জ্বালানি সংকটের মধ্যে স্বস্তির খবর নিয়ে মালয়েশিয়া থেকে ৩৪ হাজার টন ডিজেলবাহী একটি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) সূত্রে জানানো হয়, ইরান-মার্কিন-ইসরায়েল যুদ্ধের জেরে হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকায় মধ্যপ্রাচ্যের রুটে জ্বালানি আমদানি প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। এই পরিস্থিতিতে বিকল্প সরবরাহকারী দেশ হিসেবে মালয়েশিয়া, ভারত ও অন্যান্য এশিয়া-প্যাসিফিক উৎসকে কাজে লাগানো হচ্ছে।
জ্বালানি নিরাপত্তায় নতুন কৌশল
সরকার জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যনির্ভর জ্বালানি আমদানির ওপর নির্ভরতা কমিয়ে বিকল্প উৎস থেকে সরবরাহ নিশ্চিত করতে কূটনৈতিক তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। ইতোমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে জ্বালানি নিরাপত্তায় সহায়তার অনুরোধ করা হয়েছে, যেখানে মার্কিন এনার্জি সেক্রেটারি ক্রিস রাইট ইতিবাচক সাড়া দিয়েছেন। ভারতের কাছেও ডিজেল সরবরাহের আবেদন পাঠানো হয়েছে।
দেশে জ্বালানি পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখার উদ্যোগ
বাংলাদেশ তার জ্বালানির ৯৫ শতাংশ আমদানিনির্ভর, যার বড় অংশ আসে মধ্যপ্রাচ্য থেকে। হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকায় এলএনজিসহ পেট্রোলিয়াম পণ্যের সরবরাহে বিঘ্ন ঘটছে। মালয়েশিয়ার জাহাজ পৌঁছানো এবং বিকল্প সরবরাহ চ্যানেল সক্রিয় করা জ্বালানি বাজারে কিছুটা স্থিতিশীলতা আনবে বলে সরকার আশাবাদী। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হলে দীর্ঘমেয়াদি সমাধান খুঁজে বের করতে হবে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















