০১:৪২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬
যুদ্ধের ভয়ে পোষা প্রাণী নিয়ে দেশ ছাড়তে লাখ টাকার খরচ, আকাশছোঁয়া ভাড়া ও অনিশ্চয়তায় বিপাকে প্রবাসীরা যুদ্ধ শেষের আভাসে এশিয়ার শেয়ারবাজারে বিশাল উত্থান — নিক্কেই ৪%, কসপি ৬.৪% বাড়ল মার্কিন পেট্রোলের দাম গ্যালনপ্রতি ৪ ডলার ছাড়াল — ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ ‘নিজেদের তেল নিজেরা নাও’ — মিত্রদের একা ছেড়ে দিলেন ট্রাম্প যুদ্ধের আড়ালে নিপীড়ন: ইরানে দুই রাজনৈতিক বন্দীর ফাঁসি, ইউরোপে বিক্ষোভ মধ্যপ্রাচ্যে আরো ৬ হাজার সেনা পাঠাল যুক্তরাষ্ট্র — USS George H.W. Bush রওয়ানা ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী: ‘আমরা ছয় মাস যুদ্ধ চালাতে প্রস্তুত, কোনো আলোচনা চলছে না’ ইসরায়েল তেহরান ও বৈরুতে একযোগে হামলা — লেবাননে ৭ জন নিহত, হিজবুল্লাহ কমান্ডার খতম ইরান ও হিজবুল্লাহর সাথে যৌথ অভিযানে ইসরায়েলে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল হুতিরা ট্রাম্প: ‘ইরানকে চুক্তি করতে হবে না’ — একতরফাভাবে সরে আসার ইঙ্গিত

সমঝোতায় আগ্রহ নেই যুক্তরাষ্ট্রের, ইরানকে কড়া বার্তা ট্রাম্পের

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের সঙ্গে কোনো ধরনের সমঝোতার পথে যেতে যুক্তরাষ্ট্র আগ্রহী নয়। তাঁর দাবি, বর্তমান পরিস্থিতিতে ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের যথেষ্ট প্রভাব ও চাপ রয়েছে, তাই আলোচনার মাধ্যমে সমাধান খোঁজার প্রয়োজন দেখছে না ওয়াশিংটন।

রোববার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প বলেন, “আমরা কোনো সমঝোতা খুঁজছি না। তারা সমঝোতা করতে চাইতে পারে, কিন্তু আমরা সেটি খুঁজছি না।”

ইরানের সঙ্গে আমরা আলোচনায় প্রস্তুত: ট্রাম্প

ইরান আলোচনায় অনমনীয় ছিল

ইরানের সঙ্গে আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম প্রধান দূত স্টিভ উইটকফ জানান, যুক্তরাষ্ট্র হামলা শুরু করার আগেই আলোচনায় তেহরানের নেতৃত্ব খুব একটা ইতিবাচক মনোভাব দেখায়নি।

তিনি বলেন, আলোচনার সময় ইরানি নেতারা স্পষ্ট করে দিয়েছিল যে, সামরিকভাবে যা অর্জন করা যায়নি, তা কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে তারা দিতে রাজি নয়।

উইটকফ জানান, আলোচনায় তাঁর সঙ্গে ছিলেন সাবেক প্রেসিডেন্টের জামাতা এবং আলোচনাকারী জ্যারেড কুশনারও। ইরানি পক্ষ তাদের বলেছিল, সামরিক শক্তি দিয়ে যা নেওয়া সম্ভব হয়নি, কূটনৈতিক পথে সেটি তারা দেবে না।

এই অবস্থান থেকে সরে আসতে হলে ইরানের মনোভাবের পরিবর্তন দরকার বলে মন্তব্য করেন তিনি।

Steve Witkoff | Iran, Wife, Ukraine, Russia, Israel, & Facts | Britannica

ইরানে মার্কিন অভিযানকে ‘একটি অভিযান’ বললেন ট্রাম্প

সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে ট্রাম্প ইরানে চলমান মার্কিন সামরিক কার্যক্রমকে বারবার “একটি অভিযান” হিসেবে উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, এই সংঘাত শেষ হলে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য বেশ কিছু ইতিবাচক পরিবর্তন দেখা যাবে। বিশেষ করে জ্বালানির দাম বৃদ্ধি এবং বিদেশে থাকা মার্কিন নাগরিকদের নিরাপত্তা নিয়ে যে উদ্বেগ রয়েছে, তা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে অনেকটাই কমে আসবে।

ট্রাম্পের মতে, চলমান অভিযান শেষ হলে অর্থনৈতিক চাপ কমবে এবং যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের নিরাপত্তা পরিস্থিতিও আরও স্থিতিশীল হবে।

আরও যে ৩ দেশ যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানের মুখোমুখি হতে পারে!

জনপ্রিয় সংবাদ

যুদ্ধের ভয়ে পোষা প্রাণী নিয়ে দেশ ছাড়তে লাখ টাকার খরচ, আকাশছোঁয়া ভাড়া ও অনিশ্চয়তায় বিপাকে প্রবাসীরা

সমঝোতায় আগ্রহ নেই যুক্তরাষ্ট্রের, ইরানকে কড়া বার্তা ট্রাম্পের

১২:৩৪:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ মার্চ ২০২৬

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের সঙ্গে কোনো ধরনের সমঝোতার পথে যেতে যুক্তরাষ্ট্র আগ্রহী নয়। তাঁর দাবি, বর্তমান পরিস্থিতিতে ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের যথেষ্ট প্রভাব ও চাপ রয়েছে, তাই আলোচনার মাধ্যমে সমাধান খোঁজার প্রয়োজন দেখছে না ওয়াশিংটন।

রোববার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প বলেন, “আমরা কোনো সমঝোতা খুঁজছি না। তারা সমঝোতা করতে চাইতে পারে, কিন্তু আমরা সেটি খুঁজছি না।”

ইরানের সঙ্গে আমরা আলোচনায় প্রস্তুত: ট্রাম্প

ইরান আলোচনায় অনমনীয় ছিল

ইরানের সঙ্গে আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম প্রধান দূত স্টিভ উইটকফ জানান, যুক্তরাষ্ট্র হামলা শুরু করার আগেই আলোচনায় তেহরানের নেতৃত্ব খুব একটা ইতিবাচক মনোভাব দেখায়নি।

তিনি বলেন, আলোচনার সময় ইরানি নেতারা স্পষ্ট করে দিয়েছিল যে, সামরিকভাবে যা অর্জন করা যায়নি, তা কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে তারা দিতে রাজি নয়।

উইটকফ জানান, আলোচনায় তাঁর সঙ্গে ছিলেন সাবেক প্রেসিডেন্টের জামাতা এবং আলোচনাকারী জ্যারেড কুশনারও। ইরানি পক্ষ তাদের বলেছিল, সামরিক শক্তি দিয়ে যা নেওয়া সম্ভব হয়নি, কূটনৈতিক পথে সেটি তারা দেবে না।

এই অবস্থান থেকে সরে আসতে হলে ইরানের মনোভাবের পরিবর্তন দরকার বলে মন্তব্য করেন তিনি।

Steve Witkoff | Iran, Wife, Ukraine, Russia, Israel, & Facts | Britannica

ইরানে মার্কিন অভিযানকে ‘একটি অভিযান’ বললেন ট্রাম্প

সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে ট্রাম্প ইরানে চলমান মার্কিন সামরিক কার্যক্রমকে বারবার “একটি অভিযান” হিসেবে উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, এই সংঘাত শেষ হলে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য বেশ কিছু ইতিবাচক পরিবর্তন দেখা যাবে। বিশেষ করে জ্বালানির দাম বৃদ্ধি এবং বিদেশে থাকা মার্কিন নাগরিকদের নিরাপত্তা নিয়ে যে উদ্বেগ রয়েছে, তা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে অনেকটাই কমে আসবে।

ট্রাম্পের মতে, চলমান অভিযান শেষ হলে অর্থনৈতিক চাপ কমবে এবং যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের নিরাপত্তা পরিস্থিতিও আরও স্থিতিশীল হবে।

আরও যে ৩ দেশ যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানের মুখোমুখি হতে পারে!