ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন-ইসরায়েলি যুদ্ধ শুরুর পর থেকে বৈশ্বিক পণ্যবাজারে ব্যাপক অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। সিবিএস নিউজের তথ্যমতে, কৃষিতে ব্যবহৃত সারের কাঁচামাল অ্যামোনিয়ার দাম প্রায় ২০ শতাংশ এবং ইউরিয়ার দাম ৫০ শতাংশ বেড়েছে। এই মূল্যবৃদ্ধি সরাসরি বিশ্বের খাদ্য উৎপাদনের ওপর প্রভাব ফেলবে।

হরমুজ বন্ধের বহুমাত্রিক আঘাত
হরমুজ প্রণালী বন্ধ থাকায় পারস্য উপসাগর থেকে জ্বালানি তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস রফতানি স্বাভাবিকভাবে হচ্ছে না। ফলে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে দাম বেড়ে গেছে। স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতিবিদদের হিসাব অনুযায়ী, এই যুদ্ধের কারণে একটি গড় মার্কিন পরিবার এ বছর জ্বালানি বাবদ অতিরিক্ত ৭৪০ ডলার খরচ করবে। সবচেয়ে দরিদ্র দেশগুলোতে এই চাপের পরিমাণ আরও বেশি হবে কারণ তাদের অর্থনীতিতে জ্বালানির মূল্যের প্রভাব অনেক বেশি প্রত্যক্ষ।
বাংলাদেশের কৃষি ও রেমিট্যান্স দুইটিই ঝুঁকিতে

বাংলাদেশ তার কৃষি খাতের জন্য বিশাল পরিমাণ সার আমদানি করে, যার উল্লেখযোগ্য অংশ মধ্যপ্রাচ্য ও রাশিয়া থেকে আসে। ইউরিয়ার দাম ৫০ শতাংশ বাড়লে বোরো মৌসুমের উৎপাদন খরচ বাড়বে এবং সরকারের ভর্তুকির চাপ আরও তীব্র হবে। একই সঙ্গে উপসাগরীয় অঞ্চলের অর্থনীতি সংকুচিত হওয়ায় সেখানকার বাংলাদেশি প্রবাসীদের চাকরি ও আয়ের ওপরও চাপ পড়ছে। ইউএনডিপির হিসাবে আরব বিশ্বের জিডিপি এক মাসে ১৯৪ বিলিয়ন ডলার কমেছে। এই সংকোচন সরাসরি প্রবাসী বাংলাদেশিদের আয়ের পরিবেশ নষ্ট করছে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















