ইরান যুদ্ধের কারণে সৃষ্ট জ্বালানি সংকটের আঘাত এখন বাংলাদেশের কৃষি, মৎস্য ও ক্ষুদ্র শিল্পখাতে সরাসরি পড়ছে। ডিজেলের অভাবে সেচপাম্প বন্ধ, মাছ ধরার নৌকা ঘাটে আটকা, আর ছোট কারখানায় লোডশেডিং ও জ্বালানির অভাবে উৎপাদন স্থগিত।
পটুয়াখালীর কৃষক পরেশ দাস বলেন, “বাজারে ডিজেল নেই। যা পাওয়া যায় তা চড়া দামে, বোতলে করে বিক্রি হচ্ছে। ঘন ঘন বিদ্যুৎ যাওয়ায় পরিস্থিতি আরও খারাপ।” কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে জরুরি ভিত্তিতে ডিজেল আমদানির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, তবে মাঠপর্যায়ে সরবরাহ এখনও স্বাভাবিক হয়নি।
ক্ষুদ্র শিল্পে মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা
কুড়িখারা বিএসসিআইসি শিল্প এলাকার ব্যবস্থাপক এমএ হাশেম জানান, পল্লী বিদ্যুতে ঘন ঘন লোডশেডিং আগে থেকেই ছিল। এখন ডিজেলও দুর্লভ ও দামি হয়ে যাওয়ায় উৎপাদন খরচ বেড়ে গেছে। অনেক ছোট উদ্যোক্তা কারখানা বন্ধ রাখতে বাধ্য হচ্ছেন।
বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ
বিশেষজ্ঞরা সৌরশক্তি ও বায়োগ্যাসের ব্যবহার বাড়ানো, ঋণ সুবিধা সহজ করা এবং জ্বালানি সাশ্রয়ী প্রযুক্তি গ্রহণের পরামর্শ দিচ্ছেন। তারা বলছেন, সংকট দীর্ঘায়িত হলে দেশের খাদ্য নিরাপত্তাও হুমকিতে পড়বে।

জ্বালানির অভাবে সেচপাম্প বন্ধ, মাছ ধরার নৌকা ঘাটে আটকা। বাংলাদেশের কৃষক ও জেলেরা এখন ইরান যুদ্ধের মূল্য দিচ্ছেন।
#জ্বালানিসংকট #কৃষি #ক্ষুদ্রশিল্প #Sarakhon #সারাক্ষণ
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















