০২:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
জাপানে ৭.১ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প, সুনামি সতর্কতা জারি উজান আসামে বন্যার ভয়াবহতায় জীবন বাঁচাতে দিনরাত উদ্ধারকর্মীরা ১৮০ বছর পর আসামের পাহাড়ে বিরল ফুলের উদ্ভিদ, টিকে আছে মাত্র ৪০টি আসামে বন্যার পানি নামতেই বাড়ছে রোগের শঙ্কা, নিরাপদ পানি ও মশা নিয়ন্ত্রণে সতর্কতার আহ্বান আসামের ভয়াবহ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত তিন জেলায় বিশেষ অর্থনৈতিক প্যাকেজের দাবি আগস্টে ত্রিপুরা-মিজোরাম সীমান্ত বিরোধ মেটাতে ফের উচ্চপর্যায়ের বৈঠক আসামে ১০ বছরে ৬,২১১ শিশুশ্রমিক শনাক্ত, পুনর্বাসন হয়েছে ৬,১২৩ জনের আজাদ কাশ্মীর নির্বাচনে বড় জয় নওয়াজ শরিফের দল পিএমএল-এনের, ১৩ আসনের ৯টিই দখল সৌদি আরবের তেল পরিবহন ব্যবস্থায় হুতিদের হামলার দাবি, বাড়ছে বিশ্ববাজারে উদ্বেগ চীনের চিপ প্রতিযোগিতার ভয়ে এশিয়ার প্রযুক্তি বাজারে বড় ধস

নতুন গাড়ি ও কম্পিউটার সরঞ্জাম কেনা বন্ধ

সরকারি তহবিলের ব্যয় নতুন বাজেটে সীমিত রাখা হয়েছে। অর্থমন্ত্রী জানান, এই সময়কালে নতুন কোনো যানবাহন, জাহাজ, বিমান বা কম্পিউটার সরঞ্জাম কেনা হবে না। এই সিদ্ধান্তের উদ্দেশ্য হলো সরকারি ব্যয়ের উপর নিয়ন্ত্রণ রাখা এবং বাজেটের স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা।

অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, এই পদক্ষেপ সরকারি দফতরগুলোর কার্যক্রমে অপ্রয়োজনীয় খরচ কমাতে সাহায্য করবে। পাশাপাশি, সরকারের মূল লক্ষ্য হলো বরাদ্দ করা তহবিলকে কার্যকরভাবে ব্যবহার করে দেশের অর্থনীতিকে সহায়তা করা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর পদে পরিবর্তন, যা বললেন অর্থমন্ত্রী

সরকারি দফতরগুলোকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যে, সীমিত তহবিলের মধ্যে কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে এবং শুধুমাত্র জরুরি ও অপরিহার্য ক্রয়কর্মই অনুমোদিত হবে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই নিয়ন্ত্রণ কৌশল দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

এর ফলে, সরকারি প্রকল্পগুলোর কার্যক্রমে কিছুটা সময়সূচি পরিবর্তন আসতে পারে, তবে সরকারের পক্ষ থেকে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে যে নাগরিক সেবায় কোনো ধরনের ব্যাঘাত হবে না।

এই বাজেট নীতির মূল লক্ষ্য হলো দেশীয় অর্থনৈতিক সংস্থানকে সংরক্ষণ করা এবং প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে বরাদ্দকৃত তহবিলকে সঠিকভাবে ব্যবহার করা।

জনপ্রিয় সংবাদ

জাপানে ৭.১ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প, সুনামি সতর্কতা জারি

নতুন গাড়ি ও কম্পিউটার সরঞ্জাম কেনা বন্ধ

১১:২৯:৫৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬

সরকারি তহবিলের ব্যয় নতুন বাজেটে সীমিত রাখা হয়েছে। অর্থমন্ত্রী জানান, এই সময়কালে নতুন কোনো যানবাহন, জাহাজ, বিমান বা কম্পিউটার সরঞ্জাম কেনা হবে না। এই সিদ্ধান্তের উদ্দেশ্য হলো সরকারি ব্যয়ের উপর নিয়ন্ত্রণ রাখা এবং বাজেটের স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা।

অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, এই পদক্ষেপ সরকারি দফতরগুলোর কার্যক্রমে অপ্রয়োজনীয় খরচ কমাতে সাহায্য করবে। পাশাপাশি, সরকারের মূল লক্ষ্য হলো বরাদ্দ করা তহবিলকে কার্যকরভাবে ব্যবহার করে দেশের অর্থনীতিকে সহায়তা করা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর পদে পরিবর্তন, যা বললেন অর্থমন্ত্রী

সরকারি দফতরগুলোকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যে, সীমিত তহবিলের মধ্যে কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে এবং শুধুমাত্র জরুরি ও অপরিহার্য ক্রয়কর্মই অনুমোদিত হবে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই নিয়ন্ত্রণ কৌশল দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

এর ফলে, সরকারি প্রকল্পগুলোর কার্যক্রমে কিছুটা সময়সূচি পরিবর্তন আসতে পারে, তবে সরকারের পক্ষ থেকে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে যে নাগরিক সেবায় কোনো ধরনের ব্যাঘাত হবে না।

এই বাজেট নীতির মূল লক্ষ্য হলো দেশীয় অর্থনৈতিক সংস্থানকে সংরক্ষণ করা এবং প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে বরাদ্দকৃত তহবিলকে সঠিকভাবে ব্যবহার করা।