১০:০৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৬
চীনের নীতি বদল: অর্থনীতি নয়, এখন কর্তৃত্ব ও আনুগত্যই মূল লক্ষ্য ট্রাম্পের মন্তব্য: যুদ্ধ চলতে পারে কয়েক সপ্তাহ, নিখোঁজ বিমানচালকের বিষয় চুক্তিতে প্রভাব ফেলবে না যুদ্ধবিরতি প্রত্যাখ্যান করল ইরান, নিহতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে দুই হাজার ৫৪ বছর পর মানুষ আবার চাঁদের পথে, আর্টেমিস-২ অর্ধেক পথ পেরিয়েছে ইরানের একমাত্র কার্যকরী পারমাণবিক কেন্দ্রের কাছে হামলা: নিরাপত্তা কর্মী নিহত, ইরান সতর্ক ইরানি আকাশে ধ্বংসপ্রাপ্ত F-15E যুদ্ধবিমানের ক্রু উদ্ধার অভিযান ইরানের আকাশে উত্তেজনা: মার্কিন বিমানচালক নিখোঁজ, তেহরানে ইসরায়েলের হামলার আতঙ্ক দেশপ্রেমের এই নমুনা, আমার হাতে হাতকড়া: মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী আসামে আদিবাসী পরিবারকে গরু-ভেড়া দেবেন শাহ, প্রতিশ্রুতি দিলেন বৃহৎ দুধ শিল্প স্থাপনারও মলদায় সহিংসতা পরিকল্পিত: বিজেপি-এআইএমআইএম-কংগ্রেস জোটের অভিযোগ মমতার

যশোরে পাকিস্তানি বাহিনীর গণহত্যা দিবস আজ, ৫৫ বছরেও শহিদরা অস্বীকৃত

আজ ৪ এপ্রিল। ১৯৭১ সালের এই দিনে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী যশোরে নৃশংস গণহত্যা চালিয়েছিল। শহরের একটি মাদ্রাসায় হানা দিয়ে পাকিস্তানি সৈন্যরা শিক্ষক, ছাত্র ও বেসামরিক নাগরিকদের হত্যা করে এবং মরদেহগুলো গণকবরে পুঁতে রাখে। একই দিনে পাকিস্তানি বাহিনী যশোরের একটি ক্যাথলিক চার্চে হামলা চালায়, সেখানে একজন ইতালীয় পাদ্রিসহ ছয়জন প্রাণ হারান। এই দিনটি যশোরের ইতিহাসে “মাদ্রাসা ট্র্যাজেডি” নামে পরিচিত।

পরিচিতদের নাম ইতিহাসের পাতায়

নিহতদের মধ্যে যাদের নাম শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে তাদের মধ্যে রয়েছেন তাহের উদ্দিন, এবিএম আব্দুল হামিদ, এবিএম কামরুজ্জামান, কাজী আব্দুল গণি ও তার ছেলে কাজী কামরুজ্জামান, দিন মোহাম্মদ, আইয়ুব হোসেন, কাজী আব্দুল কালাম আজাদ, মাওলানা হাবিবুর রহমান, আব্দুর রউফ এবং আবু কালাম।

যশোর গণহত্যার স্মৃতিস্তম্ভ চায় শহীদ পরিবারগুলো

৫৫ বছরেও স্বীকৃতি নেই, স্মৃতিসৌধ নেই

আংশিক স্বীকৃতি মিললেও নিহতদের বড় অংশ আজও সরকারিভাবে স্বীকৃত শহিদের মর্যাদা পাননি। যশোর সদর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক উপ-অধিনায়ক আফজাল হোসেন দোদুল দাবি জানিয়েছেন, সকল শহিদের পূর্ণ স্বীকৃতি, গণকবর সংরক্ষণ এবং তাদের স্মরণে একটি স্থায়ী স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করতে হবে। স্বাধীনতার ৫৫ বছর পরেও এই শহিদদের ন্যায়বিচার প্রশ্নটি অমীমাংসিত থেকে যাওয়া বেদনাদায়ক বলে মন্তব্য করেছেন মুক্তিযুদ্ধের গবেষকরা।

জনপ্রিয় সংবাদ

চীনের নীতি বদল: অর্থনীতি নয়, এখন কর্তৃত্ব ও আনুগত্যই মূল লক্ষ্য

যশোরে পাকিস্তানি বাহিনীর গণহত্যা দিবস আজ, ৫৫ বছরেও শহিদরা অস্বীকৃত

০৭:৪৭:৩৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ এপ্রিল ২০২৬

আজ ৪ এপ্রিল। ১৯৭১ সালের এই দিনে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী যশোরে নৃশংস গণহত্যা চালিয়েছিল। শহরের একটি মাদ্রাসায় হানা দিয়ে পাকিস্তানি সৈন্যরা শিক্ষক, ছাত্র ও বেসামরিক নাগরিকদের হত্যা করে এবং মরদেহগুলো গণকবরে পুঁতে রাখে। একই দিনে পাকিস্তানি বাহিনী যশোরের একটি ক্যাথলিক চার্চে হামলা চালায়, সেখানে একজন ইতালীয় পাদ্রিসহ ছয়জন প্রাণ হারান। এই দিনটি যশোরের ইতিহাসে “মাদ্রাসা ট্র্যাজেডি” নামে পরিচিত।

পরিচিতদের নাম ইতিহাসের পাতায়

নিহতদের মধ্যে যাদের নাম শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে তাদের মধ্যে রয়েছেন তাহের উদ্দিন, এবিএম আব্দুল হামিদ, এবিএম কামরুজ্জামান, কাজী আব্দুল গণি ও তার ছেলে কাজী কামরুজ্জামান, দিন মোহাম্মদ, আইয়ুব হোসেন, কাজী আব্দুল কালাম আজাদ, মাওলানা হাবিবুর রহমান, আব্দুর রউফ এবং আবু কালাম।

যশোর গণহত্যার স্মৃতিস্তম্ভ চায় শহীদ পরিবারগুলো

৫৫ বছরেও স্বীকৃতি নেই, স্মৃতিসৌধ নেই

আংশিক স্বীকৃতি মিললেও নিহতদের বড় অংশ আজও সরকারিভাবে স্বীকৃত শহিদের মর্যাদা পাননি। যশোর সদর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক উপ-অধিনায়ক আফজাল হোসেন দোদুল দাবি জানিয়েছেন, সকল শহিদের পূর্ণ স্বীকৃতি, গণকবর সংরক্ষণ এবং তাদের স্মরণে একটি স্থায়ী স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করতে হবে। স্বাধীনতার ৫৫ বছর পরেও এই শহিদদের ন্যায়বিচার প্রশ্নটি অমীমাংসিত থেকে যাওয়া বেদনাদায়ক বলে মন্তব্য করেছেন মুক্তিযুদ্ধের গবেষকরা।