চীনের পররাষ্ট্রনীতি নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা
চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই রবিবার সকালে সাংবাদিকদের সামনে বেইজিংয়ের ভবিষ্যৎ পররাষ্ট্রনীতি সম্পর্কে বিস্তারিত তুলে ধরেন। এটি ছিল বার্ষিক “টু সেশনস” অধিবেশনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবং নজরকাড়া ঘটনাগুলোর একটি।
এই সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিশ্ব রাজনীতি, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক, ইউরোপ, মধ্যপ্রাচ্য, দক্ষিণ চীন সাগরসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ইস্যু নিয়ে চীনের দৃষ্টিভঙ্গি ব্যাখ্যা করেন।
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও সম্পর্কের নতুন ধারা
বর্তমানে চীন সতর্কতার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তার কৌশলগত প্রতিদ্বন্দ্বিতা পরিচালনা করছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কের টানাপোড়েন তীব্র ছিল। তবে সাম্প্রতিক উচ্চপর্যায়ের বৈঠক ও আলোচনার কারণে পরিস্থিতি কিছুটা স্থিতিশীল হয়েছে।
ওয়াং ই বলেন, দুই দেশের সম্পর্ক এখনও প্রতিযোগিতামূলক হলেও সংলাপ ও কূটনৈতিক যোগাযোগের মাধ্যমে উত্তেজনা নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চলছে।
ইউরোপের সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদার
যুক্তরাষ্ট্রের পাশাপাশি ইউরোপের দেশগুলোর সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার দিকে জোর দিচ্ছে বেইজিং। বিশেষ করে অনেক ইউরোপীয় দেশ বর্তমানে চীনের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক নতুনভাবে মূল্যায়ন করছে।
ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের অনিশ্চিত নীতির কারণে যুক্তরাষ্ট্রের কিছু ঐতিহ্যগত মিত্র দেশও এখন চীনের সঙ্গে সম্পর্কের ভারসাম্য পুনর্বিবেচনা করছে। এই পরিস্থিতিকে কাজে লাগিয়ে চীন ইউরোপের সঙ্গে বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা বাড়ানোর চেষ্টা করছে।
বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ইস্যুতে চীনের অবস্থান
সংবাদ সম্মেলনে দেশি ও বিদেশি সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন ওয়াং ই। তিনি মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি, দক্ষিণ চীন সাগরের উত্তেজনা, জাপানের সঙ্গে সম্পর্ক, তাইওয়ান ইস্যু এবং ইউক্রেন যুদ্ধসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক বিষয় নিয়ে চীনের অবস্থান তুলে ধরেন।
এই আলোচনার মাধ্যমে বেইজিং বৈশ্বিক রাজনীতিতে তার ভূমিকা ও কৌশলগত দৃষ্টিভঙ্গি পরিষ্কার করার চেষ্টা করেছে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 


















