আজ ৪ এপ্রিল। ১৯৭১ সালের এই দিনে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী যশোরে নৃশংস গণহত্যা চালিয়েছিল। শহরের একটি মাদ্রাসায় হানা দিয়ে পাকিস্তানি সৈন্যরা শিক্ষক, ছাত্র ও বেসামরিক নাগরিকদের হত্যা করে এবং মরদেহগুলো গণকবরে পুঁতে রাখে। একই দিনে পাকিস্তানি বাহিনী যশোরের একটি ক্যাথলিক চার্চে হামলা চালায়, সেখানে একজন ইতালীয় পাদ্রিসহ ছয়জন প্রাণ হারান। এই দিনটি যশোরের ইতিহাসে “মাদ্রাসা ট্র্যাজেডি” নামে পরিচিত।
পরিচিতদের নাম ইতিহাসের পাতায়
নিহতদের মধ্যে যাদের নাম শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে তাদের মধ্যে রয়েছেন তাহের উদ্দিন, এবিএম আব্দুল হামিদ, এবিএম কামরুজ্জামান, কাজী আব্দুল গণি ও তার ছেলে কাজী কামরুজ্জামান, দিন মোহাম্মদ, আইয়ুব হোসেন, কাজী আব্দুল কালাম আজাদ, মাওলানা হাবিবুর রহমান, আব্দুর রউফ এবং আবু কালাম।

৫৫ বছরেও স্বীকৃতি নেই, স্মৃতিসৌধ নেই
আংশিক স্বীকৃতি মিললেও নিহতদের বড় অংশ আজও সরকারিভাবে স্বীকৃত শহিদের মর্যাদা পাননি। যশোর সদর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক উপ-অধিনায়ক আফজাল হোসেন দোদুল দাবি জানিয়েছেন, সকল শহিদের পূর্ণ স্বীকৃতি, গণকবর সংরক্ষণ এবং তাদের স্মরণে একটি স্থায়ী স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করতে হবে। স্বাধীনতার ৫৫ বছর পরেও এই শহিদদের ন্যায়বিচার প্রশ্নটি অমীমাংসিত থেকে যাওয়া বেদনাদায়ক বলে মন্তব্য করেছেন মুক্তিযুদ্ধের গবেষকরা।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















