সরকারি তহবিলের ব্যয় নতুন বাজেটে সীমিত রাখা হয়েছে। অর্থমন্ত্রী জানান, এই সময়কালে নতুন কোনো যানবাহন, জাহাজ, বিমান বা কম্পিউটার সরঞ্জাম কেনা হবে না। এই সিদ্ধান্তের উদ্দেশ্য হলো সরকারি ব্যয়ের উপর নিয়ন্ত্রণ রাখা এবং বাজেটের স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা।
অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, এই পদক্ষেপ সরকারি দফতরগুলোর কার্যক্রমে অপ্রয়োজনীয় খরচ কমাতে সাহায্য করবে। পাশাপাশি, সরকারের মূল লক্ষ্য হলো বরাদ্দ করা তহবিলকে কার্যকরভাবে ব্যবহার করে দেশের অর্থনীতিকে সহায়তা করা।

সরকারি দফতরগুলোকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যে, সীমিত তহবিলের মধ্যে কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে এবং শুধুমাত্র জরুরি ও অপরিহার্য ক্রয়কর্মই অনুমোদিত হবে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই নিয়ন্ত্রণ কৌশল দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
এর ফলে, সরকারি প্রকল্পগুলোর কার্যক্রমে কিছুটা সময়সূচি পরিবর্তন আসতে পারে, তবে সরকারের পক্ষ থেকে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে যে নাগরিক সেবায় কোনো ধরনের ব্যাঘাত হবে না।
এই বাজেট নীতির মূল লক্ষ্য হলো দেশীয় অর্থনৈতিক সংস্থানকে সংরক্ষণ করা এবং প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে বরাদ্দকৃত তহবিলকে সঠিকভাবে ব্যবহার করা।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















