্তু যদি রাষ্ট্রক্ষমতা দুর্বল হয়ে পড়ে, তাহলে এসব জাতিগত উত্তেজনা আরও তীব্র হয়ে উঠতে পারে। এর ফলে দেশটির বিভিন্ন অঞ্চলে সশস্ত্র গোষ্ঠী ও বিদ্রোহী শক্তির উত্থান ঘটতে পারে।

Iran's legal case for striking the Gulf collapses under scrutiny | Israel- Iran conflict | Al Jazeera

মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিতিশীলতার নতুন অধ্যায়

বিশ্লেষকরা মনে করিয়ে দেন, অতীতেও মধ্যপ্রাচ্যে এমন পরিস্থিতির উদাহরণ রয়েছে। ২০০৩ সালে ইরাকে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযান রাষ্ট্রের কাঠামো ভেঙে দেয়। এর ফলেই দীর্ঘদিনের সাম্প্রদায়িক সংঘাত এবং চরমপন্থী গোষ্ঠীর উত্থান ঘটে।

লিবিয়ায় রাষ্ট্রব্যবস্থা ভেঙে পড়ার পর দেশটি বহু বছর ধরে প্রতিদ্বন্দ্বী সরকার ও মিলিশিয়াদের নিয়ন্ত্রণে বিভক্ত অবস্থায় রয়েছে। একইভাবে সিরিয়ার গৃহযুদ্ধ পুরো অঞ্চলকে গভীর সংকটে ফেলেছে এবং বহু এলাকায় চরমপন্থী গোষ্ঠীর প্রভাব বিস্তার ঘটেছে।

এই অভিজ্ঞতাগুলো ইঙ্গিত দেয় যে বড় কোনো রাষ্ট্র দুর্বল হয়ে পড়লে তার প্রভাব শুধু ওই দেশেই সীমাবদ্ধ থাকে না।

জ্বালানি সরবরাহে বৈশ্বিক ঝুঁকি

ইরান বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি করিডরের কেন্দ্রে অবস্থিত। দেশটির দক্ষিণ উপকূলের কাছে অবস্থিত হরমুজ প্রণালী দিয়ে বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল পরিবহন হয়।

যদি ইরানের ভেতরে অস্থিতিশীলতা তৈরি হয় এবং উপকূলীয় অঞ্চলে বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীর উপস্থিতি বাড়ে, তাহলে এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হুমকির মুখে পড়তে পারে। জাহাজ চলাচল ব্যাহত হলে বৈশ্বিক তেলের বাজারে বড় ধরনের ধাক্কা লাগতে পারে, যার প্রভাব বিশ্ব অর্থনীতিতেও ছড়িয়ে পড়বে।

New US plan to protect oil tankers from Iranian attacks is risky | Vox

আঞ্চলিক শক্তির ভারসাম্যে পরিবর্তন

বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যে ইরান একটি গুরুত্বপূর্ণ শক্তি হিসেবে কাজ করে। লেবাননের হিজবুল্লাহ, ইরাকের বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠী এবং ইয়েমেনের হুথিদের মতো সংগঠনগুলোর সঙ্গে ইরানের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে।

যদি ইরানের রাষ্ট্রক্ষমতা দুর্বল হয়ে যায়, তাহলে এই নেটওয়ার্ক ভেঙে পড়তে পারে। তখন বিভিন্ন গোষ্ঠী স্বাধীনভাবে কাজ শুরু করতে পারে, কেউ কেউ আরও চরমপন্থী হয়ে উঠতে পারে। এতে পুরো অঞ্চলের নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরও অনিশ্চিত হয়ে উঠবে।

নেতৃত্ব সংকট ও সামরিক প্রভাব

ইরানের রাজনৈতিক কাঠামোতে ধর্মীয় নেতৃত্ব, নির্বাচিত রাজনৈতিক নেতৃত্ব এবং নিরাপত্তা বাহিনীর মধ্যে একটি সূক্ষ্ম ভারসাম্য রয়েছে। এই ভারসাম্য নষ্ট হয়ে গেলে ক্ষমতার লড়াই শুরু হতে পারে।

এমন পরিস্থিতিতে শক্তিশালী সামরিক কাঠামো আরও প্রভাবশালী হয়ে উঠতে পারে। ফলে দেশটি আরও সামরিকীকৃত রাজনৈতিক ব্যবস্থার দিকে এগিয়ে যেতে পারে।

Why Yemen’s Houthis are staying out of Israel-US fight with Iran – for now

শরণার্থী সংকটের আশঙ্কা

ইরানের জনসংখ্যা ৯ কোটিরও বেশি। যদি দেশে বড় ধরনের অস্থিরতা তৈরি হয়, তাহলে বিপুল সংখ্যক মানুষ দেশ ছাড়তে বাধ্য হতে পারে।

এদের অনেকেই তুরস্ক হয়ে ইউরোপের দিকে যেতে পারে। এতে ইউরোপে নতুন শরণার্থী সংকট তৈরি হতে পারে, যার রাজনৈতিক প্রভাব আন্তর্জাতিক সম্পর্কেও পড়তে পারে।

কৌশলগত সিদ্ধান্তের প্রশ্ন

বিশ্লেষকদের মতে, ইরানকে দুর্বল করার কৌশল স্বল্পমেয়াদে সামরিকভাবে আকর্ষণীয় মনে হতে পারে। কিন্তু বড় একটি আঞ্চলিক শক্তিকে অস্থিতিশীল করা দীর্ঘমেয়াদে আরও বড় সংকট তৈরি করতে পারে।

অতীতের অভিজ্ঞতা দেখায়, রাষ্ট্র কাঠামো ভেঙে পড়লে নতুন নিরাপত্তা হুমকি সৃষ্টি হয়। তাই ইরানকে দুর্বল করার যেকোনো কৌশল বাস্তবায়নের আগে এর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব গভীরভাবে বিবেচনা করা জরুরি।

জনপ্রিয় সংবাদ

ওভিডের রূপান্তরের মহাকাব্য: শিল্প ও সাহিত্যের চিরন্তন প্রেরণা

দুর্বল ইরান হলে উল্টো বিপদে পড়তে পারে যুক্তরাষ্ট্র, বাড়তে পারে বৈশ্বিক অস্থিরতা

১২:৪৭:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের সামরিক সক্ষমতা দুর্বল করলে অঞ্চল আরও নিরাপদ হবে—এমন ধারণা দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের কিছু নীতিনির্ধারকের মধ্যে রয়েছে। তবে বিশ্লেষকদের মতে, বাস্তবে ইরানকে দুর্বল করার কৌশল উল্টো বড় ধরনের অস্থিরতা সৃষ্টি করতে পারে, যার প্রভাব শুধু মধ্যপ্রাচ্যেই নয়, বিশ্ব রাজনীতি ও অর্থনীতিতেও পড়তে পারে।

ইরান মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম বড় ও কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্র। দেশটির সামরিক শক্তি কমিয়ে দিলে অঞ্চল স্থিতিশীল হবে—এই ধারণা বাস্তবতার সঙ্গে সবসময় মিল নাও খেতে পারে। বরং এমন পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে, যা বর্তমান অবস্থার চেয়েও বিপজ্জনক হয়ে উঠবে।

ইরানের অভ্যন্তরীণ ভাঙনের ঝুঁকি

ইরান একটি বহু জাতিগোষ্ঠীর দেশ। পারসিয়ানদের পাশাপাশি এখানে আজারি, কুর্দি, আরব ও বালুচসহ নানা সম্প্রদায়ের মানুষ বসবাস করে। অতীতে এসব অঞ্চলে রাজনৈতিক উত্তেজনা ও বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলনের ইতিহাসও রয়েছে।

এখন পর্যন্ত শক্তিশালী কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রব্যবস্থা এসব উত্তেজনা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সক্ষম হয়েছে। কিন্তু যদি রাষ্ট্রক্ষমতা দুর্বল হয়ে পড়ে, তাহলে এসব জাতিগত উত্তেজনা আরও তীব্র হয়ে উঠতে পারে। এর ফলে দেশটির বিভিন্ন অঞ্চলে সশস্ত্র গোষ্ঠী ও বিদ্রোহী শক্তির উত্থান ঘটতে পারে।

Iran's legal case for striking the Gulf collapses under scrutiny | Israel- Iran conflict | Al Jazeera

মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিতিশীলতার নতুন অধ্যায়

বিশ্লেষকরা মনে করিয়ে দেন, অতীতেও মধ্যপ্রাচ্যে এমন পরিস্থিতির উদাহরণ রয়েছে। ২০০৩ সালে ইরাকে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযান রাষ্ট্রের কাঠামো ভেঙে দেয়। এর ফলেই দীর্ঘদিনের সাম্প্রদায়িক সংঘাত এবং চরমপন্থী গোষ্ঠীর উত্থান ঘটে।

লিবিয়ায় রাষ্ট্রব্যবস্থা ভেঙে পড়ার পর দেশটি বহু বছর ধরে প্রতিদ্বন্দ্বী সরকার ও মিলিশিয়াদের নিয়ন্ত্রণে বিভক্ত অবস্থায় রয়েছে। একইভাবে সিরিয়ার গৃহযুদ্ধ পুরো অঞ্চলকে গভীর সংকটে ফেলেছে এবং বহু এলাকায় চরমপন্থী গোষ্ঠীর প্রভাব বিস্তার ঘটেছে।

এই অভিজ্ঞতাগুলো ইঙ্গিত দেয় যে বড় কোনো রাষ্ট্র দুর্বল হয়ে পড়লে তার প্রভাব শুধু ওই দেশেই সীমাবদ্ধ থাকে না।

জ্বালানি সরবরাহে বৈশ্বিক ঝুঁকি

ইরান বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি করিডরের কেন্দ্রে অবস্থিত। দেশটির দক্ষিণ উপকূলের কাছে অবস্থিত হরমুজ প্রণালী দিয়ে বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল পরিবহন হয়।

যদি ইরানের ভেতরে অস্থিতিশীলতা তৈরি হয় এবং উপকূলীয় অঞ্চলে বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীর উপস্থিতি বাড়ে, তাহলে এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হুমকির মুখে পড়তে পারে। জাহাজ চলাচল ব্যাহত হলে বৈশ্বিক তেলের বাজারে বড় ধরনের ধাক্কা লাগতে পারে, যার প্রভাব বিশ্ব অর্থনীতিতেও ছড়িয়ে পড়বে।

New US plan to protect oil tankers from Iranian attacks is risky | Vox

আঞ্চলিক শক্তির ভারসাম্যে পরিবর্তন

বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যে ইরান একটি গুরুত্বপূর্ণ শক্তি হিসেবে কাজ করে। লেবাননের হিজবুল্লাহ, ইরাকের বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠী এবং ইয়েমেনের হুথিদের মতো সংগঠনগুলোর সঙ্গে ইরানের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে।

যদি ইরানের রাষ্ট্রক্ষমতা দুর্বল হয়ে যায়, তাহলে এই নেটওয়ার্ক ভেঙে পড়তে পারে। তখন বিভিন্ন গোষ্ঠী স্বাধীনভাবে কাজ শুরু করতে পারে, কেউ কেউ আরও চরমপন্থী হয়ে উঠতে পারে। এতে পুরো অঞ্চলের নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরও অনিশ্চিত হয়ে উঠবে।

নেতৃত্ব সংকট ও সামরিক প্রভাব

ইরানের রাজনৈতিক কাঠামোতে ধর্মীয় নেতৃত্ব, নির্বাচিত রাজনৈতিক নেতৃত্ব এবং নিরাপত্তা বাহিনীর মধ্যে একটি সূক্ষ্ম ভারসাম্য রয়েছে। এই ভারসাম্য নষ্ট হয়ে গেলে ক্ষমতার লড়াই শুরু হতে পারে।

এমন পরিস্থিতিতে শক্তিশালী সামরিক কাঠামো আরও প্রভাবশালী হয়ে উঠতে পারে। ফলে দেশটি আরও সামরিকীকৃত রাজনৈতিক ব্যবস্থার দিকে এগিয়ে যেতে পারে।

Why Yemen’s Houthis are staying out of Israel-US fight with Iran – for now

শরণার্থী সংকটের আশঙ্কা

ইরানের জনসংখ্যা ৯ কোটিরও বেশি। যদি দেশে বড় ধরনের অস্থিরতা তৈরি হয়, তাহলে বিপুল সংখ্যক মানুষ দেশ ছাড়তে বাধ্য হতে পারে।

এদের অনেকেই তুরস্ক হয়ে ইউরোপের দিকে যেতে পারে। এতে ইউরোপে নতুন শরণার্থী সংকট তৈরি হতে পারে, যার রাজনৈতিক প্রভাব আন্তর্জাতিক সম্পর্কেও পড়তে পারে।

কৌশলগত সিদ্ধান্তের প্রশ্ন

বিশ্লেষকদের মতে, ইরানকে দুর্বল করার কৌশল স্বল্পমেয়াদে সামরিকভাবে আকর্ষণীয় মনে হতে পারে। কিন্তু বড় একটি আঞ্চলিক শক্তিকে অস্থিতিশীল করা দীর্ঘমেয়াদে আরও বড় সংকট তৈরি করতে পারে।

অতীতের অভিজ্ঞতা দেখায়, রাষ্ট্র কাঠামো ভেঙে পড়লে নতুন নিরাপত্তা হুমকি সৃষ্টি হয়। তাই ইরানকে দুর্বল করার যেকোনো কৌশল বাস্তবায়নের আগে এর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব গভীরভাবে বিবেচনা করা জরুরি।