ইরান যুদ্ধের ৩৫তম দিনে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলারের উপরে স্থির রয়েছে। মার্কিন বেঞ্চমার্ক ক্রুড ১০৩ ডলার ৭১ সেন্টে এবং ব্রেন্ট ক্রুড ১০৭ ডলার ৫৬ সেন্টে উঠেছে। যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ৪০ শতাংশেরও বেশি বেড়েছে।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে হামলা শুরু করার পর থেকে হরমুজ প্রণালি অবরুদ্ধ হয়ে যায়। এই প্রণালি দিয়ে বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল পরিবহন হয়। সরবরাহে এই ধাক্কায় তেলের দাম আকাশছোঁয়া হয়ে উঠেছে।

বাংলাদেশে সরাসরি প্রভাব
বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করছেন, জ্বালানির বর্ধিত আমদানি ব্যয় শেষ পর্যন্ত সাধারণ ভোক্তার ওপর পড়বে। পরিবহন ব্যয় বাড়বে, পণ্যের দাম বাড়বে এবং মূল্যস্ফীতি আরও তীব্র হবে। ইতিমধ্যে বাজারে জিনিসপত্রের দাম বাড়তে শুরু করেছে।
শেয়ারবাজারে মিশ্র প্রতিক্রিয়া
এশিয়ার বাজারে টোকিওর নিক্কেই ১.৬ শতাংশ এবং সিউলের কসপি ৪.৩ শতাংশ পড়েছে। তবে ইউরোপে ব্রিটেনের এফটিএসই ১০০ ০.৯ শতাংশ বেড়েছে। সোনার দামও বেড়ে আউন্সপ্রতি ১ হাজার ৫৮৪ ডলার ছাড়িয়েছে।
তেলের দাম ৪০ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ১০৭ ডলার। ইরান যুদ্ধের আঘাতে বাংলাদেশের জ্বালানি আমদানি ব্যয় লাগামহীনভাবে বাড়ছে।

#তেলেরদাম #জ্বালানিসংকট #ইরানযুদ্ধ #Sarakhon #সারাক্ষণ
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















