সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় যুদ্ধের ৩৩ দিনের পরিসংখ্যান প্রকাশ করেছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত আমিরাতের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ৪৩৮টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, ১৯টি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র এবং দুই হাজারের বেশি ড্রোন প্রতিহত করেছে। এই বিশাল সংখ্যা প্রমাণ করে যে উপসাগরীয় আকাশপথ কতটা ব্যস্ত ও বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে।

নিহত ও আহতদের জাতীয়তার বিস্তর তালিকা
দ্য ন্যাশনাল পত্রিকার তথ্যমতে, আমিরাতে যুদ্ধ-সংক্রান্ত মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১২ জনে। নিহতদের মধ্যে দুইজন সামরিক কর্মকর্তা ও একজন মরক্কান বেসামরিক ঠিকাদার ছাড়াও রয়েছেন পাকিস্তানি, নেপালি, ফিলিস্তিনি, ভারতীয় ও বাংলাদেশি নাগরিক। আহত ১৯০ জনের মধ্যে রয়েছেন বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, ফিলিপাইন, ইথিওপিয়া, সুদান, শ্রীলঙ্কা, আফগানিস্তান, নাইজেরিয়া, ইন্দোনেশিয়া, তুরস্ক, সুইডেন, তিউনিসিয়াসহ ৩০টিরও বেশি দেশের নাগরিক।
প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এটি কেবল সংখ্যা নয়
আমিরাতে প্রায় ১০ লাখ বাংলাদেশি কর্মরত। এই যুদ্ধে তারা নিজেদের চাকরি, আয় এবং শারীরিক নিরাপত্তা তিনটি নিয়েই উদ্বিগ্ন। ইরানের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র থেকে আমিরাতের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা যখনই একটি আটকায়, তখন ধ্বংসাবশেষ কোথাও না কোথাও পড়ে। ফুজাইরার খামারে বাংলাদেশি শ্রমিকের মৃত্যু সেই বাস্তবতারই সাক্ষী। পরিবারের কাছে টাকা পাঠানো থেকে শুরু করে প্রতিদিনের কাজে যাওয়া পর্যন্ত, লাখো বাংলাদেশি প্রবাসী এখন যুদ্ধের সবচেয়ে নীরব ভুক্তভোগী।
![]()
সারাক্ষণ রিপোর্ট 


















