ডিম সিদ্ধ করার কাজ মনে হয় সহজ, কিন্তু নরম ডিমের সাদা অংশ ঠিক মতো নরম না হলে বা কুসুম ধূসর-সবুজ হয়ে গন্ধ করলে তা বিরক্তিকর হতে পারে। এমন পরিস্থিতি এড়াতে এই সহজ এবং কার্যকর পদ্ধতি অনুসরণ করুন। তবে এক কথা মনে রাখুন, “উবালা” শব্দটি পুরোপুরি সঠিক নয়। আসলে, ডিম সিদ্ধ করতে চাইলে হালকা সিমারিং (ধীরে ধীরে ফোঁড়া উঠানো) করা ভালো, যাতে ডিমের সাদা অংশ নরম থাকে কিন্তু একটু দাঁড়িয়েও থাকে। পানি হালকা গড়গড় করলেই ডিম অতিরিক্ত সিদ্ধ হয় না এবং রান্নার সময় একে অপরের সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে ফাটে না।
ডিম কিভাবে সিমার করবেন

একটি সসপ্যানে পানি ফোঁড়া দিন। বড়, ঠান্ডা ফ্রিজের ডিম আস্তে আস্তে চামচ বা ছাঁকনি দিয়ে পানিতে নামান। দুইবার পানি দিয়ে ডিম ডুবো ও তুলুন যাতে ঠান্ডা খোসা তাপমাত্রার পরিবর্তনে ফেটে না যায়। তারপর আঁচ কমিয়ে ডিমকে সিমার করুন এবং আপনার পছন্দমতো সিদ্ধ হওয়া পর্যন্ত রান্না করুন। ডিম সিদ্ধ হয়ে গেলে তা তাড়াতাড়ি বের করুন এবং ঠান্ডা পানিতে বা বরফের সঙ্গে মিশিয়ে ঠান্ডা করুন যাতে খোসা সহজে ছাড়া যায়। ডিম ঠান্ডা করতে চাইলে না হলে তা শুধু গরম অবস্থায় বের করুন।
নরম সিদ্ধ ডিম
নরম সিদ্ধ ডিমের সাদা অংশ নরম এবং কুসুম আংশিক তরল থাকে। সাধারণত ৪ থেকে ৫ মিনিট রান্না করলে এ ধরনের ডিম পাওয়া যায়।
মাঝারি সিদ্ধ ডিম
মাঝারি ডিমের সাদা অংশ ঠিকঠাক সেট হয় এবং কুসুম কিছুটা তরল বা জ্যামি থাকে। প্রায় ৬.৫ থেকে ৭.৫ মিনিট রান্না করলে এই অবস্থায় ডিম আসে।

কঠিন সিদ্ধ ডিম
কঠিন ডিমের সাদা এবং কুসুম উভয়ই পুরোপুরি সেদ্ধ থাকে। প্রায় ১০ থেকে ১১ মিনিট রান্না করলে এটি তৈরি হয়।
সফল ডিম সিদ্ধ করার কয়েকটি টিপস
রুম-টেম্পারেচারের ডিম দিয়ে শুরু করলে রান্নার সময় ১ মিনিট কমান।
জ্যামি বা কঠিন সিদ্ধ ডিম খোসাসহ ফ্রিজে এক সপ্তাহ পর্যন্ত রাখা যায়। ডিমগুলোতে স্থায়ী মার্কার দিয়ে চিহ্নিত করুন যাতে কাঁচা ডিমের সঙ্গে মিশে না যায়।

সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















